মায়ের সম্মান বাঁচাতে ৩ দিনের সময় চাইল পারুল! শয়তানদের ষ’ড়যন্ত্র ফাঁ’স করতে কোন নতুন মিশনে নামছে সে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মায়ের এই করুণ পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি পারুল। সে স্পষ্ট বুঝে গেছে যে গায়ত্রীর সঙ্গে যা ঘটেছে, সেটা শুধুই কোনো সাধারণ আইনি বিচার নয়; এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে খলনায়িকাদের এক মস্ত বড় এবং গভীর ষড়যন্ত্র। আর সেই কারণেই এবার আর চুপ করে বসে থাকার পাত্রী সে নয়। সমস্ত বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আসল সত্যিটা সবার সামনে আনতে এবং পর্দার পেছনের অপরাধীদের মুখোশ টেনে খুলতে এবার এক নতুন ও কঠিন মিশনে নামছে পারুল।
আইনি লড়াইয়ের ময়দানে পারুলের মায়ের বিরুদ্ধে যে রায় দেওয়া হলো, তা দেখে সত্যিই অবাক হতে হয়। এত বড় এবং সংবেদনশীল একটা মামলা, অথচ সেখানে ঠিকমতো কোনো শুনানিই হলো না! কোনো জোরালো প্রমাণ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে সাজা ঘোষণা করে দেওয়া হলো। আদালতের এই একতরফা সিদ্ধান্ত ও পুরো বিচার প্রক্রিয়াটি সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে সবার কাছেই অত্যন্ত অসম্পূর্ণ এবং রহস্যজনক বলে মনে হয়েছে।
গল্পের জল যে অনেক দূর গড়িয়েছে, তা গায়ত্রীর অতীতের দিকে তাকালেই স্পষ্ট হয়ে যায়। জানা গেছে, পারুলের মা গায়ত্রীর সঙ্গে তার বহু বছরের পুরনো এক শত্রুতা রয়েছে। একসময় দক্ষিণ ভারতে কাজ করার সূত্রে আয়াপ্পানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল, আর সেই অতীত ঘটনার পর থেকেই নাকি গায়ত্রীর ওপর তার পুঞ্জীভূত রাগ ও ক্ষোভের জন্ম। সেই পুরনো শত্রুতার জের টেনেই যে আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, তা বুঝতে আর বাকি থাকে না।
এদিকে গল্পের ট্র্যাকে যুক্ত হয়েছে এক নতুন নাটকীয় মোড়। যাকে এতদিন কাহিনীর সবথেকে বড় অপরাধী এবং খলচরিত্র হিসেবে দেখানো হয়েছে, সেই সংযুক্তাই এখন যেন একেবারে ভোলবদল করে ফেলেছে। সমস্ত অপরাধের দাগ মুছে সে এখন নতুন করে হোটেলের ব্যবসা শুরু করার কথা বলছে। সংযুক্তার এই হঠাৎ ভোলবদল এবং নতুন ব্যবসার পরিকল্পনা কি শুধুই লোকদেখানো, নাকি এর পেছনেও লুকিয়ে আছে অন্য কোনো গোপন চাল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতুহল।
আরও পড়ুনঃ শয়তানদের হাত থেকে ঝিনুককে রক্ষা করতে গিয়ে ভয়ংকর পরিণতি! ছু’রির আঘাতে ক্ষ’তবিক্ষত সম্রাট! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!
আগামী পর্বে গল্পের উত্তেজনা পৌঁছাবে এক চরম শিখরে। ভরা আদালতে দাঁড়িয়ে পারুল স্পষ্ট জানিয়ে দেবে যে তার মা কোনো রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করেনি, তাকে সম্পূর্ণ মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। নিজের মায়ের নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য আদালতের কাছে মাত্র তিন দিনের সময় চেয়ে নেবে পারুল, এবং আদালতও সেই আর্জি মঞ্জুর করবে। আদালত থেকে বেরিয়েই পারুল রায়ানকে লক্ষ্য করে তার চূড়ান্ত বার্তা দিয়ে বলবে, “যা করার, আমাদের এই তিন দিনের মধ্যেই করতে হবে।” এখন দেখার, এই অগ্নিপরীক্ষায় পারুল শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারে কি না।

