অনিরুদ্ধর হাতেই এবার কোম্পানির দায়িত্ব! ফের সসম্মানে ফিরে এল রায়ান পারুল! সংযুক্তার প্রিয় চা’মচার কি অবস্থা করলো নায়িকা?

বাংলা টেলিভিশনের বিনোদন জগতে বাংলা ধারাবাহিক বা মেগা সিরিয়াল কেবল কয়েক মিনিটের দৃশ্য নয়, বরং প্রতিটি বাঙালির ড্রয়িংরুমের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। গত কয়েক দশকে বাংলা ধারাবাহিকের বিবর্তন ঘটেছে চোখে পড়ার মতো। সেরকমই জি বাংলার (Zee Bangla) একটি ধারাবাহিক হলো পরিণীতা (Parineeta)

ধারাবাহিকে গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ান ও পারুলের মধ্যে চরম তিক্ততা। রায়ান পারুলের ওপর জোর খাটানোর চেষ্টা করলে পারুল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে, রায়ান তাকে কখনো স্ত্রীর মর্যাদা দেয়নি। তাই এখন রায়ান পারুলের ওপর কোনো অধিকার ফলাতে পারবে না। তাদের এই ঝগড়া শুনে পারুলের জা রুক্মিণী সেখানে উপস্থিত হয় এবং সেও তার ভাই রায়ানকে কড়া ভাষায় সাবধান করে দেয়।

পুরোনো রহস্যের জট খুলতে পারুল অফিসে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। তার মূল অস্ত্র ছিল একটি বিশেষ পারফিউমের গন্ধ। সে অফিসের প্রত্যেকের পারফিউম পরীক্ষা করে দেখলেও কারো সাথে মিল পায় না। তবে পারুল লক্ষ্য করে যে, অফিসের কর্মী রশ্মিকা হঠাৎ করে অফিস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। পারুলের মনে পড়ে যায়, কোর্ট রুম থেকেও রশ্মিকা একইভাবে রহস্যজনকভাবে গায়েব হয়ে গিয়েছিল।

পারুল ও রায়ান দুজনে মিলে রশ্মিকাকে পাকড়াও করে। প্রথমে সে সব অস্বীকার করলেও পারুলের যুক্তিপূর্ণ চাপের কাছে হার মানতে বাধ্য হয় সে। কান্নায় ভেঙে পড়ে রশ্মিকা স্বীকার করে তার সাথে রজতের গোপন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই বিশেষ পারফিউমটি রজতই তাকে উপহার দিয়েছিল। একটি অফিস পার্টিতে আলাপের পর রজত তাকে সংযুক্তার পরিকল্পনার কথা জানায়। তারপরই সংযুক্তার কথায় সে রজতের সাথে সেই অন্যায় করে।

আরও পড়ুনঃ রান্নাঘরে মৃ’ত্যুর ফাঁদ! দিতিকে পু’ড়িয়ে মা’রার ছক কুন্তলার! সফল হবে কি এই পৈ’শাচিক পরিকল্পনা? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

পারুল ও রায়ানকে রশ্মিকার সাথে কথা বলতে দেখে সতর্ক হয়ে যায় শিরিন। সে আড়াল থেকে সবটা লক্ষ্য করে এবং তারা চলে যাওয়ার পর রশ্মিকাকে মুখ বন্ধ রাখার জন্য ভয় দেখায়। কিন্তু পারুল আগে থেকেই শিরিনের চাল বুঝতে পেরেছিল। সে পেছন থেকে এসে শিরিনকে পালটা হুঁশিয়ারি দেয় যে, এবার আর কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে আসবে না। পরের দিন আদালতে মামলা উঠলে পারুল বিচারকের সামনে ঘোষণা করে যে, সংযুক্তার কুকীর্তির জ্যান্ত প্রমাণ বা সাক্ষী সে জোগাড় করেছে। গোটা আদালতকে স্তব্ধ করে দিয়ে রশ্মিকা কাঠগড়ায় এসে দাঁড়ায় পারুলের হয়ে সাক্ষ্য দিতে। নিজের হাতের পুতুলকে এভাবে নিজের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে দেখে সংযুক্তা রাগে ও বিস্ময়ে ফেটে পড়ে। অন্যদিকে কোম্পানিতে সংযুক্তার বদলে নতুনভাবে সিইও এর পদে বসলো অনিরুদ্ধ। আর কোম্পানিতে ফের জায়গা ফিরে পেল রায়ান ও পারুল। এবারে দেখার অপেক্ষায় কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button