বি’ষাক্ত দুধের গ্লাসেই সব শেষ? মরণ ফাঁদে পারুল! রায়ান কি পারবে নিজের আসন্ন সন্তানকে বাঁচাতে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, হঠাৎ করেই টগর এসে পারুল আর দাদুর সামনে হাতজোড় করে দাঁড়াবে। সে নিজের চরম অসহায় অবস্থার কথা জানিয়ে এই বাড়িতে থাকার জন্য আকুতি-মিনতি করতে শুরু করবে। টগরের মুখের এই করুণ দশা আর কান্নাকাটি দেখে বাড়ির বাকি সদস্যরা কিছুটা নরম হলেও, পারুলের মন কিন্তু এত সহজে গলছে না। তার মনে খটকা তৈরি হয়। টগরের এই হঠাৎ বদলে যাওয়া এবং এই বাড়িতে থাকার জেদ পারুল কোনোভাবেই সহজভাবে মেনে নিতে পারছে না।
পারুল মোটেও চুপ করে থাকার মেয়ে নয়। সে সোজা টগরের মুখের ওপর স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, সে নিশ্চিত এর পেছনে কোনো বড় ষড়যন্ত্র আছে। শিরিনই কোনো গোপন মতলব বা উদ্দেশ্য নিয়ে টগরকে এই বাড়িতে পাঠিয়েছে। যদিও টগর হাতজোড় করে পারুলের এই সমস্ত অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে। সে নিজেকে একেবারে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাতে থাকে, কিন্তু পারুলের মনের সন্দেহ তাতে দূর হয় না।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং পারুলের সুরক্ষার কথা ভেবে এবার আসরে নামবে রায়ান। সে টগরকে আড়ালে ডেকে একদম কড়া ভাষায় সতর্ক করে দেবে। রায়ান পরিষ্কার জানিয়ে দেয় যে, এই বাড়িতে থাকতে হলে তাকে সাবধানে থাকতে হবে। যদি পারুলের কোনো ক্ষতি হয় বা তার কোনো রকম অসুবিধা করার চেষ্টা করা হয়, তবে রায়ান কিন্তু সেটা মোটেও হালকাভাবে নেবে না এবং তার পরিণাম খুব খারাপ হবে।
টগর মুখে যতই নির্দোষ সাজুক না কেন, গল্পের আসল মোড় ঘুরবে একটু পরেই। আড়ালে যেতেই দেখা যাবে যে পারুলের সন্দেহই একশো ভাগ সত্যি! টগর আসলে গোপনে শিরিনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। ফোনে শিরিন তাকে নির্দেশ দেয়, পারুল সারাদিন কখন কোথায় যাচ্ছে, কী করছে আর কার কার সাথে দেখা করছে—সব খবর যেন অক্ষরে অক্ষরে শিরিনকে জানানো হয়। অর্থাৎ, এই বাড়িতে গুপ্তচরবৃত্তি করতেই টগর এসেছে।
আরও পড়ুনঃ ব্রজধামে ছদ্মবেশের খেলা! মহাপ্রভুর ভোগ দিতে গিয়েই মহাবিপদে দিতি! রক্তিমের তীক্ষ্ণ নজর কি ধরে ফেলবে আসল সত্যিটা?
আগামী পর্বে দেখা যাবে, টগর পারুলের জন্য এক গ্লাস দুধ নিয়ে আসবে। আচমকা টগরকে দুধ নিয়ে আসতে দেখে পারুল চমকে উঠবে। তখন টগর বলবে যে পিসিমণি পাঠিয়েছে বলেই সে এনেছে। ঠিক সেই সময় রায়ানও সেখানে এসে উপস্থিত হবে এবং টগরের কাণ্ড দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকবে। টগর মনে মনে ভাববে, শিরিনদির কথামতো কাজ তো করলাম, কিন্তু পারুল কি দুধটা খাবে? এর পরেই পারুল টগরের হাত থেকে দুধের গ্লাসটা কেড়ে নেয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, রায়ান কোনোভাবেই পারুলকে এই দুধ খেতে দেবে না এবং কোনো এক বড় বিপদের হাত থেকে তাকে বাঁচিয়ে নেবে।

