পুলস্ত্যর পাতা ফাঁদে পড়ল দিতি! ধুম জ্ব’র নিয়ে দিতিকে হাসপাতালে ভর্তি করল গোরা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় চ্যানেল জি বাংলাতে (Zee Bangla) সম্প্রতি শুরু হওয়া ধারাবাহিক ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ (Tare Dhori Dhori Mone kori) দর্শকদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করেছে। এই ধারাবাহিকটি মূলত প্রেম, আধ্যাত্মিকতা এবং জীবনের জটিল সমীকরণকে এক ভিন্ন আঙ্গিকে তুলে ধরেছে। বাঙালি ড্রয়িংরুমে বিনোদনের এক নতুন সংজ্ঞা নিয়ে এসেছে জি বাংলার এই নতুন ধারাবাহিক।

গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রূপের বড় জা ইলেকট্রিক শক খাওয়ার পর অস্বাভাবিক দৃশ্য দেখে সন্দেহ হয় দিতির। তারপরই তার সন্দেহ পরিষ্কার হয়ে যায় যে, বাথরুমে বিদ্যুৎ সংযোগের পেছনে কুন্তলার কোনো না কোনো হাত রয়েছে। দিতি তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। দিতি সরাসরি কুন্তলাকে চেপে ধরে এবং জিজ্ঞাসা করে কেন সে এই জঘন্য কাজ করেছে। তার দেওয়া শকের কারণেই যে বাড়ির একজন মানুষ আজ মৃত্যুর মুখে, সেই সত্য দিতি কুন্তলার সামনে তুলে ধরে। কিন্তু কুন্তলা বরাবরের মতো অত্যন্ত ধূর্ততার পরিচয় দেয়। সে কিছুতেই নিজের অপরাধ স্বীকার করে না এবং উল্টো দিতির সঙ্গেই তর্কে জড়িয়ে পড়ে। কোনরকম ভাবে গোরা দিতিকে সেখান থেকে নিয়ে গিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করে। দিতি গোরাকে বারবার বোঝাতে চায় কুন্তলা আসলে নাটক করছে এই কাজটা সেই করেছে কিন্তু প্রমাণ না থাকায় কোন কিছুই প্রমাণ করতে পারে না দিতি।

নিজের কুকর্মের তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতে কুন্তলা ওই ইলেক্ট্রিক তার নিজের সোয়েটারের তলায় লুকিয়ে ফেলে। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে সে সেটি নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে আসে। শুধু তাই নয়, দিতিকে বাড়ি থেকে তাড়ানোর জন্য সে মরিয়া হয়ে পুলস্ত্যকে ফোন করে। পুলস্ত্য তাকে আশ্বস্ত করে যে, আজ সন্ধ্যাবেলাতেই মন্দিরের সামনে এক বিশেষ চমক অপেক্ষা করছে।

পরিকল্পনা মাফিক, গোরার বাড়িতে একদল সাধুর বেশে পুলস্ত্য ও তার সহযোগীরা হাজির হয়। তারা দাবি করে, এই বাড়িতে মরা মানুষ জ্যান্ত হওয়ার অলৌকিক খবর শুনে তারা ভগবানের আশীর্বাদধন্য দিতিকে দর্শন করতে এসেছে। গোরার দাদু সরল বিশ্বাসে দিতিকে তাদের সামনে নিয়ে আসেন। তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিল দিতির শরীরের রক্ত সংগ্রহ করে ডিএনএ পরীক্ষা করা। তাই প্রণাম জোগাড় করার অছিলায় পুলস্ত্য যখন দিতি মর পায়ে হাত দেয়, তখন সে অত্যন্ত গোপনে একটি ছোট সূঁচ দিদির পায়ে ফুটিয়ে দেয়। দিদি প্রথম দিকে সুড়সুড়ি লাগার ভয়ে প্রণাম করতে বাধা দিলেও শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে রাজি হয়।

আরও পড়ুনঃ ‘জীবনে একবার হলেও ওনার সঙ্গে অভিনয় করতে চাই, যেকোনো চরিত্র হলেই হবে!’ কার জন্য পাগল মোহনা মাইতি? কে অভিনেত্রীর সেই স্বপ্নের রাজকুমার?

যখনই পুলস্ত্য রক্ত সংগ্রহ করে তার পরিকল্পনা সফল করতে যাবে, ঠিক তখনই ঘটে এক অভাবনীয় ঘটনা। হঠাৎ এক প্রচণ্ড ঝড়ে চারপাশ ওলটপালট হয়ে যায়। প্রকৃতির এই আকস্মিক তাণ্ডবে পুলস্ত্য ও তার দলের যাবতীয় পরিকল্পনা ওলটপালট হয়ে যায়। তারা সফলভাবে রক্ত সংগ্রহ করতে সেখান থেকে সরতে ব্যর্থ হয়। এদিকে দিতির পা থেকে রক্ত বের হতে দেখে পরিবারের সকলে স্তম্ভিত হয়ে যান। আর সেই দিনই মাঝ রাতে ধুম জ্বর আসে দিতির। দিতির হঠাৎ জ্বর আসা দেখে গোরা এবং বাড়ির সকলেই ভয় পেয়ে যায়। গোরা সঙ্গে সঙ্গে তার ডাক্তার বন্ধুকে খবর দেয় তিনি উপদেশ দেয় দিতিকে বাড়িতে ফেলে না রেখে হাসপাতালে ভর্তি করতে। আর ঠিক তখনই ওই ডাক্তারের মাথার পেছনে বন্দুক ঠেকায় পুলস্ত্যর। তাকে লোকজন ভয় দেখিয়ে জানায় কোন হাসপাতালে কোন বেডে তাকে ভর্তি করতে হবে। আর কুন্তলা মনে মনে ভাবতে থাকে আর ফিরবে না দিতি। গোরা দিতিকে বিপদ থেকে বাঁচাতে পারে কি না দেখা যাক কি হয়।

Back to top button