ব্রজধামে ছদ্মবেশের খেলা! মহাপ্রভুর ভোগ দিতে গিয়েই মহাবিপদে দিতি! রক্তিমের তীক্ষ্ণ নজর কি ধরে ফেলবে আসল সত্যিটা?

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, চারদিকের নানারকম বিপদে পড়ে দিতি আর কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিল না। অবশেষে সে সব ছেড়ে মহাপ্রভুর সামনে এসে মন দিয়ে আরতি করা শুরু করে। তার মনে একটাই আশা ঠাকুর যেন তাকে কোনো একটা ইশারা বা সংকেত দেন। দিতি আসলে তার দাদুর আসল জন্মপরিচয় জানতে চায়। তাই সে চোখের জল ফেলে মহাপ্রভুর কাছে প্রার্থনা করতে থাকে, যাতে এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার কোনো একটা রাস্তা সে খুঁজে পায়।
এদিকে পবিত্র ব্রজধামে নিজের ইচ্ছেমতো যা খুশি তাই করতে শুরু করে দিয়েছে পুলস্ত্য। আর তার আড়ালে থেকে আসল চক্রান্তটা করছে রক্তিম। রক্তিম সেখানে একটা বড় অনুষ্ঠানের সব আয়োজন করে ফেলেছে এবং পুলস্ত্যকে জানিয়েছে যে তাদের সব প্রস্তুতি শেষ। আসলে ব্রজধামের মতো একটা পবিত্র জায়গায় কলকাতা থেকে একটা নাচের দল নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছে রক্তিম, যারা সেখানে এসে হিন্দি গানে নাচবে। এই নোংরা উপায়ে সে ব্রজধামের পরিবেশ নষ্ট করতে চায়।

কিন্তু রক্তিমের এই চক্রান্তের কথা বেশিদিন চাপা থাকল না। গোরাদের বাড়ির একজন কাজের মেয়ে লুকিয়ে রক্তিমদের এই সব খারাপ পরিকল্পনার কথা শুনে ফেলে। সে একটুও সময় নষ্ট না করে সোজা গিয়ে অদ্বিতীয়াকে সব কথা জানিয়ে দেয়। বুদ্ধিমান অদ্বিতীয়া খবরটা শোনা মাত্রই বুঝে যায় যে, রক্তিমদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার এটাই সবচেয়ে ভালো সুযোগ। সে তখনই একটা দারুণ বুদ্ধি খাটিয়ে সবাইকে বলে—কলকাতা থেকে যে আসল নাচের দল আসার কথা, তাদের বদলে ছদ্মবেশ নিয়ে তারা নিজেরাই সেখানে ঢুকবে।
অদ্বিতীয়ার প্ল্যান অনুযায়ী, রক্তিমদের চোখে ধুলো দিয়ে ছদ্মবেশে ব্রজধামের অনুষ্ঠানে পৌঁছে যায় সবাই। চক্রান্তকারীরা বুঝতেই পারে না যে এরা আসলে কারা। এরপর তারা মঞ্চে উঠে নাচ-গান শুরু করে দেয়। রক্তিম আর তার দলের লোকেরা যখন সেই নাচ-গান দেখতে ব্যস্ত, তখন অদ্বিতীয়ার টিম তাদের পারফরম্যান্স দিয়ে সবাইকে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করতে থাকে, যাতে অন্য দিকে কারোর নজর না যায়।
আরও পড়ুনঃ সম্পত্তি হাতে আসতেই রূপ বদল দাদার! মিঠির মুখের দিকে চেয়ে সাগরের সম্পত্তি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল পল্লবী! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
এই নাচ-গানের হইচইয়ের সুযোগ নিয়ে দিতি সবার চোখ এড়িয়ে লুকিয়ে মহাপ্রভুকে ভোগ দিতে চলে যায়। সে ভেবেছিল সবাই যখন অনুষ্ঠানে ব্যস্ত, তখন কেউ তাকে লক্ষ্য করবে না। কিন্তু অনুষ্ঠান চলাকালীন চারদিকে নজর রাখতে গিয়ে রক্তিম হঠাৎ খেয়াল করে যে দিতি সেখানে নেই। নাচের আসরে দিতিকে দেখতে না পেয়েই রক্তিমের মনে মস্ত বড় একটা খটকা লাগে এবং তার সন্দেহ জাগে। দিতির এই নিখোঁজ হওয়াই এখন পুরো পরিকল্পনাটাকে একটা বড় বিপদের মুখে ফেলে দেয়।

