হঠাৎ অজানা আতঙ্কে থমকে গেল রায়ান! চলন্ত গাড়ির ধাক্কা থেকে পারুলকে বাঁচাতে প্রাণপণে ছুটল শিরিন! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সমস্ত বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে পারুল অবশেষে শিরিনকে উদ্ধার করে তার বাবা সৌমিত্র কাকুর হাতে ফিরিয়ে দেয়। নিজের মেয়ের জীবন রক্ষা করা এবং তাকে সঠিক পথে ফেরানোর পেছনে পারুলের এই নিঃস্বার্থ অবদান দেখে সৌমিত্র কাকু জলভরা চোখে তাকে আশীর্বাদ করেন। তিনি বলেন, “তোমার মতো মেয়ে যেন প্রতিটি বাবার ঘরে জন্মায়।” এই একটি কথাতেই পারুলের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ ঘটে।

গায়েত্রী, পারুল এবং বসু পরিবারের সব সদস্যের যত্ন ও ভালোবাসায় শিরিন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, মোল্লারের সহায়তায় টগরও নিজের পায়ে দাঁড়াতে শুরু করে। সুস্থ হওয়ার পর শিরিন তার অতীতের ভুল বুঝতে পেরে টগরের পা ধরে ক্ষমা চায়, আর টগরও নিজের ভুল মেনে নিয়ে তাকে ক্ষমা করে দেয়। এরপর পারুল ও রায়ানের কাছেও শিরিন তার আগের সব আচরণের জন্য অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চেয়ে নেয়।

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে আসে সেই শুভ মুহূর্ত। যে শিরিন একসময় রায়ানকে পাওয়ার জন্য পারুলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমেছিল, সব দ্বিধা কাটিয়ে সে নিজেই আজ পারুল ও রায়ানকে এক করে দেয়। সে নিজ হাতে পারুলের হাত রায়ানের হাতে তুলে দেয় এবং রায়ানকে পারুলের কাছে ভালোবাসা প্রকাশ করতে উৎসাহিত করে। এতদিন ধরে যাদের সম্পর্ক নিয়ে এত ঝড় বয়ে গেছে, শেষ পর্যন্ত শিরিনই তাদের ভালোবাসাকে পরিণতি দেওয়ার মূল মাধ্যম হয়ে ওঠে।

আগামী পর্বে দেখা যাবে বসু পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে আনন্দ উদযাপন করছে। তেমনই এক আনন্দঘন মুহূর্তে পারুল রায়ানের পায়ে সুড়সুড়ি দিয়ে মজা করতে থাকে। ঠিক তখনই রায়ান একটি বড় বিজ্ঞাপন বিলবোর্ডের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। পারুল খেয়াল করে দেখে, সেখানে ‘প্রিয়ম্বদা ভৌমিক’ নামের এক ব্যক্তির কলেজ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞাপন রয়েছে। এটি দেখে পারুলের মনে প্রশ্ন জাগে রায়ান কেন ওই বোর্ড দেখে এত চমকে গেল এবং এই প্রিয়ম্বদা ভৌমিক আসলে কে? সে কি তবে সেই পাঁচজনেরই একজন?

আরও পড়ুনঃ অবশেষে এল সেই প্রতীক্ষিত মুহূর্ত! আদিত্যের কাছে প্রেমের স্বীকারোক্তি পল্লবীর! দূরত্ব ঘুচে এক সুতোয় বাঁধা পড়ল দুজনে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

তারপর দেখা যায়, পারুল রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছে। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি গাড়ি দ্রুত গতিতে এসে পারুলকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি দূর থেকে দেখতে পেয়েই শিরিন পারুল বলে চিৎকার করে ওঠে এবং তাকে বাঁচানোর জন্য ছুটে যায়। এখন আগামী পর্বে শিরিন কি পারবে পারুলকে এই নতুন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে, তা-ই দেখার।

Back to top button