‘চাই না তোমাকে…শব্দগুলো আজও মনে বাজে!’ প্রথম প্রেমের স্মৃতি আজও তাজা! হঠাৎ ছেড়ে চলে যায় বয়সে বড় প্রেমিকা! সম্পর্ক ভাঙার য’ন্ত্রণা নিয়েই কি আজও অবিবাহিত অভিনেতা? মুখ খুললেন অম্বরীশ ভট্টাচার্য!

অভিনয়ে তিনি সবসময় দর্শকদের হাসাতে জানেন, প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মন জিতে নেন সহজেই। তবে পর্দার বাইরে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের কিছু না বলা গল্প এতদিন আড়ালেই ছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা অম্বরীশ ভট্টাচার্য নিজের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। বিশেষ করে তাঁর এক পুরনো সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে, যা এখনও তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলে রেখেছে।
অভিনেতা জানিয়েছেন, তাঁর জীবনের প্রথম প্রেম ছিল এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা। যাঁর প্রেমে পড়েছিলেন তিনি বয়সে অম্বরীশের থেকে অনেকটাই বড় ছিলেন। কিন্তু সেই বয়সের ফারাক তাঁদের সম্পর্কে কোনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বরং ওই সম্পর্কের মাধ্যমেই তিনি প্রেমের আসল মানে বুঝেছিলেন। সেই মানুষটির কাছ থেকেই তিনি সাহিত্য ও সংগীতের প্রতি নতুন করে আগ্রহ পান, যা তাঁর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল।
তবে সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। অম্বরীশের কথায়, হঠাৎ করেই সবকিছু বদলে যায়। এক সময় যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় তাঁদের মধ্যে। অনেক চেষ্টা করেও যখন কোনও সাড়া পাননি, তখন একদিন হঠাৎ দেখা করতে যান তিনি। কিন্তু সেখানে গিয়ে যে অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল, তা আজও ভুলতে পারেননি অভিনেতা। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই সম্পর্ক আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
এই ঘটনার প্রভাব তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে গভীরভাবে পড়ে। যদিও তিনি সরাসরি কিছু বলেননি, তবে তাঁর কথায় বোঝা যায় এই বিচ্ছেদ তাঁকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে। হয়তো সেই কারণেই আজও তিনি একা রয়েছেন। তবে নিজের কাজ, বন্ধু এবং সহকর্মীদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তিনি জীবনের সেই শূন্যতাকে সামলে নিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ ‘মা কোনদিনও একসঙ্গে এতটা…’ মঞ্চে উঠেই হঠাৎ অজ্ঞান মা! কী ঘটেছিল সেই মুহূর্তে? জানালেন পর্দার “পারুল” ওরফে ঈশানী চট্টোপাধ্যায়!
বর্তমানে অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত অম্বরীশ। ছোটপর্দা এবং সিনেমা, দুই জায়গাতেই সমানভাবে কাজ করে চলেছেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনের কষ্টকে পেছনে ফেলে তিনি এগিয়ে চলেছেন নিজের মতো করে। তাঁর মতে, জীবনে কিছু সম্পর্ক মানুষকে বদলে দেয়, আর সেই পরিবর্তনই মানুষকে নতুন করে গড়ে তোলে।
অভিনেতা জানান, ‘হঠাৎ করেই যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে গেল। এক মাসের বিচ্ছেদ। ঠিক করলাম কোনও এক ছুটির দিনে তাঁর বাড়ি হানা দিতে হবে। দোলের দিন সকালবেলা চিনে চিনে গেলাম। একমুখ আবির মেখে দরজা খুলল। এক মাস ফোন ধরছি না মানে বুঝতে পারছো না সম্পর্কটা আমি আর রাখতে চাই না’।

