সংযুক্তার পর্দাফাঁ’স! পুলিশের ভরসা ছেড়ে নিজেই আসরে পারুল! টার্গেট এবার লন্ডনের ইয়র্কশায়ার! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বসু বাড়িতে যখন সবাই উৎসবের আনন্দে মেতে আছে, ঠিক তখনই বাড়ির বাইরে ঘনিয়ে আসছে বড় বিপদ। পরিবারের পুরনো শত্রু সংযুক্তা ঠিক করেছে এই রঙের উৎসবকে সে এক রক্তারক্তি কাণ্ডে বদলে দেবে। পুরনো রাগের বদলা নিতে সে একদল গুন্ডা পাঠায় বসু বাড়িতে। উৎসবের আনন্দকে বিষাদে ভরিয়ে দেওয়াই ছিল তার মূল পরিকল্পনা, যা বসু পরিবারের জন্য এক কঠিন সময় নিয়ে আসে।
এদিকে দাদু যে শরবতে ‘সত্য বচন’ মেশাতে বলেছিলেন, সেই কথাটি আড়াল থেকে শুনে ফেলে রায়ান। সে জানত এই শরবত খেলে নিজেকে সামলানো খুব কঠিন হয়ে পড়বে। রায়ান অনেক চেষ্টা করেও নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছিল না। ওই বিশেষ পানীয়ের প্রভাবে সে এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে পড়ে যায়, যেখান থেকে নিজেকে কন্ট্রোল করা তার পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

বাড়ির এই গোলমালের মধ্যেই পারুল প্রায় কাঁদতে কাঁদতে রায়ানকে তার মনের জমানো সব কথা বলতে শুরু করে। সে অভিমান করে বলে, “তুই কেন আমায় এতো কষ্ট দিস? তুই অন্য কারোর দিকে তাকালে আমার খুব কষ্ট হয়।” পারুল কাতর হয়ে জানতে চায় রায়ান আসলে কাকে ভালোবাসে। রায়ান যেই তার ভালোবাসার মানুষের নাম নিতে যাবে, ঠিক তখনই চারপাশ গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে। ভয়ে সবাই চিৎকার শুরু করে আর রায়ানের মনের কথাটি এবারও অজানাই থেকে যায়।
গুলি চলা শুরু হতেই রায়ান দ্রুত পারুলকে বাঁচিয়ে নেয়। এরপর তারা দুজনে মিলে বুদ্ধি খাটিয়ে ওই দুই গুন্ডাকে পাকড়াও করে এবং মারধর করে ভালো করে বেঁধে ফেলে। দাদুর বুদ্ধিতে ওই গুন্ডাদের জোর করে ‘সত্য বচন’ খাইয়ে দেওয়া হয়। নেশার ঘোরে তারা কবুল করে যে, সংযুক্তাই তাদের পাঠিয়েছিল এই সর্বনাশ ঘটাতে। এই জঘন্য ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরে পারুল ও রায়ান দুজনেই অবাক হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ বালিকা বধূ থেকে লড়াকু মা, সন্তান হারানোর ক্ষত বুকে চেপে আজও অম্লান সেই চেনা হাসি! জানেন কোন প্রশ্ন দিয়ে শুরু হয়েছিল এই যাত্রা? জেনে নিন মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়ের অজানা অধ্যায়!
পারুল রায়ানকে মনে করিয়ে দেয় যে তারা আগেই জেনেছে সংযুক্তা এখন লন্ডনের ইয়র্কশায়ারে লুকিয়ে আছে। রায়ান সাথে সাথে পুলিশকে ফোন করে তাকে গ্রেফতার করতে বলে। কিন্তু পুলিশ জানায় যে, সে বিদেশের ভিসায় থাকায় তাকে ধরা সহজ হবে না। পুলিশের ওপর ভরসা হারিয়ে জেদি পারুল ঠিক করে সে নিজেই ইংল্যান্ডে যাবে সংযুক্তাকে ধরতে। এখন প্রশ্ন হলো, পারুল কি একাই লন্ডনে যাবে নাকি রায়ানও তার সাথে যাবে?

