কাঁচা কাজ করে ফেলল রুদ্ররূপ! ফুলকিকে খু’নের দায়ে ফাঁসাতে গিয়ে রোহিতের হাতে ধরা পড়ে গেল রুদ্র!

জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki) ধারাবাহিকে বর্তমানে চলছে জমজমাট উত্তেজনা পর্ব। প্রতিটি পর্বই একেবারে টানটান উত্তেজনাপূর্ণ। দর্শক তো এই ধারাবাহিকের একটি পর্বও এখন আর মিস করেন না। ধারাবাহিটি এই সপ্তাহেও টিআরপিতেও (TRP Rating) বেশ ভালো ফলাফল করেছে। প্রতি সপ্তাহেই এক থেকে পাঁচের মধ্যে নিজেদের জায়গা ধরে রাখে ফুলকি। বর্তমান সময়ে জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক এটি।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, লেটার বক্সে অসংখ্য অভিযোগ জমা হয়। সেগুলি বার করে এক এক করে পড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ফুলকিরা। রোহিত এত অভিযোগ দেখে অবাক হয়ে যায়। তারপরে ফুলকি, লাবণ্য, বড় রাজকুমার সকলে মিলেই এক এক করে সেই চিঠিগুলো নিয়ে পড়তে থাকে জনগণের অভিযোগগুলো। কেউ লিখেছে তাদের উপার্জন কম, কেউ লিখেছে রাস্তাঘাট খারাপ, স্কুলের বাচ্চারা লিখেছে মিড ডে মিলের খাবার খারাপ। এরকম আরো অভিযোগ করেছে অনেকে তখনই লাবণ্য ফুলকিকে বলে এই এতজনের অভিযোগ যদি ফুলকি এক এক করে পূরণ করতে যায় তাহলে সে কিছুতেই পারবে না। এর জন্য লাগবে ক্ষমতা। আর সেটা একমাত্র রাজনীতিদের যোগ দিলেই ফুলকি পারবে।

Abhishek Bose

রাজনীতিতে যোগ দিলে সকল মানুষের সুবিধা অসুবিধা ফুলকি খুব সহজেই দেখতে পারবে। তখন তার হাতে ক্ষমতা থাকবে এবং মানুষকে সুযোগ সুবিধা দিতে পারবে। তারপরেই ফুলকি অনেক ভেবে রোহিতের সাথে পরামর্শ করে সুনন্দা দেবীর প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়। ফুলকি নিজেই সুনন্দা দেবীকে সেটা ফোন করে জানিয়ে দেয়। তিনিও ফুলকির এই সিদ্ধান্তে বেশ খুশি হয়। ফুলকি ঠিক করে নেয় এবার থেকে রাজমহলের সকলের দায়িত্ব নেবে সে। আর সাথে সকলকে নিয়ে পরের দিন স্কুলে মিড ডে মিলের খাবার তদারকি করতেও যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

মিড ডে মিল এ বাচ্চাদের খাবারের জন্য যে টাকা আসে সেখান থেকেই টাকা সরিয়ে নেয় স্কুলের কর্তৃপক্ষ। এদিকে ফুলকিরা বাসন-কোষন, রান্নার সামগ্রী সবকিছু নিয়ে স্কুলে উপস্থিত হয়। স্কুলের মাস্টারমশাইরা তো তাদের মিষ্টি মুখে আপ্যায়ন করে। কিন্তু ফুলকিরা জানিয়ে দেয় বাচ্চারা অভিযোগ করেছে তাদের মিড ডে মিলের খাবার খারাপ। তাই তারা নিজেই পরীক্ষা করে দেখে। সত্যি যে খাবার বাচ্চাদের দেওয়া হয় তা যেকোনো মানুষের খাওয়ার অযোগ্য। তারপর ফুলকি জানিয়ে দেয় আজকে তারা এখানেই রান্না করবে এবং সেই সমস্ত খাবার বাচ্চাদের মুখে তুলে দেবে। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ফুলকিদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে ফুলকি কোন বাধাই শোনে না।

অন্যদিকে হারিয়ে যাওয়া ওই স্কুল শিক্ষকের ছদ্মবেশে ফিরে আসে রুদ্র। আসলে ওই শিক্ষককে পাঁচ বছর আগে ছোট রাণী ষড়যন্ত্র করে বার করে দিয়েছিল। তার খুব সুনাম ছিল রাজমহল এলাকায়। তার ছদ্মবেশেই রুদ্র আবার ফিরে এলো ফুলকির ক্ষতি করতে। এমন ছদ্মবেশ নিয়ে রুদ্র এবার ফিরে এসেছে যে সকলেই তাকে ওই হারিয়ে যাওয়া পুরনো শিক্ষা ভেবে বসে। ছাত্র ছাত্রীরা ও তাদের হারিয়ে যাওয়া শিক্ষককে পেয়ে খুব খুশি। ফুলকিও ভাবে হয়তো তিনি সত্যিই খুব ভালো মানুষ। কিন্তু মুখোশের আড়ালে যে আসলে রুদ্র রয়েছে সেটা কেউ বুঝতে পারে না।

আরও পড়ুনঃ ‘বাবা চাইতেন না অভিনয় করি…’- ৫০ বছর পর অভিনয় জগতে প্রত্যাবর্তন! এবার বড় পর্দায় ভানু বন্দোপাধ্যায়ের কন্যা বাসবী ঘটক বন্দ্যোপাধ্যায়!

অন্যদিকে রাজমহল এলাকায় বড় কারখানা তৈরি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এক নামী ব্যবসায়ী। ছোট রাণী তার থেকেই টাকা নিতেন। কিন্তু ফুলকি থাকতে তো সেই কারখানা কিছুতেই হতে দেবে না, কারণ তাতে সাধারণ মানুষের ক্ষতি। তাই ফুলকি বারবার ওই ব্যবসায়ীকে সাবধান করে যায়। যাতে সেখানে কোন কারখানা না হয়, নাহলে ফুলকির এক ঘুষিতে সব শেষ। এই বলে ওই ব্যবসায়ীকে সাবধান করে বেরিয়ে যায় ফুলকি। কিন্তু ফুলকি বেরিয়ে আসার পরই ওই ব্যবসায়ীর মৃতদেহ তার অফিস থেকে উদ্ধার হয়। আর তার বডির পাশে ফুলকির হাতের কাচের চুড়ির টুকরো পাওয়া যায়। আর খুনের দায় চাপে তার উপর। কিন্তু রোহিত ঠিকই বুঝতে পারে এই খুন কে করেছে। কারণ এই বিশেষ ঘুষি একজনই চালাতে পারতো। আর রোহিত তাকে ভালোমতো চেনে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button