গণ’পিটুনির জেরে মৃ’ত্যু! চরম পরিণতির শিকার হলেন শ্রাবন্তী, কৌশানির নায়ক

বাংলা বিনোদন জগতের তিনি জনপ্রিয় মুখ। কাজ করেছেন একের পর এক সিনেমায়। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় (Srabanti Chatterjee) থেকে কৌশানি মুখার্জী (Koushani Mukherjee), তিনি কাজ করেছেন বাংলার বাংলার জনপ্রিয় নায়িকাদের সঙ্গে। তার অভিনয় বারবার প্রশংসিত হয়েছে দর্শক মহলে। এমনকি সুপারস্টার দেবের সঙ্গেও শুটিং করেছেন একটি সিনেমা। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল এই অভিনেতা। এরপরই সুযোগ আসে ব্যাক টু ব্যাক সিনেমার।
তবে সম্প্রতি অভিনেতার বিষয়ে জানা গেল দুঃসংবাদ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শ্রাবন্তী সঙ্গে বিক্ষোভ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। সিনেমাটিতে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের নায়কের ভূমিকায় তাকে দেখেছেন দর্শকরা। সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে বড়পর্দায়। পাশাপাশি কৌশানি মুখার্জীর সঙ্গে প্রিয়া রে নামে একটা সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। যদিও বড়পর্দায় এখনও মুক্তি পায়নি সে সিনেমা। তাছাড়াও দেব সঙ্গে কমান্ডো নামে একটা সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। যদিও সেই সিনেমায় শুটিং অসম্পূর্ণ।

তবে সম্প্রতি অভিনেতার সম্পর্কে শোনা যাচ্ছে দুঃসংবাদ। অভিনেতা এবং তার বাবার সঙ্গে ঘটে গেছে মর্মান্তিক ঘটনা। সংবাদ সূত্রে খবর, সোমবার বাজারে এসেই সাধারণ মানুষের আক্রোশের মুখে পড়েন তারা। গণপিটুনির জেরেই ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন অভিনেতা এবং তার প্রযোজক বাবা। কিন্তু কি হয়েছিল অভিনেতার সঙ্গে? কিভাবে ঘটল এমন মর্মান্তিক ঘটনা?
গণপিটুনির জেরে প্রয়াত হলেন প্রযোজক সেলিম খান এবং শান্ত খান
ঢালিউড এবং বাংলার জনপ্রিয় প্রযোজক সেলিম খান এবং তার ছেলে অভিনেতা শান্ত খান। গতকাল শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর নিজ এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় বালিয়া ইউনিয়নের ফরক্কাবাদ বাজারে এসে জনগণের তোপের মুখে পড়েন তারা। জানা গেছে সেখানে নিজের পিস্তল থেকে গুলি করে উদ্ধার হয়ে আসতে পারলেও পার্শ্ববর্তী বাগাড়া বাজারে এসে জনতার মুখোমুখি হয় তাদের গাড়ি। তারপর সেখানে জনগণের পিটুনিতে নিহত হন প্রযোজক সেলিম খান ও তার ছেলে তথা অভিনেতা শান্ত খান।
আরও পড়ুন: সায়ক সৌমির বন্ধুত্বে চির! অহংকারী তকমা দিয়ে সর্বসমক্ষে মিঠাই রানীকে নিয়ে বি’স্ফোরক অনন্যা!
সেলিম খান এবং শান্ত খানের হত্যার প্রসঙ্গে কি বলেছেন মডেল থানার ওসি?
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শেখ মুহসীন আলম এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন “তাদের মৃত্যুর বিষয় আমরা জেনেছি। তবে আমাদেরকে কেউ খবর দেয়নি। আর আমাদের জানমালের নিরাপত্তার কারণে সেখানে কাউকে পাঠানো হয়নি।” এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখা দরকার, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সেলিম খান চাঁদপুর নৌ-সীমানায় পদ্মা-মেঘনা নদীতে শত শত ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যান।


