পারুলের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ল গোটা বসু পরিবার! পারুলকে নির্দোষ প্রমাণ করতে ফের ছদ্ম বেশে নায়ক! কি করতে চলেছে রায়ান? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

পারুলের মাথা উঁচু করে বাঁচার গল্প নিয়ে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে পরিণীতা (Parineeta)। দর্শকমহলে এই ধারাবাহিকের (Bengali Serial) জনপ্রিয়তা অনেক। তার প্রমাণ পাওয়া যায় টিআরপি তালিকায় বারবার। নিজের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে পরিণীতা। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা আরো বাড়ছে। বর্তমানে তো ধারাবাহিকে টানটান উত্তেজনা পর্ব চলছে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুলকে বিপদে ফেলতে তারজন্য তামিল ভাষায় একটা চিঠি লিখে রাত তিনটের সময় দেখা করতে বলে দুষ্কৃতীরা। তারা পারুলের মায়ের খোঁজ জানে। পারুল তো এই ফাঁদে পড়ে রাত তিনটের সময় বেরিয়ে পড়ে বাড়ি থেকে। রায়ানকে জানাতে গেলে রায়ানের মা বাধা দেয় তাই রায়ানকে জানানো হয় না। আর ওই জায়গায় গিয়েই তো মহাবিপদে পড়ে পারুল। পুলিশ জায়গাটা ঘিরে ধরে, পারুলকে দেশদ্রোহী অপবাদে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়।
ওদিকে পারুল যে বাড়িতে ছিল না সে খবর কারোরই জানা ছিল না। পরের দিন সকালবেলা খবরের কাগজে দেশদ্রোহীদের সাথে পারুলের ছবি দেখে অবাক হয়ে যায় সকলে। রায়ানের মা এখনো অপমান করতে ছাড়ে না। এরপর রায়ান নিজের ফোন খুলে দেখে পারুল তাকে রাতের বেলা মেসেজ করে জানিয়েছিল যে সে বেরোচ্ছে। সে দেখা করতেও এসেছিল কিন্তু রায়ানের মা দেয়নি। তাই রায়ান মায়ের উপর বিশাল ক্ষেপে ওঠে চিৎকার করতে থাকে মায়ের সাথে।
তারপরে কোন ভাবনা চিন্তা না করে রায়ান মল্লার বাবা এবং কাকা মিলে ছুটে যায় থানায় পারুলের সাথে দেখা করতে। পারুলকে তো পুলিশ দেশদ্রোহী ভেবেই নিয়েছে। পারুলের বিরুদ্ধে এই গোটা ষড়যন্ত্র কে করেছে কিছুই বুঝতে পারছে না রায়ান। রায়ান থানায় গিয়ে পারুলের সাথে দেখা করতে চাইলে পুলিশ দেখা করতে দেয় না। এই কেসের কোন সমাধান হবে না জানিয়ে দেয় তারা। পারুলের গায়ে দেশদ্রোহীতার অপবাদ লেগেছে তাই পারুলকে তারা কিছুতেই ছাড়বে না।
আরও পড়ুনঃ হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ফের এগিয়ে জি! সিংহাসন ছাড়তে নারাজ পরিণীতা! বেঙ্গল টপারের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে জলসা! দেখুন এই সপ্তাহের টিআরপি তালিকা!
পুলিশ জানাই পারুল সাউথ ইন্ডিয়া গিয়ে আয়াপ্যানের দলের সাথে হাত মিলিয়েছে এবং সেখানকার এক পুলিশ অফিসারকে মারার প্ল্যান করেছে। তাই তাকে শাস্তি পেতেই হবে। অনেক অনুরোধ করার পর পারুলের সাথে পাঁচ মিনিটের জন্য দেখা করতে দেয়া হয় রায়ানকে। পারুল রায়ানকে জানায় আগের দিন রাতে তার সাথে কি কি হয়েছে। কিভাবে সে এখানে এসে পড়েছে। পারুল বুঝতে পারে এটা একটা ষড়যন্ত্র কেউ ইচ্ছে করে পারুলকে বিপদে ফেলেছে। আসলে এই গোটা ঘটনার পেছনে রয়েছে শিরিনের মা। শিরিনের মা সমস্ত প্ল্যান করে পারুলকে ইচ্ছে করে ফাঁদে ফেলেছে। কিন্তু রায়ান পারুলকে কথা দেয় সে ঠিক পারুলকে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে, তাকে নির্দোষ প্রমাণ করবে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

