রাজমহলের রাজকুমারী হয়েও একি করলো নায়িকা? ফুলকির ফোনে মারাত্মক কারসাজি করল ইন্দ্র!

দিন দিন ধারাবাহিক জগতে জাঁকিয়ে বসছে ফুলকি ধারাবাহিক। প্রতিদিনের নিত্যনতুন টুইস্ট এবং টানটান উত্তেজনা পর্বের মাধ্যমে দর্শকদের নজর টিকিয়ে রাখছে। বর্তমানে গোটা গল্পটাই রাজমহলের রহস্য, ফুলকি এবং বড় রাজার জীবন নিয়ে এগিয়ে চলেছে। কবে আবার বড় রাজা তার স্মৃতিশক্তি ফিরে পাবে কবে ফুলকি ছোট রানীর মুখোশ খুলবে সেটাই দেখার অপেক্ষা। বর্তমানে এখন সেই নিয়েই চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, বড় রাজার সমস্ত অভ্যাসের কথা মনে করাতে থাকে সকলে মিলে। তারপর সবাই মিলে ছোট রাজা এবং বড় রাজার দাবা খেলার আয়োজন করে। দাবা খেলার সময় রোহিত সাহায্য করে দেয় বড় রাজাকে। কিন্তু তাও তিনি কোন কিছুই মনে করতে পারেন না। কিন্তু হঠাৎ ফুলকি যখন দাবার গুটি নিয়ে চাল দিতে যায় ঠিক তখনই বাধা দিয়ে নিজেই এগিয়ে আসেন বড় রাজা। আর পরবর্তী চাল তিনি দেন। ফুলকি দেখছে তার বাবার স্মৃতিশক্তি ধীরে ধীরে ফিরছে। এই দেখে সকলেই তো ভীষণ খুশি। এরপরে ফুলকি ছোট রাজাকে জিজ্ঞাসা করে বড় রাজা আর কি করতে ভালবাসত। তখন ছোট রাজা জানান বড় রাজা খুব ভালো মাউথ অর্গান বাজাত।

এরপরে বড় রাজার প্রিয় বাদ্যযন্ত্র এগিয়ে দেয় ছোট রাজা। একসময় এটাই তার অভ্যাস ছিল। কিন্তু বড় রাজা সেটা কিছুতেই মনে করতে পারেন না। তাই হাল ছেড়ে দেন। এরপরই ছোট রাজা নিজেই বড় রাজার সেই মাউথ অর্গান দিয়ে তাদের প্রিয় গানের সুর বাজায়। ফুলকিও বড় রাজাকে আশ্বাস দিয়ে হাতে বাদ্যযন্ত্র তুলে দেয়। বড় রাজা যদি একবার বাজানোর চেষ্টা করে তাহলেই তার সব মনে পড়বে। প্রথমত কিছুতেই রাজি হয় না বড় রাজা। বাবাকে হাজার বোঝানোর পরে যখন হার মেনে ফিরে যায় ফুলকি তখনই বড় রাজা হঠাৎ করে সেই মাউথ অর্গান হাতে নিয়ে বাজিয়ে ওঠে সে একই সুর। আর এই দৃশ্য দেখে তো ফুলকি ভীষণই খুশি হয়ে যায়। ধীরে ধীরে তার বাবার স্মৃতি যে ফিরছে সেটা বোঝা যায়।
পরের দিন ফুলকিরা সবাই মিলে ছোট রাজা এবং বড় রাজার জন্য একটি ব্যাডমিন্টন ম্যাচের আয়োজন করে। সেখানে বড় রাজা এবং ছোট রাজা দুজনেই নিজেদের মতো করে পুরনো দিনের মতো খেলতে থাকে। অন্যদিকে ইন্দ্র আড়াল থেকে ফুলকির ফোনে ট্র্যাক মেশিন লাগানোর ফন্দি আটে। সুযোগ পেলেই ফুলকির ফোনে সেই ডিভাইস সেট করে দেবে। আর তারপরে ফুলকির প্রতিটা পদক্ষেপ তারা নজরে রাখতে পারবে। কিন্তু বারবার চেষ্টা করো তখন সেই সুযোগ পায় না ইন্দ্র। আর এদিকে সেই সময় ফুলকিকে ফোন করে ফুলকির ভোম্বল দা।
আরও পড়ুনঃ বিরাট দুঃসংবাদ! ৯৭ বছর বয়সে দেহত্যাগ করলেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা!
তারা ফুলকির কোন পাত্তা না পেয়ে নিজেরাই খোঁজ খবর নিতে ফোন করে। ফুলকি তাদের কাছে অনেকবার ক্ষমা চায়। আসলে রাজমহলের এত সমস্ত ঘটনার মধ্যে ফুলকির তাদের কথা খেয়াল ছিল না। তবে ফুলকি নিজে সবাইকে নিমন্ত্রণ করে রাজমহলে আসার জন্য। কিন্তু ভোম্বল দা আবদার করে ফুলকিকে একেবারে রাজকুমারীর সাজে থাকতে হবে তবে তারা যাবে ফুলকির সাথে দেখা করতে। ফুলকি ভোম্বলদার কথা মত পরের দিন সুন্দরভাবে রাজকুমারী সেজে তাদের সামনে উপস্থিত হয়। এরপর সকলে মিলে হাসি ঠাট্টা আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে। এরপর ইন্দ্র সেই সুযোগে ফুলকির ফোনে ওই ডিভাইসটা সেট করে দেয়। এবার থেকে ফুলকিদের গতিবিধি সব থাকবে তাদের নজরে।

