‘শুনেছি সাদামাটা জীবনযাপন করে, এদিকে..’, অরিজিতের পারিশ্রমিক শুনে চক্ষু চড়কগাছ বাবুলের! রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে কত চাইলেন?

বরাবরই নিজের গানের কারণে খবরের শিরোনামে উঠে আসে তার নাম, তাছাড়াও তার ছাপোষা জীবনযাপনের কারণেও তাকে নিয়ে সারা সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) জুড়ে চর্চা চলে। আশা করি বুঝতেই পারছেন কার কথা বলা হচ্ছে এখানে, হ্যাঁ এখানে কথা বলা হচ্ছে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং (Arijit Singh) কে নিয়ে। বরাবরই নিজেকে মিডিয়ার লাইম লাইটের থেকে দূরে রাখতেই পছন্দ করেন তিনি। নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলা খুব একটা পছন্দ করেন না। এমনকি সাক্ষাৎকারেও এইসব বিষয় এড়িয়ে চলেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কত রকমের গুজব ছড়িয়ে যায় সকলের অজান্তেই বিশেষ করে সেলিব্রেটিদের নিয়ে তো নানান রকমের গল্প রটে যায় মুহূর্তের মধ্যে।
তবে সকলের প্রিয় অরিজিৎ কে কেনো পছন্দ হলো না সকলের প্রিয় আরেক জনপ্রিয় গায়ক বাবুল সুপ্রিয়র? হিন্দিতে অনুবাদ করা হচ্ছে ৬ টি রবীন্দ্র সঙ্গীত। মুম্বইয়ের একটি খ্যাতনামা অডিও সংস্থার তরফে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বলিউডের জনপ্রিয় লিরিসিস্ট অমিতাভ ভট্টাচার্যকে এই অনুবাদের দায়িত্ব দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন এই গানগুলো কোথায়, কখন লেখা হয়েছে।
গানগুলো গাইছেন শ্রেয়া ঘোষাল, শান, মধুমন্তী বাগচী, বাবুল সুপ্রিয় নিজে। অরিজিৎ সিংয়ের এই অ্যালবামে দুটো গান গাওয়ার কথা ছিল। একটি একক এবং একটি ডুয়েট গান গাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সেই গান গাওয়ার জন্য তিনি যে পারিশ্রমিক চেয়েছেন সেটা শুনেই মাথায় হাত পড়েছে বাবু সুপ্রিয়র।
অরিজিৎ সিং এর পারিশ্রমিকের কথা শুনে বাবুল সুপ্রিয় জানিয়েছেন ‘রবীন্দ্র সঙ্গীতের ঐতিহ্যকে ধরে রাখা, বজায় রাখাটাই হল এই কাজের মূল উদ্দেশ্য। কোনও বাণিজ্যিক উদ্যোগ নয় এটা। সেখানে দেড় কোটি করে প্রতিটি গানের জন্য চাওয়ায় আমি খুবই আশ্চর্য হয়েছি। অবাক হয়েছি খুব।’ তিনি আরও বলেন ‘খুব সাদামাটা জীবন যাপন করে অরিজিৎ আমরা তো এমনটাই জানি। সেটাই দেখেছি। সেখানে অরিজিৎকে এই টাকার অঙ্কের সঙ্গে মেলাতে পারছি না।’
আরও পড়ুনঃ এত রংয়ের মাঝেও ধূসর টলিপাড়া! সব রং মুছে দিয়ে ৮৩ বছর বয়সে পৃথিবীকে বিদায় জানালেন জনপ্রিয় অভিনেতা!
এই উদ্যোগ বিষয়ে তৃণমূল নেতা তথা গায়ক বাবুল সুপ্রিয় বলেছেন, ‘ এই হিন্দি সংস্করণে সমস্ত বাঙালি গায়ক গায়িকাদের চেয়েছিলাম। গত সপ্তাহে শ্রেয়া, মধুমন্তী, শানের গানগুলো ডাব করে এসেছি। অমিতাভকে দিয়ে গানগুলো লেখানো হয়েছে। চেয়েছিলাম যাতে গানের মূলভাব না বদলায়। সেখানে অরিজিৎ যে স্কুটারে করে জঙ্গিপুর ঘোরে তাঁর রবীন্দ্র সঙ্গীত গাইতে গিয়ে কী এমন হল বুঝতে ওএডিসিসিইউ না। ওঁর জন্য যে গানগুলো ভেবেছিলাম সেগুলো ওঁকে ছাড়া ভাবতেই পারছি না।’

