প্রকাশ্যে নকল ভিডিওর আসল সত্যতা! শিরিনের প্ল্যান ভেস্তে দিয়ে বেকসুর খালাস পারুল! এবার আসল অপরাধীদের হাতকড়া পরানোর পালা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে টানটান উত্তেজনা পর্ব হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক প্রতি সপ্তাহে দর্শকদের জন্য নিয়ে আসে নতুন নতুন চমক। ধারাবাহিকের টানটান উত্তেজনা পর্বগুলি তাই একটিও মিস করতে চান না দর্শক। তাইতো টিআরপি তালিকায় সব সময় ভালো ফলাফল করে নিজেদের জায়গায় তৈরি করে নেয় পরিণীতা।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, টগর পারুলের ব্যাগ থেকে ওই সোনার গয়নাটা বের করে সকলকে দেখায়। এরপর পারুলকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পারুল যাওয়ার আগে টগরকে বলে যায় যেন ভগবানের কাছে টগর প্রার্থনা করে পারুল কোনদিনও বেরিয়ে না আসে কারণ পারুল একবার বেরিয়ে আসলে কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না।
এরপর পারুলকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মল্লার, মৈনাক কেউই কিছু করতে পারে না। ওদিকে পারুল নিজেকে নির্দোষ হিসেবে দাবি করলেও পুলিশ জানায় সব প্রমাণ পারুলের বিরুদ্ধে। ওইদিকে মল্লার বাধ্য হয়ে তার বাবাকে ফোন করে সবটা জানায়, তার বাবা তো সবটা শুনে সঙ্গে সঙ্গে ফিরে আসে। বাড়িতে এসেই তো রাগারাগি শুরু করে দেয়। রায়ানের মাকে বারবার ওই কেস তুলে নেওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু রায়ানের মা একবার যখন সুযোগ পেয়েছে তখন আর পারুলকে মুক্তি দেবে না।
মল্লার এর তার বাবা মিলে যায় কেস তুলে নিতে কিন্তু পুলিশ অফিসার জানিয়ে দেয় যে কেস করেছে সেই একমাত্র এই কেস তুলতে পারবে। মল্লারের বাবা লজ্জায় পারুলের সামনে দাঁড়াতে পারে না। মল্লার রায়ানকে জানানোর কথা বললে পারুল বাধা দেয়। ওদিকে টগর, শিরিন, আর রায়ানের মা কাকিমা, দিদি মিলে উৎসব করছে। পারুলকে জেলে পাঠাতে পেরে তো খুব খুশি তারা। শিরিনকে মা সেরা উকিল জোগাড় করেছে যাতে পারুল বেরোতে না পারে আর পারুলের হয়ে যাতে কেউ কেস না লড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ ‘কন্যাং দেহি, সন্তানং দেহি এগুলো অর্ধ শিক্ষিতের কথা!’- কন্যা সন্তান চাওয়াকে অশিক্ষিতের লক্ষণ বলে দাবি সুদীপা চ্যাটার্জীর! নেটিজেনদের ক্ষোভের মুখে সঞ্চালিকা!
পরের দিন পারুলকে কোর্টে চালান করা হয়। তার আগে মল্লারের বাবা আবার রায়ানের মাকে কেস তুলে নিতে বলে। কিন্তু রায়ানের মা নিজের মত বদলায় না। পারুলও জানিয়ে দেয় কেস তুলে নেওয়ার দরকার নেই। পারুল নিজেকে ঠিক নির্দোষ প্রমাণ করবে। তারপর কেস শুরু হয়। শিরিনের উকিল একবারে নিচে নামিয়ে দেয় পারুলকে। এদিকে পারুলের পক্ষে কোনো উকিল নেই। কিন্তু পারুল জোর গলায় বলে সে নির্দোষ। ঠিক তখনই কোর্টে পারুলের উকিল নিয়ে হাজির হয় রায়ান। তাকে দেখে তো অবাক সকলে। তারপর রায়ানের সাহায্যে নিজের বুদ্ধি খাঁটিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করলো পারুল। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

