হানিমুনে বিভীষিকা! কাপালিকের কো’প থেকে পারুলকে বাঁচাতে পারবে তো রায়ান? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মন্দিরের সামনে যাওয়ার পর থেকেই পারুল এক অজানা ভয়ে কুঁকড়ে যাচ্ছিল। আসলে তাকে ভয় দেখানোর জন্য রুক্মিণী আর ঋত্বিক আগে থেকেই সেখানে দম্পতি সেজে মিথ্যে নাটকের জাল বুনেছিল। তাদের সাজানো গল্পের ফাঁদে পা দিয়ে রায়ান ও পারুল দুজনেই বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রায়ান দ্রুত পারুলকে সেখান থেকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসে।
ভয়ের পরিবেশ কাটিয়ে পারুলের মন ভালো করতে রায়ান এক চমৎকার সারপ্রাইজ দেয়। সে খুব সুন্দর করে ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের আয়োজন করে। হানিমুনের এই বিশেষ সময়ে সে পারুলকে রোমান্টিক কিছু মুহূর্ত উপহার দিতে চেয়েছিল। মনোরম পরিবেশে দুজনে মিলে সুন্দর একটি গানে নাচ করে এবং তাদের মধ্যে আবারও ভালোবাসার এক মধুর রসায়ন তৈরি হয়।

তবে এই সুখের আড়ালে লুকিয়ে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র। দূর থেকে শিরিন আর সংযুক্তা সবটাই লক্ষ্য করছিল। ঠিক সেই সময় মৈনাক তাদের কাছে শরবত চাইলে শিরিন সুযোগের সদ্ব্যবহার করে। সে শরবতের গ্লাসে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয় যাতে সবাই অজ্ঞান হয়ে যায় এবং তাদের শয়তানি পরিকল্পনায় কেউ বাধা দিতে না পারে।
কিছুক্ষণ পর রায়ান ও পারুল তাদের সুন্দর করে সাজানো ঘরে ফিরে আসে। কিন্তু এই শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। গভীর রাতে রায়ান হঠাৎ আতঙ্কিত হয়ে ঘুম থেকে লাফিয়ে ওঠে। সে চিৎকার করে পারুলকে ডাকতে থাকে, কিন্তু বিছানা ছিল খালি। ঘরে কোথাও পারুলকে খুঁজে না পেয়ে রায়ানের মনে সেই কাপালিকের ভয়ের কথা উঁকি দেয় তবে কি সত্যি পারুলকে কেউ বলি দিতে নিয়ে গেল?
আরও পড়ুনঃ ‘কি করে কথা হবে? আমি চাইলেও সে চায় না আর এক হাতে তালি বাজে না…’ কথা বলার চেষ্টা করলেও সারা দেয়নি প্রবাহ! তাই শুধু নিজেকে ভালো রাখার শপথ নিয়েছেন দেবলীনা নন্দী!
গল্পের শেষে দেখা যায় এক হাড়হিম করা দৃশ্য। একজন কাপালিক ছদ্মবেশে পারুলকে ধরে নিয়ে গেছে এবং তার কপালে সিঁদুর পরিয়ে বলি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করেছে। পারুলের হাত বাঁধা এবং সামনেই রাখা তীক্ষ্ণ ধারালো অস্ত্র। পারুলের জীবন এখন চরম সংকটে। পরবর্তী পর্বে দেখা যাবে রায়ান কি ঠিক সময়ে পৌঁছে পারুলকে এই নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে পারবে কি না।

