অর্থ উপার্জন করতে এবার চপ ভাজতে বসলো পারুল-রায়ান! এক টুকরো চপ মুখে তুলতেই ঘটলো ভয়ংকর কান্ড!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে রায়ান পারুল যে ঘর ভাড়া খুঁজছে সেটা দাদুর এক বন্ধু এসে তাদের জানিয়ে যায় বাড়িতে। দাদু তো নিজের থেকে এক চুলও নড়বেন না। বাড়ির সবাই বারবার করে বলার পরেও তিনি কিছুতেই সিদ্ধান্ত থেকে নড়েন না। রায়ান পারুল খোঁজ করতে করতে একটা ভাড়া বাড়ির খোঁজ পায় আর সেখানে থাকার ব্যবস্থা করে ফেলে। নিজেদের জীবনের নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে রায়ান পারুল। রায়ান পারুল যখন আস্তে আস্তে ঘর গুছিয়ে নিচ্ছে, ঠিক তখনই ঠাম্মি, রায়ানের মা বাবা এসে উপস্থিত হয়।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Parineeta New Episode, Parineeta Today's Episode 20 June, Today's Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা আজকের পর্ব, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং, পরিণীতা ২০ জুন আজকের পর্ব

রায়ানকে দেখে তার মা তো অস্থির হয়ে পড়ে। নিজের ছেলেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগে। পারুলের যা হয় হোক রায়ান যেন বাড়ি ফিরে যায়। রায়ান তার মায়ের কথায় স্পষ্ট জানিয়ে দেয় দাদু যখন তাদের একসঙ্গে বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছে তখন পারুলকে ছেড়ে মাঝপথে রায়ান কিছুতেই একা ফিরবে না। ঠাম্মিরা বারবার করে অনুরোধ করলেও তারা কিছুতেই ফিরবে না বলে জানিয়ে দেয়। কিন্তু রায়ান বলে যদি দাদু এসে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় তাহলে তারা ফিরবে। এরপর রায়ান পারুলের সাথে দেখা করতে আসে দাদু। আসলে রায়ান দাদুকে ডেকে এনে দেখায় তারা নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই করে নিয়েছে। শুধুমাত্র দাদুকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যই আবার দাদুকে তারা এখানে ডেকে এনেছে। তারা যে কিছুতেই বসু বাড়িতে ফিরে যাবে না সেটাই দাদুকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

দাদু উল্টে রায়ানের চ্যালেঞ্জ করে তারা কিছুতেই এভাবে বেশি দিন থাকতে পারবে না। বসু বাড়িতে গিয়ে তাদের উঠতেই হবে। দাদুর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে পারুলরা। শেষে দাদু পারুলকেই দোষারোপ করে যে রায়ানকে তার পরিবার থেকে আলাদা করে দিয়েছে সে। তারপর বাড়িতে গিয়ে তো চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন দাদু। রায়ানের পাল্লায় পড়ে পারুল নষ্ট হয়ে গেছে বলে দাবি করেন। ঠাম্মি বারবার তাকে বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করে কিন্তু কোন ভাবে কোন কাজ হয় না।

আরও পড়ুনঃ বড় রাজাকে খুঁজে বড় রানীর সামনে দাঁড় করালো ফুলকি! বাবাকে খুঁজে পেয়ে সফলতার পথে আরও এক ধাপ ফুলকি দাস!

এদিকে রায়ান পারুল একটু একটু করে সবকিছু গুছিয়ে নেয়। কিন্তু কিভাবে বাড়ি ভাড়ার টাকা জোগাড় করবে সেটাই বুঝতে পারে না। কারণ যতটুকু টাকা বাড়ি থেকে এনেছিল পারুল সেই টাকাও খাবারের খরচা হয়ে গিয়েছে। তাই তাদের একটা উপায় বার করতেই হবে। পরের দিন পারুল যখন রায়ানকে পটলের চপ বানিয়ে খাওয়ায় রায়ান তখন পারুলের হাতের চপের ফ্যান হয়ে যায়। তখন রায়ান পারুলকে বুদ্ধি দেয় চপের দোকান খোলার জন্য। পারুলও ঠিক করেন এমবিএ চপওয়ালি নাম দিয়ে চপের দোকান খুলবে।

Back to top button