শ্রীধর গোস্বামীর বংশপরিচয় নিয়ে আদালতের চরম নির্দেশ! পুলস্ত্যর ষড়যন্ত্রের মুখে কি টিকে থাকতে পারবে দিতি? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পুলস্ত্য ও রক্তিমের চরম চক্রান্তের শিকার হয়ে বড়সড় বিপদের মুখে পড়েছে গোটা গোস্বামী পরিবার। তাদের ক্রমাগত নোংরা চাল ও ষড়যন্ত্রের জেরে পরিস্থিতির এতটাই অবনতি হয়েছে যে, গোস্বামী বাড়ির প্রত্যেক সদস্য আজ নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে বাইরে বেরোতে বাধ্য হয়েছে। রক্তিম ও পুলস্ত্যর এই যৌথ ষড়যন্ত্র বাড়ির সকলকে একপ্রকার গৃহহীন করে তুলেছে।

ভিটেছাড়া করার পাশাপাশি এবার গোস্বামী পরিবারের অস্তিত্বে আঘাত হেনেছে পুলস্ত্য। সে আদালতে প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে যে, এই পরিবারের প্রধান অর্থাৎ গোরার দাদু আসলে গোস্বামী বংশের আসল সন্তানই নন। পুলস্ত্যর দাবি অনুযায়ী, গোরার দাদুর সঙ্গে এই পরিবারের কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই, বরং তিনি অতীতে কোনো এক সময় এই পরিবারে কেবল আশ্রয় নিয়েছিলেন মাত্র।

গত কয়েকদিন ধরে আদালত চত্বরে এই মিথ্যে মামলা নিয়ে ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে পুলস্ত্য। তার আসল উদ্দেশ্য হলো গোরার দাদুকে সামাজিকভাবে ও আইনিভাবে একেবারে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া। দাদুকে জালিয়াত প্রমাণ করতে পারলেই গোস্বামী বাড়ির সর্বময় কর্তা হয়ে ওঠা এবং তাদের বিপুল সম্পত্তি ও জায়গা চিরতরে দখল করা পুলস্ত্যর পক্ষে সহজ হয়ে যাবে।

এই আইনি লড়াইয়ের মাঝেই আদালত থেকে একটি কঠিন নির্দেশ জারি করা হয়েছে। মহামান্য আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, আগামী মাত্র দুদিনের মধ্যে যদি শ্রীধর গোস্বামী অর্থাৎ গোরার দাদুর আসল বংশপরিচয় এবং উপযুক্ত প্রমাণ পেশ না করা যায়, তবে গোস্বামী বাড়ির ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী মহাপ্রভুর সেবাপূজার সমস্ত দায়িত্ব আইনিভাবে পুলস্ত্য এবং তার বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ বড়লোকের অহংকারী সুপর্ণাকে ঝরঝরে ইংরেজিতে ধুয়ে দিলেন কমলা! অবাস্তব ড্রামা নয়, সমাজকে আয়না দেখাচ্ছে ‘কমলা নিবাস’! নায়িকার বলিষ্ঠ সংলাপে মুগ্ধ দর্শক!

আদালতের এই চরম সময়সীমার কথা জানতে পেরে দিতির মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে। মহাপ্রভুর সেবা হাতছাড়া হওয়া এবং দাদুর সম্মান ধুলোয় মেশার আশঙ্কায় সে এখন ঘোর বিপদে। মাত্র এই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোথা থেকে সে দাদুর বংশপরিচয়ের অকাট্য প্রমাণ খুঁজে বার করবে এই তীব্র দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপেই এখন দিন কাটছে দিতির।

Back to top button