‘আমি ছটফট করছিলাম ওকে দেখার জন্য…’- ভাঙা মন নিয়ে বারবার প্রেমে পড়েছেন অভিনেতা! ‘প্রেমে ছ্যাকা’ থেকে দ্বিতীয় বিয়ে, সব নিয়ে অকপটে জয় ব্যানার্জি!

বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে (Tollywood) ৯০ দশকের জনপ্রিয় অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম একজন জয় ব্যানার্জি (Joy Banerjee)। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সেই সময় অঞ্জন চৌধুরীর (Anjan Chowdhury) বেশিরভাগ ছবিতেই নায়ক চরিত্রে দেখা গিয়েছিল অভিনেতাকে। নিজের দুর্ধর্ষ অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের মন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই জয় করে দিয়েছিলেন। শুধুমাত্র অভিনয় নয় নিজের সুন্দর চেহারার মাধ্যমে অনেক মহিলার হৃদয় কেড়েছিলেন জয় ব্যানার্জি। তার মুখের সুন্দর হাসি দেখেই অনেক নারী কাবু হয়েছিল।

বিদেশ সরকার পরিচালিত “অপরূপা” ছবিতে দেবশ্রী রায়ের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন। তারপর চপার, হীরক জয়ন্তীর মত একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের মনে রাতারাতি জায়গা করে নেন অভিনেতা। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির মঞ্চেও নাম লিখেছিলেন অভিনেতা। জীবনের একটা বড় সময় উপভোগ করেছিলেন রাজনীতিতে। তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতির ময়দানে নেমেছিলেন তিনি। পড়ে বিজেপির প্রার্থী হয়ে ২০১৪ সালে ভোটে দাঁড়ান। ফের ২০২১ সালে বিজেপি ছেড়ে যোগ দেন তৃণমূলে।

অভিনেতার অভিনয় জীবন রাজনীতির জীবন নিয়ে যতটা না চর্চা হয় তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তার চেয়েও বেশি চর্চা হয়। এমনিতেই অভিনেতা অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা চলতেই থাকে। তেমনি অভিনেতা জয় ব্যানার্জীর ব্যক্তিগত, বৈবাহিক জীবন নিয়ে চর্চা চলেছিল একসময়। বর্তমানে অভিনয় জগতে আর দেখা যায় না তাকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, ‘মিস ক্যালকাটা নির্বাচনের বিচারকের আসনে আমি ছিলাম। সেখানে অনন্যা প্রতিযোগী ছিল। বেশিরভাগই বুড়ো জাজ থাকে। তাঁরা সবাই সুন্দরী মেয়েদের কার্ড দিচ্ছিলেন। আমি সেখানে তরুণ। আমি ওসব কার্ড দিই না। পাত্তা দিচ্ছিলাম না মেয়েদের। আমি মেয়েদের একটু এড়িয়ে চলি, এইজন্য মেয়েরা আমার প্রতি আকর্ষিত হয় বেশি। তো অনন্যা আমায় এসে বলল, আমি আপনার একটা কার্ড পেতে পারি? আমি বললাম, আমার কোনও কার্ড নেই। এই বলে আমি বেরিয়ে গেছি। আমার সেদিন তিনটে মেয়ের সঙ্গে অ্যাপয়ন্টমেন্ট ছিল। তিনটে মেয়ের ডেটিং ক্যানসেল করে দিলাম, কিন্তু মিস ক্যালকাটা অনন্যার প্রেমে পড়লাম সত্যিসত্যি। আমি তখন অনন্যার জন্য পাগল।’

আরও পড়ুনঃ কালা জাদুর প্রভাবে থেমে গেছিল জীবন! অন্ধকারে ডুবে গেছিল কেরিয়ার! বহু বছর সিনেমা থেকে দূরে ছিলেন টলিকুইন! কিভাবে দুর্দশা থেকে মুক্তি পেলেন অভিনেত্রী?

‘তারপর অন্যনার সাথে বিয়ে হয়, তারপর আবারও ২০১৯ সালে আমি আরেকটা বিয়ে করলাম। আমার বাবা-মা তখন অসুস্থ, তাঁদের তো দেখতে হবে, যেটা টাকা দিয়ে লোক রাখলে হয় না। অঙ্কিতা কে দেখেছিলাম একটি যাত্রাপালার মঞ্চে। আমার দ্বিতীয় স্ত্রী আমার থেকে তিরিশ বছরের ছোট। ওঁর বয়স তিরিশের কোঠায়। একটি ভাল মেয়ে আসানসোলের, নাম অঙ্কিতা। আমি তাঁকে বিয়ে করি।’

Back to top button