জিতের ‘বুমেরাং’ ছবির অফার সৌমিতৃষা ছাড়তেই জায়গায় পেয়েছেন দেবচন্দ্রিমা! “আমার যেটা প্রাপ্য আমি সেটা পাবোই”, জবাব পর্দার ‘চিঠি’ দেবচন্দ্রিমার

টেলিভিশন (Television) থেকে টলিউডে (Tollywood) পা দিয়েছেন বহু অভিনেতা। সে তালিকায় রয়েছে মিমি চক্রবর্তী, ইশা সাহা, সোহিনী সরকারের মতো বহু অভিনেত্রীর নাম। সম্প্রতি শ্বেতা ভট্টাচার্যর নাম জুড়েছে সে তালিকায়। এরপর নাম জুড়তে চলেছে সৌমিতৃষা কুণ্ডু (Soumitrisha Kundu)দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায়ের (Debchandrima Singh Roy)। টলিউড সুপারস্টার দেবের ছবিতে দেখা যাবে পর্দার মিঠাইকে। অন্যদিকে আরেক সুপারস্টার জিতের ছবিতে অভিনয় করবেন সকলের প্রিয় চারু।

বেশ কিছুদিন আগেই একটি কথা ভীষণ রোটেছিল। জিতের ছবিতে টলিউডে নাকি ডেবিউ হওয়ার কথা ছিল মিঠাইরানির। দেবচন্দ্রিমার জায়গায় প্রথমে অভিনয় করার কথা ছিল তাঁর। তার কিছু সমস্যা থাকায় সেই সময় সেই প্রজেক্টে তিনি যোগ দিতে পারেননি আর সেই জন্যই নাকি সেই চরিত্রটি এসেছে দেবচন্দ্রিমার কাছে।

সৌমিতৃষা এই গুঞ্জনে ইতি টেনে বলেছিলেন, ‘আমাকে সরিয়ে দেবচন্দ্রিমাকে নেওয়া হয়েছে বিষয়টা এমন নয়। আসলে আমি যখন জিতের ছবির অফার পেয়েছিলাম তখন রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু, সেই সময় আমার ব্যাক পেইনের সমস্যাটা ছিল। তাই সেই মুহূর্তে শ্যুটিং করা সম্ভব হয়নি। মিঠাইয়ে অনেকদিন ওইভাবে কাজ করেছি। তবে পরের দিকে আর কাজ করতে পারিনি।’

আরো পড়ুনঃ শেষ হয়েও সেরার সেরা থেকে সরানো গেল না মিঠাইকে! আবার একবার প্রমাণ হল মিঠাইতেই আঁটকে আছে দর্শকের মন

এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন স্বয়ং দেবচন্দ্রিমা। এক সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় এই গুঞ্জনের বিষয়টিতে তার কী প্রতিক্রিয়া ছিল? দেবচন্দ্রিমা বললেন, “আমার এই বিষয়টাই কিছু মনেই হয়নি। আমি এটা নিয়ে সেভাবে কিছু ভাবিইনি কখনো। এখানে কি বা ভাবার আছে। আমি মনে করি যেটা আমার পাওয়ার কথা আমি সেটা পাবই আর যেটা আমার পাওয়ার কথা নয় সেটা আমি হাজার চেষ্টা করলেও কখনোই পাবো না। আর সৌমিতৃষা আমার মতনই আরও একজন অভিনেত্রী। তিনি যদি সেই জায়গায় আমার থেকেও বেশি যোগ্য হন তাহলে তিনি কাজটা পাবেন আর আমি চাই সেক্ষেত্রে তিনি কাজটা পান। তার ওই মুভিতে কাজ করার কথা ছিল এমন কোন ইনফরমেশন আমার কাছে ছিল না। হয়তো ছিল কোন কারনে করতে পারেননি বলে হয়তো আমাকে নেওয়া হয়েছে তবে এই বিষয়ে আমি বিশেষ কিছু চিন্তা ভাবনা করছি না।”

তিনি আরো বললেন, “আমি দেখেছি চিন্তা করে কান্নাকাটি করে কিছুই পাওয়া যায় না। উল্টে আরো ক্ষতি হয়। তাই আমি আর কান্নাকাটি করি না। এমন না যে আমি প্রতিদিন রাতে শান্তিতে ঘুমোতে পারি। কিন্তু আমি চেষ্টাটুকু অন্তত করি। আর সেই জন্যই খুব বেশি করে নেগেটিভিটিকে এড়িয়ে যাই। আর সব সময় ভালো থাকার চেষ্টা করি। এতদিন ধরে স্ট্রাগল করে আমি এগিয়ে এসেছি কেউ আমাকে ধরে তুলে দেয় নি। আর বাকি রাস্তাটাও আমি ঠিক যেতে পারব।

Back to top button