ধর্মেন্দ্রর মৃ’ত্যুর পরেই ভাঙলো লোক দেখানো সম্পর্ক! অভিনেতার দিল্লির স্মরণসভায় আমন্ত্রণ পেলেন না সানি-ববি? দুই ছেলেকে বাদ দিলেন হেমা মালিনী?

বলিউডের প্রিয় তারকা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর তাঁর অনুরাগীরা শেষবার তাঁকে দেখতে না পারার আক্ষেপ এখনো ভুলতে পারেননি। গত ২৪ নভেম্বর এই কিংবদন্তি অভিনেতা সকলকে কাঁদিয়ে বিদায় নিয়েছেন। পরে ২৭ নভেম্বর মুম্বইয়ে সানি দেওল এবং ববি দেওলের উদ্যোগে এক বিশাল স্মরণসভার আয়োজন করা হয় যেখানে বলিউডের বহু তারকা উপস্থিত ছিলেন। তবে সেদিন অনুপস্থিত ছিলেন হেমা মালিনী। পরে জানা যায়, তিনি নিজের বাড়িতেই স্বামীর উদ্দেশে গীতাপাঠ ও পুজোর আয়োজন করেছিলেন।
এরপর সামনে এসেছে আরেকটি তথ্য। ধর্মেন্দ্রর স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানাতে এবার দিল্লিতে পৃথক এক স্মরণসভার আয়োজন করছেন হেমা মালিনী। আগামী ১১ ডিসেম্বর নিউ দিল্লির জনপথে অবস্থিত ডক্টর আম্বেদকর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে বিকেল চারটা থেকে ছয়টা পর্যন্ত বসবে এই সভা। একজন সাংসদ এবং অভিনেত্রী হিসেবে হেমা সেখানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা এবং মন্ত্রীকে। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন দুই মেয়ে এষা এবং অহনা দেওল।
বলিউড সূত্র জানিয়েছে, এষার প্রাক্তন স্বামী ভারত তখতানি এবং অহনার স্বামী বৈভব বোরাও উপস্থিত থাকবেন এই অনুষ্ঠানে। যদিও এষা গত বছরই বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা করেছেন, তবুও প্রয়াত শ্বশুরের প্রতি সম্মান জানাতে ভরতের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিন্তু এখানেই নতুন জল্পনা। শোনা যাচ্ছে, এই স্মরণসভায় আমন্ত্রণ পাননি সানি এবং ববি দেওল। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু কি সত্যিই দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে দিল।
উল্লেখ্য, ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে ধর্মেন্দ্রর অস্থি বিসর্জন করেন সানি এবং ববি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁদের ছেলে করণ দেওলও। তবে সেই গুরুত্বপূর্ণ দিনে দেখা যায়নি হেমা মালিনী বা তাঁর দুই কন্যাকে। শেষকৃত্যের মতোই এ ক্ষেত্রেও গোপনীয়তা বজায় রাখতে চেয়েছিলেন দেওল পরিবারের প্রথম পক্ষ। যদিও হেমার অনুপস্থিতি নিয়ে তখনও জোর চর্চা শুরু হয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ ‘এটাই চিন্তার বিষয়…’- বছরের শেষ প্রান্তে কিসের সংকট পরম-পিয়ার জীবনে? ঠিক কী নিয়ে চিন্তিত তারকা দম্পতি?
এখন দিল্লির অনুষ্ঠানে সানি এবং ববিকে ডাকা হয়নি বলে গুজব ছড়াতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ধর্মেন্দ্রর প্রস্থান কি পরিবারের দুই দিকের সম্পর্ককে আরও দূরে সরিয়ে দিচ্ছে, নাকি এ শুধু সময়ের সঙ্গে গড়ে ওঠা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত—তা নিয়েই এখন বলিউডে বাড়ছে কৌতূহল।

