“সবার মুখ বন্ধ, কথা বলতে গেলে আগে একটা গোটা চটি মুখ থেকে বার করতে হবে”- বি’স্ফোরক চন্দন সেন

বাংলার অভিনয় জগতের জনপ্রিয় একজন অভিনেতা হলেন চন্দন সেন (Chandan Sen)। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অভিনয়ের জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন চন্দন সেন (Chandan Sen)। খুব অল্প বয়স থেকেই থিয়েটার, যাত্রাপালা ইত্যাদি করে এসেছেন। বিভিন্ন থিয়েটার দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে টেলিভিশনের পর্দার বিভিন্ন ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেতাকে। ইতিমধ্যেই একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেছেন অভিনেতা।

১৯৭৭ সালে বাংলা থিয়েটারে অভিনয় শুরু করেন তিনি। ১৯৯৭ সালে একজন সৃজনশীল পরিচালক এবং একজন অভিনেতা হিসাবে নাট্য আনান থিয়েটার গ্রুপে যোগ দেন। তারপর থেকে বিভিন্ন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ইষ্টি কুটুম, আঁচল, ইচ্ছে নদী, কুসুমদোলা, অন্দরমহল, শ্রীময়ী, খড়কুটো, গুড্ডি, এক্কা দোক্কা, জল থৈ থৈ ভালবাসার মতো একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন।
২০২১ সালে মানিকবাবুর মেঘ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি রাশিয়ার প্যাসিফিক মেরিডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং ইরান থেকে NORGS ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফেস্টিভালে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন। প্রায়শই নিজের অভিনয়ের জন্য খবরের শিরোনামে উঠে আসে অভিনেতার নাম।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও একাধিকবার কথা বলেছেন তিনি। আরজি কর কান্ডের জন্য পথে নেমেছিলেন সাধারণ মানুষের সাথে। তিলোত্তমার বিচার চেয়ে স্লোগান দিয়েছেন বহুবার। এখনও সেই লড়াই থামেনি। যার কারণে প্রায়শই অভিনেতাকে বিভিন্ন মিছিল, সমাবেশে দেখা গিয়ে থাকে।
আরও পড়ুনঃ ঘুরল ভাগ্যের চাকা! টলিউডকে বিদায় জানিয়ে এবার বলিউডে ‘পাগলু’!
সাক্ষাৎকারে কি বললেন অভিনেতা চন্দন সেন?
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে ধরা দিয়েছেন অভিনেতা। কিছুদিন আগেই আমাদের রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সিনেমা সিরিয়ালকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছিলেন ‘টেলিভিশনে যত সিরিয়াল দেখবেন সেখানেও একাধিক অ’পরাধমূলক দৃশ্য দেখায়। সিনেমা আরো বেশি করে বাড়ুক, এটা আমি চাই। কিন্তু টিভিতে সিরিয়ালগুলিতে ক্রা’ইমে ভর্তি থাকার কারণে আমিও দেখতে পারি না, টিভিটা বন্ধ করে দিই। এই ক্রা’ইম দেখে অনেকে সেই ক্রা’ইমগুলো অনুসরণ করে।’ সেই প্রসঙ্গে অভিনেতা চন্দন সেন জানিয়েছেন ‘এসব বাজে কথা বলে লাভ নেই। ২০১১-২০১৩ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত পরিচালক, প্রযোজকেরা কাজ করেছেন তাদের থেকে খোঁজ নিয়ে দেখুন কে তাদের এই কাজগুলো করতে বলেছেন। সবার মুখ বন্ধ, কথা বলতে গেলে আগে একটা গোটা চটি মুখ থেকে বার করতে হবে, অবশ্য তারা আর কি বলবে তাদের খুব অসহায় অবস্থা, একটা গোটা চটি তাদের মুখে আটকে রয়েছে। যার জন্য তারা কথা বলতে পারছেন না।’

