‘একেবারে বসে গেছি, কেউ আর কাজে নিচ্ছে না…’ চোখে জল, গলায় আক্ষেপের সুর! কাজের অভাবে ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী অবন্তি দত্ত!

বিনোদন জগতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বাংলার মেগা ধারাবাহিক (Bengali Serial)। দৈনন্দিন জীবনে বিনোদনের জন্য এই ধারাবাহিক গুলির জুড়ি মেলা ভার। তাইতো সন্ধ্যে হলেই বাড়ির মা কাকিমারা টেলিভিশনের সামনে বসে পড়েন তাদের প্রিয় ধারাবাহিক ( Bengali Serial) গুলি দেখার জন্য। বর্তমানে দিনে দিনে ধারাবাহিকের সংখ্যা বাড়ছে। বিভিন্ন জনপ্রিয় চ্যানেলে একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক দেখানো হয়ে থাকে।

আমাদের বাংলা ফিল্মের নিশ্চয়তা এমন অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীর রয়েছেন যারা একসময় বড় পর্দার পাশাপাশি ছোট পর্দাতেও দাপিয়ে কাজ করেছেন যাদের অভিনয়ে দক্ষতা সত্যি বারবার মুগ্ধ করেছে দর্শককে। তবে সেই সমস্ত অভিনেতা অভিনেত্রীদের এখন অনেক সময় দেখা যায় না টিভির পর্দায় তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন অবন্তি দত্ত।

শেষবারের অভিনেত্রীকে দেখা গিয়েছিল ডায়মন দিদি জিন্দাবাদ ধারাবাহিকে। তারপর দীর্ঘ ছয় মাস অভিনেত্রীর হাতে কোন কাজ নেই। সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে সেই নিয়েই কথা বললেন অভিনেত্রী। সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, “ধারাবাহিক শেষ হওয়ার ছয় মাস কেটে দিয়েছে হাতে কোনো কাজ নেই। এমন নয় যে আমি কাজের খোঁজ করিনি বা কাজ করতে চাইছি না আমি সবসময় কাজের মধ্যেই থাকতে চাই। কিন্তু প্রোডাকশন হাউজগুলোতে ছবি পাঠানোর পরেও কোথাও গিয়ে কাজ আটকে যাচ্ছে। আমার সাথে নিজে থেকেই ওরা যোগাযোগ করছে কিন্তু তারপর আর কথা এগোচ্ছে না।”

অভিনেত্রী আরো বলেন, “বেশ কয়েক বছর তো হলো ধারাবাহিক জগতে কাজ করছি হতে পারে আমাদের পারিশ্রমিক বেশি নতুন যারা আসছে তাদের পারিশ্রমিক কম এজন্যই তারা কাজের সুযোগ পাচ্ছে। আমার থেকে বয়সে পাঁচ সাত বছরের ছোট অভিনেত্রীরাও এখন মা, শাশুড়ির চরিত্রে অভিনয় করছে। তাদের হয়তো সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ভেতরের খবরটা আমি বলতে পারব না আর সেরকম ভাবে কারো সাথে আমার যোগাযোগ যতটুকু রাখা দরকার ততটুকুই।”

আরও পড়ুনঃ তটিনীর বাড়িতে নতুন বিপদ! বাধ্য হয়ে নিজের আসল পরিচয় ফাঁ’স করলো পরশুরাম!

অভিনেত্রীর কথায়, “এখন সময় কাটানোর জন্য ফেসবুকে কবিতা আবৃত্তি করি, গান করি সেখানে দেখছি ফেসবুকের পেজটা অনেকটা গ্রো করছে। ভালো লাগছে সবাই যখন কাজের প্রশংসা করে, খোঁজ খবর নেয়। ভালো লাগে অনেকেই আমাকে এর মধ্যে জিজ্ঞাসা করেছে আমি আবার কবে ফিরব কাজে কিন্তু এটা একদমই আমার হাতে নেই। সেটা আর কাউকে বোঝাতে পারছি না।”

Back to top button