রায়ানের হাত থেকে নিজের সিঁথিতে সিঁদুর পরার প্ল্যান করলো শিরিন! শিরিঙ্গের ফন্দিতে জল ঢেলে দিল পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বর্তমান সময়ে দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে একটি হল পরিণীতা (Parineeta)। জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত এই ধারাবাহিক দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে প্রথম দিন থেকেই। তাইতো টিআরপি তালিকাতেও (TRP List) প্রতি সপ্তাহে দারুন ফলাফল করে ধারাবাহিকটি। প্রতিদিন রাত আটটায় জি বাংলার পর্দায় এই ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হয়। রায়ান পারুলের জীবনের গল্প নিয়েই এগোচ্ছে ধারাবাহিকের পর্ব।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, নবমী পূজার ধুমধাম আয়োজন করে পারুল। ভোগ রান্না থেকে শুরু করে সব কিছুর খেয়াল রাখে। নিজে মায়ের জন্য অন্ন ভোগ রান্নার ব্যবস্থা করে। নিয়ম অনুযায়ী মায়ের পূজোর ভোগ যতক্ষণ না রান্না হবে ততক্ষণ সেই উনুন নেভানো যাবে না। কিন্তু পারুলকে বিপদে ফেলার জন্য টগর আবারো শয়তানি বুদ্ধি আঁটে। সকলের চোখের আড়ালে ঠিক কখন এসে রান্নার উনুনের আগুন নিভিয়ে দেয়। পারুল যখন সেই ভোগ নিবেদন করার জন্য নিতে আসে তখন এসে দেখে সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে, পারুল আসতে দেরি করছে দেখে রান এবং মোল্লারে ছুটে যায় পারুলকে দেখতে।

রায়ান মোল্লা সেখানে পৌঁছালে পারুল সবটা জানাই তাদের প্রথমে তো মোল্লার বলে কেউ দেখার আগেই পারুল আবার যেন উনুন জ্বালিয়ে নেয় তাহলে নাহলে এছাড়া কোনো উপায় নেই হাতে সময় খুব কম আছে রায়হান পারুল দুজনেই আসতে দেরি করছে দেখে দাদু আবার মোলের মাকে পাঠায় তাদের ডেকে আনার জন্য মোলের মা গিয়ে তো দেখে সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে কি করবে কিছুই বুঝতে পারে না কেউ পেছন পেছন টগর এবং শিরি নাকি উপস্থিত হয়। এরপর পারুল উনুনে খুঁজতে থাকে যদি কোনো জ্বলন্ত কাঠ পাওয়া যায় কিনা।
তারপর অনেক খুঁজে পারুল একটা ছোট জ্বলন্ত কাঠ খুঁজে পায়। আর পারুল যে অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলে সেটা ভেবেই শিরিন ভয় পেয়ে থাকে। তারপর ঠিক ভগবানের আশীর্বাদে পারুল উনুন জ্বালিয়ে ফেলে। এদিকে প্রথমে তো সকলে শিরিনকে সন্দেহ করছিল। কিন্তু তখন টগর নিজেই স্বীকার করে সে এই কাজ করেছে। আর সকলের সামনে টগরকে কষিয়ে থাপ্পর মারে তার শাশুড়ি।
আরও পড়ুনঃ দশমীতেই অসুর বধ করলো ফুলকি! পূর্ণ হলো না রুদ্রর মনোবাঞ্ছা! ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!
আসলে টগর ভেবেছিল তার শাশুড়ি পারুলকে বিপদে ফেলার জন্য তার পাশে থাকবে। পারুলের প্রশংসা করবে এই কাজের জন্য। কিন্তু বুঝতে পারেনি তার শাশুড়ি এভাবে তাকে সকলের সামনে থাপ্পড় মারবে। তারপর পারুলও সাবধান করে দেয় টগরকে বাড়াবাড়ি না করতে। তাহলে এবার সকলেই তাকে থাপ্পড় মারবে। এরপর ভোগ নিবেদন করে পুজো সম্পন্ন হয় ধুনুচি নাচ হয়। এরপর পরের দিন দশমীতে আবারো শিরিন শয়তানি শুরু করে। রায়ানের হাত থেকে জোর করে সিঁদুর পরতে গেলে পারুল বাধা দেয় আর সাবধান করে বলে যদি শিরিন রায়ান এবং পারুলের মাঝে আসে তাহলে সেই রুদ্ররূপ ধারণ করবে।

