কারখানার আগুন লাগায় ন্যাড়াগোয়াল হয়ে উঠল মৃ’ত্যুপুরী! কিভাবে সকলকে উদ্ধার করবে পারুল?

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে যেভাবেই হোক পারুল নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করবে। পারুল দাদুকে নিজের সিদ্ধান্ত জানাতে আসে। দাদু পারুলকে বাধা দেয় না রায়ানকে বলে পারুলকে পৌঁছে দিয়ে আসতে। ওইদিকে ন্যাড়াগোয়াল ছেড়ে বিদেশে নিজের স্বপ্নপূরণের উদ্দেশ্যে রওনা দিল রুক্মিণী। রায়ান রুক্মিণীকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা জানায়, রায়ান রুক্মিণীর জন্য ভীষণ খুশি হয়। কিন্তু দাদুকে এখন এই বিষয়ে কিছু জানাতে না করে দেয়।

এদিকে রুক্মিণী গ্রাম ছেড়ে চলে যাচ্ছে দেখে সকলের মন খারাপ। গোপাল তো নিজের চোখের জল আড়াল করেই রেখেছে রুক্মিণীর থেকে। কিন্তু গ্রামের বাকি সব মহিলারা অল্প দিনের মধ্যেই ভালোবেসে ফেলেছে তাকে। তারাও কিছুতে যেতে দিতে চাইছে না রুক্মিণীকে। কিন্তু নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে এবার এই সুযোগ আর হাতছাড়া করবে না রুক্মিণী। অন্যদিকে রায়ান পারুলকে নিয়ে ন্যাড়াগোয়ালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু পারুলের তো মন মেজাজ কিছুই ভালো নেই। সব দিক থেকেই যেন হেরে গিয়েছে সে।

পারুলের কি হয়েছে জানতে চায় রায়ান। কিন্তু রায়ানকে কিছু মুখে না বললে মনের কথা বুঝতেই পারেনা সে। তাই কিছু বলতে চায় না রায়ান। রায়ানের উপর শুধু শুধু রাগ করে পারুল। সমস্ত রাগ ক্ষোভ গিয়ে পরে রায়ানের উপরে। রায়ানও তাই পারুলের বিষয়ে আর মাথা ঘামায় না। আসলে রায়ান ভাবছে পারুল চলে গেলেই তাদের ডিভোর্সের কেসটা ঝুলে যাবে। তাই জন্যই ভয় পাচ্ছে রায়ান। কিন্তু পারুল কথা দেয় এর জন্য তাদের ডিভোর্স হওয়া থেকে কেউ আটকাতে পারবেনা। তারপর রায়ান চুপচাপ পারুলকে নিয়ে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ওদিকে রুক্মিণীর যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে। গোপালকে বিদায় জানিয়ে ব্যাগ পত্র নিয়ে বেরিয়ে আসে। গোপালকে অনেক ধন্যবাদ জানাই রুক্মিণী, গোপাল না থাকলে হয়তো নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারত না রুক্মিণী।

আরও পড়ুনঃ ‘টেলিভিশনের পর্দায় কাজ করতে পরিশ্রম লাগে না…’ টেলিভিশনে কাজ করা নিয়ে বেফাঁস অভিনেতা প্রান্তিক!

তারপর যখন পারুল রায়ান ন্যাড়াগোয়াল পৌঁছায় তখন পারুল জানতে পারে রুক্মিণী বিদেশ চলে যাচ্ছে। পারুল তো একেবারে অবাক হয়ে যায় রুক্মিণী গ্রাম ছেড়ে চলে যাচ্ছে শুনে। এই খবর জানতে পেরে গোপালের মা, কাকিমা সকলে রুক্মিণী উপর রাগ গোপালের উপর দেখাতে থাকে। গোপাল নির্লজ্জ, তার বউ তাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে। তখন পারুল প্রতিবাদ করে ওঠে। বাড়ির বউয়ের স্বপ্ন কখনো তারা বুঝতে পারে না। এদিকে সিমেন্ট কারখানার আগুন লেগে ছারখার হয়ে যায় সব। আর সেই অবস্থায় বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে গ্রামের কাউকেই বাঁচানো যাবে না। এবারে দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button