‘চটি খুলে এসে প্রণাম কর!’ অনুষ্ঠান করতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত ঘটনার সম্মুখীন বিশ্বনাথ!

টলিউডের (Tollywood Industry) জনপ্রিয় অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন বিশ্বনাথ বসু (Biswanath Basu)। ভালো অভিনেতা তো বটেই পাশাপাশি তিনি একজন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। নিজে ভালো থাকতে এবং আশেপাশের মানুষকে ভালো রাখতে তিনি ভালোবাসেন। বরাবরই হাসিখুশি প্রাণোচ্ছল মানুষ তিনি।
বিশ্বনাথ বাবু নিজের অভিনয়ের জন্য এবং নিজের আচার-আচরণ ব্যবহারের জন্য অসংখ্য মানুষের থেকে ভালোবাসা কুড়িয়েছে। তার ভক্ত সংখ্যা বাংলায় চারিদিকে ছড়িয়ে রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার একটি প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম হয় বিশ্বনাথ বাবুর। ছোটবেলা থেকেই মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় হয়ে উঠেছেন। এরপরে কয়েক বছর পর ব্যারাকপুরে চলে আসেন বাবার সাথে। তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিজের পড়াশোনা শেষ করেন। ছোট থেকেই অভিনয়ের পোকা মাথায় ঘুরতো বিশ্বনাথবাবুর। পাড়ার থিয়েটার এবং মিঠুন চক্রবর্তীর সিনেমা তাকে অভিনয় জগতে আসতে অনুপ্রাণিত করেছে।
অভিনয় জগতে আসার পর অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা, সম্মান পেয়েছেন তিনি। যখনই কোনো জায়গায় শো করতে গিয়েছেন দর্শকেরা ভালোবাসা উজাড় করে দিয়েছেন। অভিনেতাকে সবসময় আমরা হাসিখুশি প্রাণোচ্ছ্বল দেখেছি। নিজেও হাসিখুশি থাকেন এবং আশেপাশের মানুষদেরও হাসিখুশি রাখেন। সেই কারণে অভিনেতাকে খুবই ভালোবাসেন প্রত্যেকে।
অভিনেতা অভিনেত্রী হবার সূত্রে প্রত্যেককেই বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠান করতে যেতে হয়। আর সেই অনুষ্ঠানে গিয়ে ভক্তদের সাথে আলাপ হয় প্রত্যেকেরই। সেখানে এমন অনেক ভক্ত থাকে যারা অভিনেতা অভিনেত্রীদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তাদের এমন অনেক কাজকর্ম মন ছুঁয়ে যায় প্রত্যেকের। তেমনি একবার এক সাক্ষাৎকারে এসে বিভিন্ন জায়গার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন বিশ্বনাথ।
আর পড়ুনঃ জগদ্ধাত্রীর সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে দুর্গা! স্বয়ম্ভুও হার মানছে মেয়ের শক্তির কাছে! মাকে নিজের পায়ে দাঁড় করতে অসাধ্য সাধন করলো দুর্গা!
বিশ্বনাথ বলেন, ‘একবার এক জায়গায় অনুষ্ঠান করতে গিয়েছি সেখানে একটা বাচ্চা ছেলে চা দিতে এসেছিল তখন তাকে নির্দেশ দেওয়া হয় জুতো খুলে এসে আমাকে প্রণাম করার জন্য। আমি যে এত বড় সম্মান পাওয়ার যোগ্য সেটা আমি ভাবতেও পারিনি। একবার দিল্লি এয়ারপোর্টে বসে আছি তখন একজন সেখানে এসে আমাকে বললেন আপনার যে আমি কত বড় হোক সেটা তো প্রমাণ করতে হবে। আমাকে উনি মা দুর্গার একটি বই উপহার দিয়েছিলেন। কত রাতে আমরা বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠান করতে যাই সেখান থেকে এত মানুষ আমাদের ভালোবাসে সত্যি মন ছুঁয়ে যায়।’

