মদের আসরে চরম শিক্ষা! নারীর অপমানের যোগ্য জবাব দিল দিতি! শয়’তান রক্তিমের সর্বনাশ করলো অদ্বিতীয়া! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রক্তিমের ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে দিতি এক অভাবনীয় পাল্টা চাল দেয়। বিয়ের মণ্ডপেই উপস্থিত বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে সে এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি এমন এক মোড় নেয় যেখানে রক্তিম যে মণ্ডপে ইন্দুকে ফাঁসাতে চেয়েছিল, সেখানেই তার নিজের বোনের সাথে গোরার ভাইয়ের বিয়ের ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করে ফেলে দিতি। মুহূর্তের মধ্যে খেলার মোড় ঘুরে যায় এবং রক্তিম নিজের বিছানো জালে নিজেই আটকা পড়ে দিশেহারা হয়ে যায়।
দিতি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে রক্তিমকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেয় যে, ইন্দুর গায়ে যদি সামান্যতম আঁচ লাগে, তবে তার ফল ভোগ করতে হবে রক্তিমের বোনকেও। রক্তিম কিছুতেই এই বিয়ে মেনে নিতে না পেরে সকলের সামনে চিৎকার করে প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু তখনই তার বাবা দৃশ্যপটে উপস্থিত হয়ে ছেলেকে সপাটে চড় মারেন এবং নিজের ভুল স্বীকার করে ইন্দুকে বাড়ির বউ হিসেবে গ্রহণ করার কথা দেন। অপমানিত ও পরাজিত রক্তিম আসর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

এই জয়ের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, কারণ অদ্বিতীয়ার এই দুঃসাহসিক সিদ্ধান্তের রেশ গিয়ে পড়ে গোস্বামী বাড়িতে। দিতির শাশুড়ি তার কোনো পদক্ষেপেই সন্তুষ্ট হতে পারেন না, বরং বাড়িতে ফেরামাত্রই তাকে কটু কথায় বিদ্ধ করেন। এদিকে কুন্তল, যে কি না গোরার ভাইকে ব্যবহার করে গোস্বামী বাড়ির বউ হওয়ার স্বপ্ন দেখছিল, তার পরিকল্পনাও ধুলিসাৎ হয়ে যায়। বাড়ির পরিবেশ এক থমথমে উত্তেজনায় রূপ নেয়।
চরম অপমানে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে রক্তিম গোরাকে ফোন করে জঘন্য হুমকি দেয়। সে জানায় যে, প্রতিশোধ নিতে সে আজ গোরার বোনকে মদের আসরে নাচাবে। এই কুৎসিত হুমকির কথা জানতে পেরে দিতি বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে বরং ক্রোধে ফেটে পড়ে। সে প্রতিজ্ঞা করে যে, মেয়েদেরকে পণ্য বানিয়ে নাচানোর যে নোংরা শখ রক্তিমের আছে, আজ সে তার সেই শখ চিরদিনের জন্য মিটিয়ে দেবে।
আরও পড়ুন: ব্যবসায় লোকসান নাকি সাজানো ষ’ড়যন্ত্র? চোরের ওপর বাটপারি করতে তৈরি পারুল-রায়ান! দাদুর ব্যাকআপ প্ল্যান ভেস্তে দিতে রায়ানের মাস্টারস্ট্রোক! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
নাটকের চূড়ান্ত পর্যায়ে, অদ্বিতীয়া কৌশলে রক্তিমের নিজের বোনকেই সেই মদের আসরে পাঠিয়ে দেয়। মদমত্ত অবস্থায় আমোদ করতে করতে রক্তিম যখন সেই মেয়ের মাথার ঘোমটা তোলে, নিজের বোনকে সামনে দেখে তার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়। সে চিৎকার করে কৈফিয়ত চাওয়ার আগেই সেখানে বীরদর্পে প্রবেশ করে অদ্বিতীয়া ও অচিন্ত্য। তারা সগৌরবে ঘোষণা করে যে, তারাই রক্তিমকে এই উপযুক্ত শিক্ষা দিতে এখানে নিয়ে এসেছে, যা রক্তিমের দর্পকে চিরতরে চূর্ণ করে দেয়।

