‘এক হাতে মদের গ্লাস ধরে কাউকে রে’প করা যায় আমার জানা ছিল না…’ অভিনেতার একটা ভুলে ক্ষ’তবিক্ষত ঋতুপর্ণার সুন্দর গজ দাঁত! অকপটে চন্দন সেন!

বাংলার অভিনয় জগতের জনপ্রিয় একজন অভিনেতা হলেন চন্দন সেন (Chandan Sen)। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অভিনয়ের জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন চন্দন সেন (Chandan Sen)। খুব অল্প বয়স থেকেই থিয়েটার, যাত্রাপালা ইত্যাদি করে এসেছেন। বিভিন্ন থিয়েটার দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে টেলিভিশনের পর্দার বিভিন্ন ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেতাকে। ইতিমধ্যেই একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেছেন অভিনেতা।

ইষ্টি কুটুম, আঁচল, ইচ্ছে নদী, কুসুমদোলা, অন্দরমহল, শ্রীময়ী, খড়কুটো, গুড্ডি, এক্কা দোক্কা, জল থৈ থৈ ভালবাসার মতো একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। তবে এই জায়গায় আসার আগে অনেক বাধা পেরোতে হয়েছে অভিনেতাকে। বর্তমানে আমরা অভিনেতাকে দেখতে পাচ্ছি স্টার জলসার আরেকটি নতুন ধারাবাহিক চিরসখাতে অভিনয় করতে।

নিজের ধারাবাহিক আর থিয়েটার জগত নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন অভিনেতা। অভিনেতার পাশাপাশি একজন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ অভিনেতা। সত্যি কথা বলতে কখনো পিছপা হন না। অনেক সময় কড়া সত্যি কথা বলার কারনে বিদ্রুপের কারণও হয়েছেন। কটাক্ষের মুখে পড়েছেন, কিন্তু পিছিয়ে পড়েননি।

এবারে নিজের জীবনের আরও একটি অজানা ঘটনা সকলের সামনে তুলে ধরলেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সরাসরি সেই নিয়ে কথা বললেন অভিনেতা। জানালেন একসময় তাকে দিয়ে কিরকম ভয়ংকর কাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। আর তার জন্য অভিনেতাকে কোন বড় বিপদের মুখে পড়তে হয়েছিল।

অভিনেতা বলেন, ‘অন্যকে আঘাত করা মানে ক্রিমিনাল ওফেনস। যে ওফেনসটি আমাকে দিয়ে করানো হয়েছিল। যার জন্য আজকে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর অমন সুন্দর গজ দাঁতটি নেই। আর এই কাজটি করিয়েছিলেন একজন থিয়েটার এর লোক যিনি সিনেমার ডিরেক্টরও, রাজা দা। কি করে তিনি সেটা ভেবেছিলেন জানি না। এক হাতে মদের গ্লাস ধরে কাউকে রেপ করা যায় আমার জানা ছিল না।’

আরও পড়ুনঃ অকৃতজ্ঞর রুদ্রর কান্ড দেখে অবাক কমলিনী! নতুনের শেষ ইচ্ছে পূরণ করতে রুদ্রকে উচিত শিক্ষা দিল সে!

অভিনেতা আরও বলেন, মদের গ্লাস তাতে লিকার চা ঢালা, সেই চা চলকে পড়ে যাওয়া মানে পৃথিবীর অত্যন্ত স্লিপারি জায়গায় চলে যাওয়া। সেখানে বিখ্যাত সব ছবির ক্যামেরাম্যান শক্তি সেন বারবার করে বলেছিলেন রাজা একটা করো না। ঠিক হাত থেকে গ্লাসটা বেরোলো আর গ্লাসটা গিয়ে ঋতুপর্ণার ঠোঁটে গিয়ে লাগলো। তখনই আমার নামে আনন্দবাজারে বড় করে হেডলাইন বেরোলো।’

Back to top button