“আসলে কাঠি করার লোক এত যে …..!” নিজের কাজ নিয়ে অকপটে দর্শকদের সামনে স্বস্তিকা!

বাংলা ছবিতে (Bengali Cinema) দুর্গাপুজোর প্রেক্ষাপট দেখতে বেশ পছন্দ করেন ভক্তরা। আর তাতে যদি জুড়ে দেওয়া যায় বাড়ির মেয়ের ঘরের ফেরার গল্প, তাহলে সেখানে আর কোনও প্রশ্নের অবকাশ থাকে না। এই দুটি জিনিসই মিশে গিয়েছে ‘বিজয়ার পরে’ ছবিতে। এবারের ২৯তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বেঙ্গলি প্যানোরমা বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে ‘বিজয়ার পরে’। এর কৃতিত্ব অবশ্যই নবাগত পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার অভিজিৎ শ্রী দাসের। এই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন ছবির অভিনেতা অভিনেত্রীরা। তাদের থেকেই এই ছবির আরো খুঁটিনাটি বিশেষভাবে জানা গেল।

এই ছবির প্রধান চরিত্র গুলির মধ্যে অন্যতম হলেও মমতা শংকর অভিনীত অলকানন্দা চরিত্রটি। এই নিয়ে তিনি বলেন, “আমি শুনে বলেছিলাম এই চরিত্রটা আমি করতে পারব না। এটা আমার কাছে ভীষণ জটিল। এত ভালো অভিনেত্রী হয়তো আমি নই। কিন্তু অভিজিৎ ঠিক আমাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়েছে।”

Bengali Movie Update: New Movie Bijoyar Pore First Look And Shooting Clips Released | Bengali Movie Update: জোরকদমে চলছে শ্যুটিং, প্রকাশ্যে 'বিজয়ার পরে...'-র কিছু মুহূর্ত

এই ছবি সম্পর্কে দীপঙ্কর দে বলেন, “একটা গোটা পরিবারের হাসি কান্না বেদনা সবকিছুই ধরা দিয়েছে বিজয়ের পরে ছবিতে। অনেকদিন পর মমতা শঙ্করের সাথে কাজ করলাম খুব ভালো লাগলো। এই ছবিটা সত্যিই একেবারে অন্যরকম একটা মাত্রা আনতে চলেছে। দর্শকদের ভীষণ ভালো লাগবে বিশেষ করে বাঙ্গালীদের খুব ভালো লাগবে কারণ এই ছবিটা সম্পূর্ণ বাঙ্গালীদের জন্যই তৈরি।” এই ছবিতে আনন্দ অর্থাৎ অলকানন্দার স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন তিনি।

আরো পড়ুন: কৌশিকীকে আসল অপরাধীর নাম বলল জ্যাস! হাসপাতালেই আবার হামলা কৌশিকীর উপর!

এই ছবির আরো একটি প্রধান চরিত্র হলো আনন্দ এবং অলকানন্দার মেয়ে মিনু। এই মিনু চরিত্রে রয়েছেন স্বস্তিকা মুখার্জি। এই ছবি সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমার চরিত্রটা এখানে খুব ভীষণ জটিল। বেশ অন্যরকম এক অনুভূতি হয়েছিল শুটিংয়ের সময়। এই ছবিতে কাজ করার আবার অন্যতম কারণ ছিল দীপঙ্কর দের সাথে কাজ করা। মমতা শঙ্করের সাথে ছোটখাটো অনেক কাজ করলেও উনার সাথে কাজ করার সুযোগ খুব কমই হয়েছে।”

বিজয়ার পরে নিয়ে আসছেন স্বস্তিকা - Alokito Narayanganj 24

এছাড়াও কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কোন বছর দেখি একটাও হয় না আবার এই বছর দুটো ছবিই নমিন্যাশনে এসে গেছে। আসলে কাঠি করার লোক এত বেশি যে এটা কিভাবে হলো সেটাই ভেবে পাইনি। তবে বিজয়ের পরে ছবিটি সত্যি ই খুব ভালো। আশা করি সবার ভালো লাগবে।”

Back to top button