পারুল রায়ানের প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়ালো দাদু! তবে কি নিজের হাতে গড়া সম্পর্ক নিজেই ভেঙে দেবেন তিনি?

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী এসে জানিয়ে দেয় অবিলম্বে দুজন গুন্ডাকে গ্রেফতার করা হবে এবং যারা যারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিল তাদের সবাইকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে। আর যে লোকাল থানার পুলিশ কমপ্লেন নেয়নি তাকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। এসবের পর পারুলদের লড়াই যেন সার্থক হলো। তারপর শিক্ষামন্ত্রী নিজেই দু গ্লাস জল রায়ান পারুলের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে অনশন ভাঙতে। কারণ তারাই ছিল এই আন্দোলনের প্রধান মুখ। এরপরে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে সবাই। রায়ান পারুল শিরিন এবং মধুরিমাকেও এই আন্দোলনে উৎসবে নিয়ে আসে।

এরপর রায়ান উৎসবের মাঝেই পারুলকে তার মনের কথা জানিয়ে দেয়। পারুলকে বলে সে পারুলকে ভালোবাসে। পারুল প্রথমে নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারে না। ভাবে হয়তো রায়ানকে কেউ ভুলভাল কিছু খাইয়ে দিয়েছে নয়তো রায়ান প্রাঙ্ক করছে। কিন্তু রায়ান পারুলকে জানায় সে সত্যি সত্যি পারুলের জন্য কিছু অনুভব করছে। আর অনুভূতি তার আগে কখনও হয়নি। পারুল তো বিশ্বাসই করতে পারে না ভগবান তার সাথে এত ভালো কিছু এত সহজে করতে পারে সেটা বিশ্বাসই হয়না।
আরও পড়ুনঃ ছোট রানীর ফাঁদে ফুলকি! বড় রানীকে কিডন্যাপ করার মিথ্যে অভিযোগে গ্রেপ্তার হলো রোহিত! ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব
তারপর পারুল রায়ানকে সময় দেয় কিছুদিন ভাবার জন্য। রায়ান যেন তাকে ভেবে উত্তর দেয়। কারণ পারুল সিচুয়েশনসিপে বিশ্বাসী নয় তার কাছে ভালোবাসা মানে ভালোবাসা। এদিকে রায়ান পারুলকে একসাথে কাছাকাছি দেখে নেয় শিরিন। শিরিনের সন্দেহ শুরু হয়। তারপর রায়ান পারুলকে নিয়ে বাইকে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। এদিকে রায়ান তো মনে মনে পারুলকে নিয়েই ভাবছে, আর পারুলও তাই।
এদিকে বাড়িতে ঢুকে দাদুর মুখোমুখি হয় রায়ান পারুল। প্রথম থেকেই এই বিষয়ে একেবারেই তাদের সাথে ছিল না। তিনি তো দক্ষ যজ্ঞ বাঁধিয়ে দেন। সবকিছু লন্ডভন্ড করতে থাকেন। তিনি হঠাৎ করে যে এত রেগে যাবেন সেটা কেউই কল্পনা করতে পারেনি। তার কথা অমান্য করে রায়ান পারুলরা এই আন্দোলন করেছেন সেটা তিনি কিছুতেই সহ্য করতে পারে না। তারমধ্যে আগুনে ঘি ঢালার কাজ করছে রায়ানের মা। তিনি তো পারুলের দোষ ধরতে পারলেই বেঁচে যান। কিন্তু দাদুর চোখে চোখ রেখে রায়ান পারুল জানান তারা যা করেছে সেই জন্য তারা গর্বিত। আর ভবিষ্যতেও এরকম অন্যায় দেখলে তারা প্রতিবাদ করবে। আর দাদুও জানিয়ে দেয় যে এরপর যে তার কথা অমান্য করবে তাকে তিনি বাড়ি থেকেই তাড়িয়ে দেবেন। এদিকে পারুল রাকা, বৌদি সবাইকে জানায় যে রায়ান তাকে মনের কথা বলেছে ঠিকই কিন্তু রায়ানের কথায় কোনো বিশ্বাস নেই, তাই রায়ান যদি ১ দিন পর ফিরে আসে তাহলেই সে তার মনের কথা বলবে। অন্যদিকে রায়ান প্ল্যান করে নেয় কিভাবে পারুলকে প্রপোজ করবে। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

