১২ ডিসেম্বর, অভিনেতার জীবনে নেমে এলো শূন্যতা! জয়জিতের জীবনে নতুন অধ্যায়! ছেলেকে আগলে রাখাই এখন একমাত্র লক্ষ্য!

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি এক নীরব সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে নিজেই জানালেন যে ১২ ডিসেম্বর তাঁর এবং শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিবাহবিচ্ছেদ আইনি ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নতুন বছরের শুরুতেই এই সত্য সামনে এলেও বিষয়টি নিয়ে কোনও নাটকীয়তা করতে চাননি অভিনেতা। বরং অত্যন্ত সংযত এবং স্পষ্ট ভাষায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি।

জয়জিতের কথায়, এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ নেওয়া নয়। প্রায় দু বছর ধরেই তাঁরা আলাদা থাকছিলেন। সেই সময়েই দুজনেই বুঝেছিলেন যে সম্পর্ক আর আগের জায়গায় নেই। কোনও রাগ অভিমান বা দোষারোপ ছাড়াই যৌথ সিদ্ধান্তে তাঁরা আলাদা হওয়ার পথে হেঁটেছেন। অভিনেতা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এই বিচ্ছেদের মধ্যে কোনও তিক্ততা নেই এবং দুজনের মধ্যেই পারস্পরিক সম্মান বজায় রয়েছে।

এই সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তাঁদের একমাত্র ছেলে যশোজিৎ। ছেলের কথাই ভেবে এতদিন বিচ্ছেদ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি জয়জিৎ। তাঁর মা বাবা মূলত যশোজিতকে বড় করেছেন। অভিনেতা নিজে ছেলেকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে যেমন বাবার প্রতি দায়িত্ব রয়েছে, তেমনই মায়ের প্রতিও সমান দায়িত্ব ও সম্মান থাকা দরকার। তিনি চান না বাবা মায়ের সম্পর্কের টানাপড়েন ছেলের জীবনে কোনও নেতিবাচক প্রভাব ফেলুক।

বর্তমানে যশোজিৎ কলেজের ছাত্র। ছেলের ভবিষ্যৎ গড়াই এখন জয়জিতের জীবনের প্রধান লক্ষ্য। ব্যক্তিগত জীবনের এই অধ্যায় পেরিয়ে তিনি আপাতত আর কোনও নতুন সম্পর্কে বা ব্যক্তিগত পরিকল্পনায় মন দিতে চান না। তাঁর কাছে এখন সবথেকে জরুরি বিষয় একটাই, ছেলেকে মানসিক ভাবে স্থির এবং নিরাপদ রাখা।

আরও পড়ুনঃ পাঁচ বছর পর ছোটপর্দায় প্রত্যাবর্তন! এত বছর কোথায় ছিলেন অভিনেত্রী? সেই গল্পই ভাগ করে নিলেন পায়েল রায়!

শ্রেয়ার সঙ্গে কাটানো দিনগুলিকে অস্বীকার করেননি অভিনেতা। বরং তিনি স্বীকার করেছেন যে তাঁদের জীবনে অনেক সুন্দর মুহূর্ত ছিল। তবে সম্পর্ক যখন ধীরে ধীরে বিষাক্ত হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দেয়, তখন সেখান থেকে বেরিয়ে আসাই বুদ্ধিমানের বলে মনে করেছেন তিনি। জয়জিতের মতে, বিচ্ছেদ কোনও আনন্দের খবর নয়। তাই ঢাকঢোল না পিটিয়ে নীরবতাকেই বেছে নিয়েছিলেন তাঁরা।

Back to top button