মৃ’ত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলো রুদ্র! শত্রুকে শাস্তি দিতে গিয়ে নিজেই ফাঁদে পড়ল ফুলকি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় প্রতিদিন সন্ধ্যে সাড়ে সাতটায় সম্প্রসারিত হয় সকলের প্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি (Phulki)। ধারাবাহিকটি শুরুর পর থেকে তার জনপ্রিয়তা একটু একটু করে বেড়েছে। টিআরপি তালিকাতে (TRP List) প্রতিটা সপ্তাহে দুর্দান্ত ফলাফল করা ফুলকি সব সময় এক থেকে পাঁচের মধ্যে নিজেদের জায়গা দখল করে রাখে। তবে ধারাবাহিকের গল্প একজন সাধারণ ঘরের মেয়ের বক্সার হয়ে ওঠা নিয়ে শুরু হলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের মোড় অন্যদিকে ঘুরে গিয়েছে। বর্তমানে ধারাবাহিকটিতে প্রতিদিন টানটান উত্তেজনা পর্ব দেখানো হয়।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ফুলকি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার জ্ঞান হারিয়েছে। লাবণ্য ধানু মিলে ফুলকির জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করছে। আর পিয়াল নবাবগঞ্জ থেকে ডাক্তারকে নিয়ে এসেছে। ডাক্তার এসে ফুলকিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিশ্রাম নেওয়ার আদেশ দিয়ে যায়। তারপরই অংশু এসে ফুলকিকে জানায় রুদ্রর চিকিৎসা চলছে, ফুলকি এইভাবে আইন হাতে তুলে না নিতে পারতো। কারণ ছোট রাণী পুষ্পে বলে যার পরিচয় দিচ্ছে সে এই রাজমহলেই রয়েছে আর এই নিয়ে এখন অনেক জল ঘোলা হতে পারে।

Abhishek Bose

ফুলকি জানে তার কোন আফসোস নেই। কারণ সে তার স্যারের খুনির শাস্তি চেয়েছিল প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিল। এরপর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পুলিশ তাকে দেখতে যায় ডাক্তার জানিয়ে দে প্রাণে বেঁচে গেল তার জ্ঞান এখনো পেলেনি কবে কখন তার জ্ঞান ফিরবে সে বিষয়ে এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না এইজন্য পুলিশ বাধ্য হয়ে হাসপাতাল থেকে চলে যায় সরাসরি ফুলকে কে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ফুলকি জানায় সেদিন ঘটনাস সালে কি কি হয়েছিল ঠিক তার পরেই পুলিশ স্টেশনে এসে উপস্থিত হয় সুনন্দা সমাজপতি তিনি কলকাতা থেকে সরাসরি ছুটে এসেছে পুলিশের সাথে কথা বলতে।

তিনি ভুল কিছু জানান ফুল্কি একজন সম্মানীয় পদে রয়েছে তাকে ক্রীড়া মন্ত্রী বানিয়েছেন সেখানে ভুলটি যদি নিজের হাতে আইন তুলে নেয় তাহলে সাধারণ মানুষ তার উপরে ভরসা রাখবে কি করে? এতে দলের ক্ষতি হবে ফুলকির ক্ষতি হবে। জনগণের সেবা করতে গেলে শুধু নিজের কথা ভাবলে হয় না সকলের কথা ভাবতে হয় ফুলকিতে শুধু রোহিতের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার কথায় দিতে চেয়েছে এরপর ফুলকি নিজেই সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রী পথ থেকে সরে আসার। এই সরাসরি সুনন্দা দেবীকে বলে সে ইস্তফা জমা দিয়ে আসবে।

আরও পড়ুনঃ লন্ডনে স্বপ্নের চাকরি! মায়ের মুখ উজ্জ্বল করেছে অন্বেষা! মেয়েকে বড় করার একলা লড়াইয়ে বিজয়িনী স্বস্তিকা!

ফুলকির কথা শুনে সুনন্দা দেবী অবাক হয়ে যায়। কিন্তু ফুলকি নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয় আর এটাও জানিয়ে দেয় যে ফুলকি সারেন্ডার করবে রুদ্রকে খুন করার জন্য, আর নিজেই নিজের কেস লড়বে। ধানু শুধু তাকে সাহায্য করবে। ফুলকির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রথমে সকলের মনের খটকা লাগে, কিন্তু ফুলকি সব সময় যা করেছে ভেবে চিন্তে করেছে। তাই জন্য আর সেভাবে প্রশ্ন করেনি। তারপরে কোর্টে ওঠে কেস। ফুলকিকে কাঠগড়ায় তোলা হয়। ফুলকি জানায় সেদিন কি কি ঘটনা ঘটেছিল। পরপর সাক্ষী এসেও ওই দিনের ঘটনা বর্ণনা করে। ফুলকি নিজেকে এবং তার সন্তানকে বাঁচানোর জন্যই ওইদিন রুদ্রর উপর আঘাত করেছিল। ওদিকে অরণ্য হাসপাতালে গিয়ে প্রমাণ জোগাড় করে। ডাক্তার জানিয়ে দেয় রুদ্র ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে, তার জ্ঞান ফিরছে এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button