“সে রাত অবধি আমায় ফোন করবে বলে অপেক্ষা করে বসে থাকে!”, প্রতি রাতে নিয়ম করে কে ফোন করে অন্বেষাকে?

টেলিভিশন জগতের (Television) জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন অন্বেষা হাজরা (Annwesha Hazra)। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। কাজল লতা, এই পথ যদি না শেষ হয়, সন্ধ্যা তারার মতো একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিককে অভিনয় করেছেন অন্বেষা। বর্তমানে তাকে দেখা যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) আরও একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক আনন্দীতে (Anondi) অভিনয় করতে।

আনন্দী ধারাবাহিকে তাকে আবারও অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জির সঙ্গে জুটি বাঁধতে দেখা গিয়েছে। অভিনয় জগতে আসার পর থেকে দর্শকদের বিপুল ভালবাসা পেয়েছে অন্বেষা। শুরুর সময় থেকে এখনো পর্যন্ত অসংখ্য দর্শক তাকে ভালোবেসে আপন করে নিয়েছে। শুধুমাত্র অভিনয়ের জন্যই নয়। অন্বেষা নিজের স্বভাব চরিত্র সবকিছুর জন্য দর্শকের ভীষণ প্রিয় একজন অভিনেত্রী।

Annwesha Hazra, Tollywood, Actress, Bengali Serial, Serial, Bengali television, television actress, অন্বেষা হাজরা, টলিউড, অভিনেত্রী, বাংলা সিরিয়াল, সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, টেলিভিশন অভিনেত্রী

কিছুদিন আগে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে তার প্রথম ছবি ৫ নং স্বপ্নময় লেন। ছবিতে অভিনয় করেও দর্শকদের থেকে সমান ভালোবাসা পেয়েছেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর অভিনয় নিয়ে কখনোই প্রশ্ন তুলতে পারেন না দর্শক। নিজের এই অভিনয়ের জন্য প্রত্যেকের কাছে দিন দিন প্রিয় পাত্রী হয়ে উঠছেন অন্বেষা।

তবে দর্শকদের এত ভালোবাসা এত আশীর্বাদ পেয়েও যেন অভিনেত্রীর জীবনে কিছু একটা কমতি আছে। সেটা সবার সামনেই স্বীকার করলেন অভিনেত্রী। অভিনেতা অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই চর্চা হয়ে থাকে সোশ্যাল মিডিয়াতে। ভক্তরা প্রত্যেক থেকেই জানতে চান তাদের প্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীর মনের মানুষকে। অভিনেত্রী অন্বেষার ক্ষেত্রেও তার ব্যাতিক্রম হয় না। অনেকেই মনে করতেন অভিনেতা ঋত্বিকের সঙ্গে হয়তো সম্পর্ক রয়েছে অন্বেষা। তবে সেই কথা যে সত্যি নয় সেটা প্রমাণ হয়ে গেছে। কিন্তু অন্বেষাও নিজের মনের মানুষের জন্য অপেক্ষা করেন। সম্প্রতি নিজেই জানিয়েছেন প্রতিদিন রাতে তিনি অপেক্ষা করে থাকেন একটা ফোনের জন্য।

annwesha hazra

আরও পড়ুনঃ প্রাণ সং’শয় ঈশিতার! ঈশিতাকে রক্ষা করতে ফুলকির নতুন লড়াই! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

অন্বেষা বলেন “সপ্তাহে ওই একটা দিন একটা ফোনের জন্য অপেক্ষা করে থাকি, কারণ ঐ একটা দিনই কথা বলার অনুমতি ছিল আমাদের। আমিও এখন কাজের সূত্রে কলকাতাতে থাকি। দূরত্বটা কিছুই না মনের টান থাকলে এসব বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।” আসলে অভিনেত্রী নিজের বাবার ফোনের অপেক্ষায় থাকেন। তারজন্যই এই কথাগুলো বলেছেন।

Back to top button