সায়ক সৌমির বন্ধুত্বে চির! অহংকারী তকমা দিয়ে সর্বসমক্ষে মিঠাই রানীকে নিয়ে বি’স্ফোরক অনন্যা!

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বাংলার বিনোদন (Bengali Entertainment) জগতে ছোটো পর্দা থেকে শুরু করে বড় পর্দা, উভয় জায়গাতেই চূড়ান্ত জনপ্রিয়তা পেয়ে বর্তমানে একজন সফল অভিনেত্রী হয়ে উঠেছেন সৌমিতৃষা কুন্ডু (Soumitrisha Kundu)। এই এতটুকু বয়সেই হাজার হাজার দর্শকদের মন জিতে নিয়েছেন তিনি। প্রায় প্রত্যেক দিনই নিত্যনতুন চর্চা অথবা সমালোচনায় উঠে আসে অভিনেত্রীর নাম। এইবার তার আপন বন্ধুদের থেকেই তার নামে উঠে এলো চরম অভিযোগ।

এখনো পর্যন্ত অভিনেত্রীর ঝুলিতে রয়েছে একটাই সিনেমা। আরেকটি মুক্তির অপেক্ষায়। তবে ইন্ডাস্ট্রির অনেক সহকর্মীদের মধ্যেই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, ‘অহংকারে মাটিতে পা পড়ছে না’। ফের একবার এক কাছের বন্ধুকে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করলেন সৌমিতৃষা। আর সেখান থেকেই শুরু হয়েছে নতুন চর্চা। এর আগেও নিজের সহকর্মীদের সমাজ মাধ্যমে আনফলো করে দেওয়ায় সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। নাম না নিয়ে তার বিরোধিতা করেছিলেন অভিনেত্রী তন্বী লাহা রায়।

এইবার মা-দাদা-বউদির সঙ্গে ছবি দিয়ে অভিনেতা সায়ক লিখেছিলেন, “টাকা পয়সা, ফেম মানুষকে বদলে দেয়। যেই মানুষ গুলো কখনোই বদলাবে না ‘পরিবার’। অনেকেই বন্ধুদের জন্য পরিবারকে ইগনোর করে। কিন্তু বিশ্বাস করো যখন তোমার সব থেকে বেশি ক্রাইসিস হবে তখন ১০ জন বন্ধুর মধ্যে ১-২ জন আর পরিবার ছাড়া কাউ কে পাশে পাবেনা। আমিও অনেক করেছি বন্ধুদের জন্য, কিন্তু আলটিমেটলি ওরাও তো মানুষ, ফেম ফলোয়ার পেয়ে চোখের সামনে ওদের বদলে যেতে দেখেছি, দেখেছি বাইরের লোকের কথায় বিশ্বাস করে সব থেকে কাছের বন্ধুকে ছেড়ে দিতে। তাই ২৯ বছরে এসে বুঝেছি পরিবার ছাড়া সব কিছুই টেম্পোরারি।”

আরো পড়ুন: রাইয়ের জন্য পাগল হয়ে গেছে অনির্বাণ! কার্যসিদ্ধি করতে ভয়ং’কর কাণ্ড ঘটালো সে!
ক্ষো’ভ উগরে দিলেন অনন্যা
অভিনেতার এই পোস্টে অনন্যা অর্থাৎ মিঠাই ধারাবাহিকের পিংকি জি কমেন্টে লেখেন, “কলকাতার টপ হিরোইন আনফলো করে দিল নাকি রে!” এই কমেন্টের জবাবে শুধুই দুঃখের ইমোজি দিয়েছেন সায়ক। এইবার এই নিয়ে শুরু হয়ে যায় অনুরাগীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব। নেট-নাগরিক পাশাপাশি মিঠাই রানীর এক ভক্ত কিছু মন্তব্য করেন এই কমেন্টে। যা বর্তমানে মুছে ফেলা হয়েছে। তবে অনন্যার সেই নেটিজেনকে যে প্রত্যুত্তরটি দিয়েছিলেন সেটি এখনো জ্বলজ্বল করছে। তিনি লিখেছেন, “অন্তত দুটো সিনেমা করে, পিছন ফুলিয়ে বসে থাকি না। ১২ বছর হল কাজ করছি, আমরা অভিনয় ক্ষমতা বিচার করার আপনি কে? সে আমার জুনিয়র আমি বলতেই পারি!”

অভিনেত্রী অনন্যার সৌমিকে ঠেস মেরে এমন সরাসরি ক্ষো’ভ উগরে দেওয়ায় দর্শকরা বুঝতেই পেরেছেন অভিনেত্রীকে নিয়ে তার প্রায় অধিকাংশ সহকর্মীদেরই কিছু না কিছু সমস্যা রয়েছে। তিনি ধারাবাহিকের মাধ্যমে প্রতিপত্তি এবং নাম ডাক পেলেও, নিজের ব্যক্তিগত জীবনে সৌমি বারবার অহংকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। দর্শকদের মতে এই কারণেই, তাকে নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন তন্বী, তাকে বিয়েতে আমন্ত্রণ জানায়নি আদৃত। যদিও এখনো পর্যন্ত এই নিয়ে মুখ খোলেননি সৌমিতৃষা।

