সমস্ত কুকর্ম ফাঁস হওয়ার ভয়ে মরিয়া সংযুক্তা! পারুলের সামনে উঠে এলো আরও এক ভয়ংকর প্রমাণ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জমজমাট হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Porineeta) ধারাবাহিক। ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে সংযুক্তার মুখোশ খুলতে নানা রকম প্ল্যান সাজিয়ে রেখেছে অনিরুদ্ধ, পারুল এবং রায়ান। তাদের প্ল্যান মতনই এবারে খুব তাড়াতাড়ি সংযুক্তার আসল মুখোশ সকলের সামনে বেরিয়ে আসতে চলেছে।
ধারাবাহিকে গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শিরিনের উদ্দেশ্য হলো টগরকে কাজে লাগিয়ে রায়ান ও পারুলের গতিবিধির ওপর নজর রাখা। টগর তাকে জানায় যে, অফিসের এক স্যার এসে পারুলদের সঙ্গে হইহুল্লোড় করছেন। প্রমাণ হিসেবে পারুল নিজেই আনন্দের সেই মুহূর্তের ভিডিও তুলে পাঠায়, সংযুক্তা বুঝে ফেলে যে, অনিরুদ্ধ আড়ালে তাদের সঙ্গেই হাত মিলিয়েছে। নিজের পিঠ বাঁচাতে সংযুক্তা পরদিনই অফিসে অনিরুদ্ধকে ডেকে পাঠান এবং তার হাতে মুম্বাইয়ের ট্রান্সফার লেটার ধরিয়ে দেন। সংযুক্তা ষড়যন্ত্র করে অনিরুদ্ধকে কলকাতা থেকে মুম্বাইয়ে ট্রান্সফার করার ব্যবস্থা করে। সংযুক্তার ধারণা ছিল অনিরুদ্ধকে দূরে সরিয়ে দিলেই তার পথের কাঁটা দূর হবে। কিন্তু পাশা উল্টে দিয়ে অনিরুদ্ধ নিজেই তার চাকরি ছাড়ার পদত্যাগপত্র সংযুক্তার হাতে ধরিয়ে দিয়ে আসে।

পারুল প্রথমে ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল যে, অনিরুদ্ধ স্যার চলে গেলে তাদের মিশন কীভাবে সফল হবে। কিন্তু অনিরুদ্ধ ফিরে এসে জানায়, সে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে কারণ এই মুহূর্তে কলকাতা ছেড়ে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। সে সবার সামনে স্পষ্ট করে দেয় যে, কলকাতায় থাকার পিছনে তার একটি বিশেষ মানুষ রয়েছে যাকে সে ভালোবাসে। অনিরুদ্ধর মুখে ভালোবাসার এই স্বীকারোক্তি শুনে রায়ান রাগে ফেটে পড়ে। এদিকে পরের দিনই কোর্টে কেস ওঠার কথা। এই খবর পাওয়া মাত্রই সংযুক্তা বেশ চাপে পড়ে যায়। সে ভয় পায় যে, এতদিন ধরে যে সত্য সে আড়াল করে রেখেছিল, তা হয়তো এবার সবার সামনে চলে আসবে। নিজের পিঠ বাঁচাতে সে মরিয়া হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুনঃ শেষ হচ্ছে জনপ্রিয় মেগা! প্রিয় ধারাবাহিকে পথ চলার এখানেই ইতি! স্মৃতির ঝাঁপি খুলে আবেগে ভাসলেন সুব্রত গুহ রায়!
সংযুক্তা শিরিনকে নির্দেশ দেয় সেই কর্মচারীর বাড়িতে ৩০ লক্ষ টাকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য। এত বিশাল অংকের টাকা দেওয়ার কথা শুনে শিরিনও অবাক হয়ে যায়। সে বুঝতে পারে, সংযুক্তা নিশ্চয়ই বড় কোনো অপরাধ করেছে যা ধামাচাপা দিতেই এই টাকার খেলা। পরিকল্পনা মাফিক শিরিন ওই কর্মচারীর বাড়িতে গিয়ে পারুলের নামে আজেবাজে কথা বলে তাকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করে। সে এমনভাবে টাকার টোপ দেয় যেন মনে হয় পারুল নয়, বরং সংযুক্তাই তাদের আসল শুভাকাঙ্ক্ষী। তাদের মূল লক্ষ্য হলো টাকা দিয়ে ওই পরিবারকে হাত করা যাতে তারা কোর্ট থেকে কেস তুলে নেয়।
কিন্তু সঠিক সময় পারবে সেখানে পৌঁছে যায় এবং সংযোগটা আর কোনভাবেই ওই কর্মচারীর পরিবারকে ভুল বুঝিয়ে চুপ রাখতে পারে না বাধ্য হয়ে সংযুক্ত সেদিন দুজনেই বেরিয়ে যায় সেখান থেকে। পারুল সকলের মনে সাহস যোগায় জানায় তার বিশ্বাস ঠিক সঠিক বিচার হবে অন্যায়ের।

