চপের দোকান খুলে রাতারাতি ফেমাস পারুল-রায়ান! ক্ষেপে বো’ম দাদু! রায়ানের পাশে দাঁড়াতে দাদুর বিরুদ্ধে পারুল!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে এদিকে রায়ান পারুল একটু একটু করে সবকিছু গুছিয়ে নেয়। কিন্তু কিভাবে বাড়ি ভাড়ার টাকা জোগাড় করবে সেটাই বুঝতে পারে না। কারণ যতটুকু টাকা বাড়ি থেকে এনেছিল পারুল সেই টাকাও খাবারের খরচা হয়ে গিয়েছে। তাই তাদের একটা উপায় বার করতেই হবে। পরের দিন রায়ানদের কলেজে স্পেশাল প্রফেসর এসে স্টার্টআপের অভিজ্ঞতা আইডিয়া সমস্ত কিছু ভাগ করে নেয়। পারুল ভাবতে থাকে তাদের বাড়ি ভাড়া যোগাড় করার জন্য কিছু তো করতে হবে। কিভাবে টাকা জোগাড় করবে সেটাই এখনো বুঝতে পারছে না তারা।

Bengali serial

এদিকে তার কিছুক্ষণ পরেই পারুলকে ফোন করে ওই বাড়িয়ালা কাকিমা। তিনি জানান পারুলরা সুখী দম্পতি সেজে তার বাড়িতে এসেছিল ভাড়া জন্য। কিন্তু তারা তো বাড়ি থেকে ডিভোর্স করার জন্য বেরিয়ে এসেছে এ ঘটনা আগে তাকে জানানো হয়নি। তাই আগামী দু দিনের মধ্যে পারুলদের বাড়ি ভাড়ার টাকা দিতেই হবে সে যেভাবেই হোক। আসলে দাদু এসে ওই ভদ্রমহিলাকে রায়ানদের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার জন্য বলে। যাতে দাদু জিততে পারে তার চ্যালেঞ্জ। পারুলরা তো এসবের কিছুই জানে না। এদিকে টাকায় জোগাড় করবে কি করে সেই প্ল্যানও করতে থাকে তারা।

পরের দিন পারুল যখন রায়ানকে পটলের চপ বানিয়ে খাওয়ায় রায়ান তখন পারুলের হাতের চপের ফ্যান হয়ে যায়। তখন রায়ান পারুলকে বুদ্ধি দেয় চপের দোকান খোলার জন্য। পারুলও ঠিক করেন এমবিএ চপওয়ালি নাম দিয়ে চপের দোকান খুলবে। পারুল একদিকে চপ বানাবে একদিকে রায়ান নিজের স্ট্যান্ড আপ কমেডির শো করবে। আর দুই মিলেই পয়সা রোজগার হবে তাড়াতাড়ি। কারণ এখন নতুন চাকরিতে ঢুকলে তাদের কেউই তাড়াতাড়ি স্যালারি দেবে না। কিন্তু পারুল রায়ান ভাবতে থাকে কিভাবে তারা নিজেদের ব্যবসা শুরু করবে কারণ তাদের হাতে তো পুঁজি নেই, কোন টাকাই নেই। এরপরই পারুল গোপাল এর কথা বলে তারা যদি সাহায্যের জন্য বলে তাহলে গোপাল নিশ্চয়ই তাদের সাহায্য করবে।

আরও পড়ুনঃ রোহিতের মুখোমুখি বড় রাজাবাবু! অবশেষে হলো রহস্যের উন্মোচন! ফুলকির খোঁজে ছদ্মবেশে হাজির রুদ্র!

অন্যদিকে রুক্মিণী একটি বিদেশি কোম্পানিতে তার শাড়ি বিক্রির অফার পায়। তার বন্ধুই তাকে এই সুযোগ করে দেয়। তারপরই পারুল গোপালকে ফোন করে আর জানাই রায়ান এবং সে মিলে নতুন ব্যবসা শুরু করছে তাই তার জন্য কিছু টাকার সাহায্য দরকার। গোপাল তো আর কোন কিছুই জিজ্ঞাসা না করে পারুলকে টাকা দেবে বলে কথা দিয়ে দেয়। রুক্মিণী গোপালের মুখে পারুল রায়ানের নতুন ব্যবসার কথা শুনে একটু অবাক হয়ে যায়। কারণ রায়ান তাকে সবকিছুই জানায়। এত বড় ঘটনাটা রায়ান জানালো না ভেবেই অবাক হয়। সে রাকাকে ফোন করে সমস্ত কিছু জানতে চায়। তখন রাকা রায়ান পারুলের ডিভোর্সের খবরটা জানায় রুক্মিণীকে। রুক্মিণী গোপালকে সঙ্গে সঙ্গে জানায় এই ঘটনার কথা। গোপালও শুনে অবাক হয়ে যায়। এদিকে পারুলকে টাকাও পাঠিয়ে দিয়েছে গোপাল। এদিকে পরের দিন রায়ান পারুল মিলে তাদের ব্যবসা শুরু করে। সেই খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসে দাদু। রায়ানদের জন্য নাকি তার মান সম্মান সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সকলের সামনেই রায়ানের গায়ে হাত তুলতে যান তিনি। কিন্তু দাদুর রাস্তায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় পারুল।

Back to top button