জন্মদিনেও থামেনি কাজ! মায়ের হাতের পায়েস খেয়েই জন্মদিন উদযাপন! এই বিশেষ দিনেই কি মান-অভিমান মিটিয়ে নিলেন দেব-শুভশ্রী?

তারকাদের বয়স বাড়ে না, এই কথাটা যেন দেবের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি খাটে। ২৫ ডিসেম্বর তাঁর জন্মদিন, একই দিনে মুক্তি পেয়েছে বহু প্রতীক্ষিত ছবি প্রজাপতি ২। তাই এ বছর কেক কাটার ফুরসত নেই, সকাল থেকেই হল ভিজিট আর দর্শকের উচ্ছ্বাসে ভরে উঠেছে দিনটা। জন্মদিন মানেই ছুটি নয়, বরং কাজের মাঝেই নিজেকে সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ মনে করেন দেব।
তবু কিছু অভ্যাস আজও অটুট। জন্মদিনে মায়ের হাতের পায়েস খাওয়াটা তাঁর কাছে আবেগের জায়গা। ছোটবেলার মতো উন্মাদনা আর নেই, কিন্তু এই দিন নতুন ছবি মুক্তি পাওয়াই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ। দেবের কথায়, সিনেমাই এখন তাঁর জীবনের মূল লড়াই। প্রতিদিন মনে হয় যুদ্ধ চলছে, নিজের জায়গা ধরে রাখতে বারবার প্রমাণ দিতে হচ্ছে, তবু দর্শকের ভালোবাসাই তাঁকে এগিয়ে যেতে শক্তি দেয়।
এই জন্মদিনে শুভেচ্ছার বন্যা এসেছে সহকর্মী ও অনুরাগীদের তরফে। শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ও তাঁর ছবির জন্য শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন সমাজমাধ্যমে। যদিও ব্যস্ততার কারণে সেই পোস্ট চোখে পড়েনি দেবের। ধূমকেতু মুক্তির পর থেকে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা চলেছে, মান অভিমানও নাকি কম হয়নি, এমনটাই শোনা গিয়েছিল ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে।
সম্প্রতি পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ছেলের অন্নপ্রাশনে এক ফ্রেমে দেখা গিয়েছে দেব ও শুভশ্রীকে। সেই ছবি ঘিরে ফের শুরু হয় আলোচনা, তবে কি বরফ গলেছে। এই প্রসঙ্গে দেব স্পষ্ট, জীবন খুবই অনিশ্চিত। এত কাজের চাপ আর দায়িত্বের মাঝে রাগ অভিমান বয়ে বেড়ানোর সময় নেই বলেই মনে করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ বড়দিনে উবের চালকই হয়ে উঠলেন স্বস্তিকার সান্তা! মানবিকতার গল্প শোনাতে গিয়ে আবেগে ভাসলেন অভিনেত্রী! তার জন্য কি করেছেন উবের চালক?
দেবের মতে, দুজনেই এখন পরিণত মানুষ এবং নিজেদের জীবনের পথে সুখে আছেন। সিনেমা নিয়ে ভাবাই তাঁর কাছে সবচেয়ে জরুরি, ব্যক্তিগত সম্পর্ককে তিনি স্বাভাবিকভাবেই দেখতে চান। জন্মদিনের এই ব্যস্ত দিনে দেবের উপলব্ধি একটাই, কাজের মধ্যেই তাঁর আনন্দ, আর দর্শকের ভালোবাসাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

