তিস্তাকে ফোন করতেই অবাক হয়ে গেল অনিকেত! এইবার স্যারের পরীক্ষা নিতে চলেছে স্বয়ং শ্যামলী!

বর্তমানে বেশ কষ্টকর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে নিজের দিন অতিবাহিত করছে জি বাংলার (Zee Bangla) কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী। এতদিন ভালোই ছিল সে। আস্তে আস্তে স্যারের কাছাকাছি আসছিল স্যারের বিশ্বাস অর্জন করছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই সেই সমস্ত স্বপ্ন ভেঙে দেয় অপরাজিতা। বর্তমানে ধারাবাহিকটি টিআরপি তালিকার প্রথম পাঁচে অবস্থান করছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, তিস্তাকে অপরাজিতা ভীষণ পছন্দ করে এই কথাটা বাড়ির প্রত্যেকেই জানতো। কিন্তু তাই বলে সে নিজের ছেলের সাথে বলা বাহুল্য নিজের বিবাহিত ছেলের সাথে তিস্তার বিয়ে দেওয়ার কথা তুলতে পারে বলে ভাবতে পারিনি শ্যামলী। এই ঘটনায় প্রচন্ড অবাক হয়েছে ঠাম্মিও। তবে শ্যামলী সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিছু করার আগে সে স্যারের মনের কথাটা জানবে। কারণ সে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে জোর করে কিছু পাওয়া যায় না।
কি করবে কিছুই বুঝতে পারছে না অনিকেত
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সূর্য আর অপরাজিতা দুজন মিলে চলে আসে অনিকেতের কাছে। তারা তাদের ছেলেকে বোঝানোর চেষ্টা করে, তিস্তা মেয়েটা তার জন্য একেবারে উপযুক্ত। কিন্তু শ্যামলীর সাথে অনিকেতের কিছুই মেলে না তাই সারা জীবন তার সাথে কাটানোটা কষ্টকর হয়ে উঠবে তাদের জন্য। তাদের অফিসের অনেকেই ভালো কাজ করে তাই বলে সবাইকে তারা তাদের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেনা। অনিকেতের জন্য তিস্তাই সঠিক পাত্রী। এত কথা শুনে অনিকেত বুঝতে পারে না তার ঠিক কি করা উচিত এবং কি উচিত নয়। সে শুধু ভাবতে থাকে শ্যামলীকে সে কি করে এই সমস্ত কিছু খুলে বলবে।
স্যারের কথা শুনে খুশি হয়ে গেল শ্যামলী
অন্যদিকে শ্যামলী তার মহেশ্বর এর কাছে জবাব চায়। সে চেয়েছিল তিস্তাকে চিরকালের মতন সরিয়ে দিতে, কিন্তু তার মহেশ্বর শ্যামলীকেই চিরকালের মতন সরিয়ে দিতে চাইছে? এমন সময় ফোন আসে অনিকেতের। তাকে জিজ্ঞাসা করে তার বাড়িতে অপরাজিতা গিয়েছিল কিনা। এরপর তিস্তা জিজ্ঞাসা করে অনিকেত কি চায়। এর উত্তরে অনেক কিছু না বলে ফোন রেখে দেয়। এটা দেখে শ্যামলীর মনে হয় স্যার শ্যামলীকে মন থেকে মুছে ফেলতে চায় না। এটা ভেবেই ভীষণ খুশি হয়ে যায় সে।
আরও পড়ুন: ‘ভালো কাজের গুরুত্ব বাংলা দিতে পারে’, অভিনয় জগত থেকে ব্যক্তিগত জীবন অকপটে অনেক মুহূর্ত ভাগ করে নিলেন গার্গী
শ্যামলীকে ফের অপমান করল অপরাজিতা
এরপর সকাল হতেই পাড়ার ছেলে মেয়েরা জোড়া বাড়িতে চলে আসে রবীন্দ্রজয়ন্তীর উৎসব পালন করার জন্য। কিন্তু তাদেরকে বলা হয়, এই সময় বাড়ির কারোর মন মেজাজ ভালো নেই। তাই কেউ এই অনুষ্ঠান পালন করতে রাজি নয়। উপায় না পেয়ে বাড়ি থেকে চলে যায় তারা। তখন শ্যামলী বলে এই অনুষ্ঠানটা যদি পালন করা হয় তাহলে কিঞ্জল দাদাবাবুর ভালো লাগবে। এটা শুনে বাড়ির সকলে অপরাজিতাকে বোঝানোর চেষ্টা করে। শেষমেষ অপরাজিতা বলে, এতে তার মত নেই। এবার যে যা ভালো বুঝবে সেটাই করবে।

