CA-র মাঝপথে রবীন্দ্র ভারতীতে অ্যাডমিশন! বাবাকে লুকিয়ে প্রথম অডিশন! শুরুটা সহজ ছিল না, আবেগপ্রবণ দীপান্বিতা!

বাংলা ধারাবাহিক জগতের বেশ পরিচিত মুখ হল দীপান্বিতা রক্ষিত (Dipanwita Rakshit)। পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় দিয়ে শুরু হয়েছিল যাত্রা। প্রথমবার দর্শক অভিনেত্রীকে স্টার জলসার (Star jalsha) ‘সাঁঝের বাতি’ ধারাবাহিকে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখতে পেয়েছিলেন। তারপর একের পর এক ধারাবাহিক ‘খুকুমণি হোম ডেলিভারি’, ‘তুঁতে’ এর মতন ধারাবাহিকে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করে সকলের মন জয় করে নিয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে তার ফ্যান ফলোয়িং সংখ্যা বর্তমানে নেহাতই কম নয়।

শুধুমাত্র অভিনয় নয়, নাচেও সমানভাবে দক্ষ অভিনেত্রী। শেষবার দীপান্বিতা কে দর্শক দেখেছিলেন সান বাংলার ‘মঙ্গলময়ী মা শীতলা’ ধারাবাহিকে। খুব বেশিদিন টিভির পর্দায় চলেনি ওই ধারাবাহিক। অল্প দিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়। বেশ কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল খুব শীঘ্রই জি বাংলার পর্দায় টেন্ট প্রোডাকশনের পক্ষ থেকে নতুন ধারাবাহিক শুরু হতে চলেছে। নায়িকা চরিত্র দেখা যাবে দীপান্বিতাকে। নায়িকা চরিত্রে যে অভিনেত্রীকে দেখা যাবে সেটা মোটামুটি কনফার্ম হয়ে গিয়েছিল।

তবে নতুন ধারাবাহিক এখনো শুরু হয়নি। সম্প্রতি গিয়েছে ফাদার্স ডে। সেই বিশেষ দিনটি সেলিব্রেট করতে দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চে উপস্থিত ছিল টেলিভিশনের পর্দার জনপ্রিয় নায়িকা এবং তাদের বাবা। সেখানে এসেছিলেন অভিনেত্রী দীপান্বিতা এবং তার বাবা দুর্গাদাস রক্ষিত। ওইদিনই অভিনয় জগতে আসার জার্নি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন অভিনেত্রী।

কল্যাণীর মেয়ে দীপান্বিতা সেখানেই নিজের পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। বাবা ছিলেন ব্যারাকপুরের এক স্কুল টিচার। দীপান্বিতা আর তার মা পরে বাবার সাথে ব্যারাকপুরে চলে আসে। সেখানেই দীপান্বিতা পড়াশুনা চলাকালীন তার বাবার কাজের সূত্রে রাঁচি চলে যেতে হয়। অভিনেত্রীও নিজের প্রাথমিক পড়াশুনা শেষ করে পরিবার নিয়ে রাঁচি চলে যায়।

আরও পড়ুনঃ ফের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! শীর্ষে থেকেও স্লট পরিবর্তন নাকি শেষ হচ্ছে ফুলকি?

অভিনেত্রীর বাবার ইচ্ছে ছিল মেয়ে কমার্স নিয়ে পড়াশুনা করে চাটার্ট অ্যাকাউন্টার হবে। কিন্তু দীপান্বিতার ছোট থেকে নাচের প্রতি ঝোঁক ছিল। এরপর মেয়ের ইচ্ছের কথা ভেবেই কলকাতায় এসে রবীন্দ্র ভারতীতে ভর্তি করান অভিনেত্রীর বাবা। সেখানেই পড়াশুনা চলাকালীন অভিনেত্রী বাড়িতে লুকিয়ে সিরিয়ালে অডিশন দেন। সেখানে সুযোগ পাওয়ার পর বাড়িতে জানান। মেয়ের ইচ্ছের কথা ভেবে বাবাও মেনে নেন।

Back to top button