“আমার জন্মের পর মা আমাকে দেখে কেঁদে ফেলেছিল, সবাই ভেবেছিল আমি অন্ধ” জীবনের গল্প শোনালেন চুমকি চৌধুরী

বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিনি চুমকি চৌধুরী (Chumki Chowdhury)। বিভিন্ন নামকরা সিনেমায় অঞ্জন চৌধুরীর কন্যা প্রধান চরিত্রে নজর কেড়েছেন। টেলিভিশন থেকে বড় পর্দা, চুমকি চৌধুরী সকলেরই প্রিয়। অভিনেত্রীর কম বয়সের রূপ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন অনেকেই। কিন্তু জন্মের পর অভিনেত্রী এমন কিছু ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন, যা মনে পড়লে আজও তাঁর চোখে জল আসে।

“আমার জন্মের পর মা আমাকে দেখে কেঁদেছিল”- চুমকি চৌধুরী

আলাদা করে চুমকি চৌধুরীকে চেনানোর দরকার পড়ে না। সবাই এক বাক্যে চেনেন অঞ্জন চৌধুরীর
কন্যাকে। তিনি কখনো ভাবেননি অভিনয় জগতে আসবেন। কিন্তু বাবার ইচ্ছে ও ভরসায় বাংলার স্বনামধন্য অভিনেত্রী হয়ে উঠেছেন তিনি। এখনো বিভিন্ন ধারাবাহিকে কাজ করে চলেছেন বর্ষিয়ান অভিনেত্রী। বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে সবার খুব কাছের ও প্রিয় মানুষ তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে একটি ঘটনা তুলে ধরেন অভিনেত্রী চুমকি। তিনি বলেন, জন্মের পর তাঁর চেহারা ভারী অদ্ভুত ছিল। রোগা, লম্বাটে শিশুটির গায়ের রং ছিল ধবধবে সাদা। জন্মের পরক্ষণে একটি চোখ বোজা ছিল অভিনেত্রীর। যা দেখে চুমকি চৌধুরীর মা জয়শ্রী চৌধুরী ভেবেছিলেন, তাঁর সন্তান বোধহয় অন্ধ হয়েই জন্মগ্রহণ করেছে!

অভিনেত্রী আরও বলেন, তাঁর ছোটপিসি যখন হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে দেখে এসেছিলেন। তিনি বাড়ি গিয়ে বলেছিলেন অঞ্জন চৌধুরীর কন্যা যেন ‘বাঁদরের বাচ্চার’ মতো দেখতে। সেই সব কথা পরে জেনেছিলেন অভিনেত্রী স্বয়ং। মায়ের কাছ থেকে শুনেছেন, একদিন হাসপাতালের নার্স এসে তাঁর মাকে বলেছিলেন, তাঁর সন্তান অন্ধ হয়ে জন্মায়নি।

আরও পড়ুন: অনিকেতের মনে জায়গা করতে এবার জোড়াবাড়িতে এসে হাজির অহনা,অপরাজিতা বরণ করে ঘরে তুলল তাকে!

আসলে মায়ের গর্ভ থেকে পৃথিবীতে আসার পর অত্যাধিক আলোয় স্বয়ংক্রিয়ভাবেই অভিনেত্রীর একটা চোখ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তার মানে এই নয়, অভিনেত্রীর চোখ দুটি ঠিক সেই রকমই ছিল। আর এই কথা শুনে অভিনেত্রীর মা বলেছিলেন, চুমকি তাঁর বাবাকে বেশি ভালোবাসে বলে মাকে এক চোখ দেখিয়েছিলেন! তবে আজ সেই সব কথা মনে পড়লে হেসে ফেলেন চুমকি চৌধুরী।

Back to top button