শত্রুর চালাকি ধরে ফেলল ফুলকি! রাজকুমারীর জন্যই বি’ষাক্ত পায়েসের থেকে রক্ষা পেল বিরোধী দলনেত্রী!

ফুলকি (Phulki) জি বাংলার (Zee Bangla) এমন একটি ধারাবাহিক যা বরাবর নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। প্রতি সপ্তাহেই ভালো ফলাফল করছে। এমনকি ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) প্রতিদিনই একটু একটু করে দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। একটি এপিসোডও দর্শকদের নিরাশ করে না এই ধারাবাহিকের। তাইতো বাংলার মেগা গুলির মধ্যে এর জনপ্রিয়তা ব্যাপক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, ফুলকির ভয়ে প্রীতম কুমার মুখ খুলতে বাধ্য হয়। পুলিশের কাছে স্বীকার করে সেই গিয়েছিল ওই ব্যবসায়ীকে খুন করতে। এবারে এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমেই নির্দোষ প্রমাণিত হবে ফুলকি। এই খবর অভিরূপ মানে ছদ্মবেশী রুদ্রকে জানিয়ে দেয় রোহিত। রুদ্র ভাবতে থাকে এবারও ফুলকি বেঁচে গেল কিভাবে। পরের দিন নৃসিংহ দেবের মন্দিরে বড় ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করে বড় রাজা আর বড় রাণী। বড় রাজা নিজের হাতে আরতি করে নৃসিংহ দেবের। আর বড় রাণী ফুলকিকে ভগবানের সামনে প্রতিজ্ঞা করতে বলে যাতে ফুলকি আর কখনো এই ধরনের ঝুঁকি না নেয়।

কিন্তু অন্যায় দেখলে ফুলকি যে চুপ থাকতে পারে না সেটা সকলেই জানে। ফুলকি ভগবানের কাছে জানতে চাই কে তার সাথে এমন শত্রুতা করল সেটা যদি একবার ফুলকি জানতে পারত তাহলে দোষীকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে পারত। আর ঠিক তখনই সেখানে এসে হাজির হয় ছদ্দবেশী রুদ্র। এদিকে এতকিছুর পর ফুলকির মনে সন্দেহ শুরু হয় অভিরূপকে নিয়ে। ফুলকির নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার কারণে রাজবাড়িতে হৈ হুল্লোড়ের আয়োজন করা হয়। সবাই মিলে খাওয়া-দাওয়া আনন্দ মজা করে দিনটা কাটাবে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আর ঠিক সেই সময় ফুলকিকে ফোন করে বিরোধী দলনেত্রী সুনন্দা। সুনন্দা ফোন করে ফুলকিকে জানাই সে রাজমহলের প্রার্থী হিসেবে ফুলকিকে নির্বাচিত করতে চায়। কিন্তু তিনি নিজে ওই সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না কারণ তাকে টার্গেট করা হচ্ছে মেরে ফেলার জন্য। তাই তিনি ভিডিও কলের মাধ্যমে মিটিংয়ে থাকবেন। ফুলকিকে এই কথা জানানোর পরে হঠাৎ তিনি নিজের মত বদল করে। সুনন্দা জানান তিনি নিজেই রাজবাড়ীতে যাবেন এবং এ কথা যেন কেউ জানতে না পারে। ফুলকিকে বিশেষভাবে ফোন করে এই কথা জানিয়ে দিতে বলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ‘মায়ের যদি একটা বিয়ে দিতে পারতাম বা একটা সম্পর্ক গড়ে দিতে পারতাম ভালো হত!’ বাবার মৃ’ত্যুর পর মায়ের বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন অপরাজিতা!
তারপরেই সকলে যখন হৈহুল্লোড় করতে মেতে উঠেছে তখনই ফুলকির কাছে ফোন আসে, সুনন্দা দেবীর ব্যক্তিগত ম্যানেজারের। তিনি ফোন করে জানান সুনন্দা দেবী আগামীকাল রাজমহলে আসবেন কিন্তু ফুলকিদের তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। ফুলকিও কথা দেয় সুনন্দার কোন ক্ষতি হতে দেবে না ফুলকি, সে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে। এদিকে এই কথা যখন রোহিত এবং লাবণ্যকে জানায় ফুলকি তখন আড়াল থেকে সমস্ত কিছু শুনে নেয় রুদ্র। ফুলকির ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য আরও এক মোক্ষম সুযোগ চলে আসে তার কাছে। সুনন্দাকে মারার জন্য পায়েস বিষ মেশানো হয় কিন্তু সেটা আগেই ধরে ফেলে ফুলকি। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

