শিরিনের মুর্খামিতেই কাছাকাছি পারুল রায়ান! মিটে গেল সব ভুল বোঝাবুঝি! ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব

শুরুর সময় থেকে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক (Bengali Serial) পরিণীতা (Parineeta)। কয়েকমাস হলো শুরু হয়েছে কিন্তু প্রতি সপ্তাহে এই ধারাবাহিক ভালো ফলাফল করছে। পারুলের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই সত্যি বারবার মুগ্ধ করছে দর্শকদের। পারুল অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। তাই তো একটি এপিসোডও মিস করেন না দর্শক।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শিরিনের চোখ মুখ বেঁধে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় পারুল। শিরিনকে ভয় দেখিয়ে তার মুখ থেকে সব সত্যি কথা বার করবে এবার সে। পারুল শিরিনকে গাড়ি করে ন্যাড়াগোয়ালে একটি তন্ত্রসাধনার জায়গায় নিয়ে যায়। আসলে পুরোটাই পারুলের প্ল্যান। পারুলের গ্রামের লোকই শিরিনকে জব্দ করার জন্য নিয়ে গেছে। গ্রামের সবাই পারুলকে সাহায্য করছে। কেউ ভন্ড সাধু সেজেছে, কেউ পারুলকে সাহায্য করার জন্য এই নাটকে সাহায্য করছে। কিন্তু শিরিন কিছুই বুঝতে পারে না তার সাথে কি হচ্ছে।

এরপর শিরিনের চোখের বাঁধন খুলে দেওয়া হলে শিরিন দেখে সে একটা অদ্ভুত জায়গায় চলে এসেছে। শিরিন তোর চেঁচামেচি করতে থাকে। আশেপাশের লোকজন দেখে শিরিন বুঝতে পারে এরা পারুলের গ্রামের লোক। শিরিন বুঝতে পারে এই সমস্ত পারুলেরই কারসাজি। পারুলকে বারবার চিৎকার করে ডাকতে থাকে আর সামনে আসতে বলে। এরপরই পারুল এক অন্যরকম সাজে শিরিনের সামনে এসে দাঁড়ায়। তারপর পারুলের সাজানো ঐ ভন্ড সাধু নানান রকম তন্ত্র মন্ত্র করতে থাকে। আসলে পারুল সেদিনকে বিশ্বাস করাতে চাইছে এই তন্ত্র সাধনা আসলেই কাজ করে।
পারুলের কথা মতন তিনি নানান রকম ভন্ডামি দেখাতে থাকে। কিন্তু শিরিন কিছুতেই বিশ্বাস করছে না। এরপরই পারুল তার মোক্ষম চাল দেয়। অতসী এসে ভন্ড সাধুর কাছে তার স্বামীকে ফেরত চায়। অতসী মানে যার স্বামী শম্ভু কিছুদিন আগেই খুন হয়েছে। শিরিনও জানতো শম্ভু কিছুদিন আগেই মারা গেছে। তারপর সাধনার মাধ্যমে শম্ভুকে ফিরিয়ে আনে ভন্ড সাধু। কিন্তু কি করে এটা হল কেউই বুঝতে পারে না। শিরিনও বেশ ঘাবড়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ ছদ্মবেশী রুদ্রর ফাঁদে ফুলকি! রাজনীতিতে নেমে ভোটে দাঁড়াতেই নেমে এলো সর্বনাশ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
আসলে কয়েকদিন আগে ন্যাড়াগোয়ালে শম্ভুর যমজ ভাই শিবু ফিরে এসেছে। তাকেই প্ল্যানে সামিল করে। শিরিন তো বেশ ভয় পেয়ে যায়। সাধুকে আসল ভাবতে শুরু করে। আর সেই সুযোগে পারুল নিজের সমস্যার কথা জানায়। বলে তার থেকে শিরিন তার স্বামী সংসার কেড়ে নিয়েছে। তখনই পারুলের কথায় ভন্ড সাধু শিরিনকে বলি দেওয়ার কথা বলে। বলির কথা শুনে তো শিরিন ঘাবড়ে যায়। এরপর শিরিনকে হাঁড়িকাঠে চড়ানো হয়। সেদিন ভয়ে পারুলের কাছে সাহায্য চায়। এরপর ভন্ড সাধু জানায় যদি শিরিন তার ছোটবেলা থেকে করা সমস্ত অন্যায় সত্যি সত্যি স্বীকার করে তাহলে শিরিন মুক্তি পাবে। শিরিন মৃত্যুর ভয়ে সমস্ত সত্যি কথা গড়গড় করে বলে যায়। পারুলের সাথে করা অন্যায় স্বীকার করে। সে যে ইচ্ছে করে রায়ান পারুলের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করেছে সেটাও স্বীকার করে। পারুল তো ক্ষেপে গিয়ে শিরিনকে মারতে যায়। পরের দিন পারুল সমস্ত প্রমাণ সমেত ইউনিভার্সিটিতে যায়। শিরিনের সমস্ত কুকীর্তির ভিডিও সকলের সামনে নিয়ে আসে। তারপরে রায়ানের নাম সরিয়ে পারুলকে ব্রাইট মাইন্ডস-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

