শিরিনের মায়ের ষ’ড়যন্ত্রের শিকার দাদু! ইলেকট্রিসিটি বন্ধ করে অপারেশনে ব্যাঘাত! দাদুর প্রাণ ফেরাতে বড় পদক্ষেপ নিল রায়ান পারুল!

জি বাংলার (Zee Bangla) ধারাবাহিকগুলির মধ্যে দর্শকদের পছন্দের একটি ধারাবাহিক (Bengali Serial) হল পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকটি যত দিন যাচ্ছে দর্শকের কাছে আরো জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পারুল রায়ানের খুনসুঁটি মাখা কেমিস্ট্রি দর্শকদের বেশ পছন্দ হচ্ছে। টিআরপি তালিকাতেও প্রতি সপ্তাহে বেশ ভালো ফলাফল করে পরিণীতা। ধারাবাহিকে আবারো রায়ান পারুলের শত্রুতার গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সকালে উঠে পারুল পড়াশোনা করছিল আর সেই সময় দাদু মর্নিং ওয়াকে বেরোনোর জন্য রওনা দেয়। পারুলকে আশীর্বাদ করে সকালে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন। কিন্তু কুয়াশার মধ্যে দাদু মাফলার নেয়নি বেরিয়ে গেছে দেখে পারুল সেটা দেওয়ার জন্য ছুটে যায়। আর তখনই শিরিনের মায়ের লোক গাড়ি নিয়ে রেডি আছে। শিরিনের মা বলে দেয় এমন ভাবে মারতে হবে যেন মনে হয় ব্রেক ফেল হয়ে গেছিল গাড়ির তাতেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। গাড়িটা দাদুর দিকে একেবারে ফুল স্পিডে ছুটে আসে আর পারুল ও ঠিক সেই সময় মাফলার দিতে যাচ্ছিল দাদুকে, পারুল কিছু করে ওঠার আগেই দাদুকে সেই গাড়িটা মেরে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকে দাদু।

Bengali serial

দাদুকে এই অবস্থা দেখে পারুল কিছুটা থমকে গিয়েছিল। তারপর তাড়াতাড়ি ছুটে যায় দাদুর কাছে। অনেক রক্ত ইতিমধ্যেই বেরিয়ে গিয়েছে শরীর থেকে। তারপর দাদুর ফোন থেকে রায়ানকে ফোন করে জানায় দাদুর অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। তড়িঘড়ি করে দাদুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ততক্ষণে সকলেই হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছে। সবাইতো কান্নাকাটি করতে থাকে দাদুর এই অবস্থা কথা শুনে। বিশেষ করে ঠাম্মি নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেন না। দাদুকে ছাড়া তিনি কিভাবে থাকবেন সে কথা ভেবে ভেবেই তিনি কান্নাকাটি করতে থাকেন।

সকলেই প্রার্থনা করতে থাকে যাতে দাদু তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠে। ঠাম্মিকে তো কিছুতেই সামলানো যায় না। পারুলও কান্নাকাটি করতে থাকে। ওই দিকে শিরিনের মাকে ওই গুন্ডা খবর দিয়ে জানিয়ে দেয় কাজ হয়ে গেছে। সেদিনের মা শিরিনকে বলে এই বার রায়ানকে শিরিনের হাতের মুঠোয় আনতে হবে। রায়ানের গোটা পরিবারকে তাদের বশে করতে হবে। এটাই মোক্ষম সুযোগ রায়ানের পুরো পরিবার শিরিনদের হাতের মুঠোয় চলে এলে খুব সহজেই তারা পারুলকে বাড়ি থেকে বের করতে পারবে। দরকার হলে পারুলকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে হবে। মায়ের পরামর্শ মেনে শিরিন ছুটে যায় নার্সিংহোম।

আরও পড়ুনঃ ফুলকির ভুলের মাশুল গুনছে ধানু! রুদ্রর ফাঁদে পা দিতেই পতি’তালয়ে আটকা পড়ল ধানসিঁড়ি! বোনকে উদ্ধার করতে কি করবে রোহিত?

ওইদিকে ডাক্তার জানিয়ে দাদুর এখনো জ্ঞান ফেরেনি তাই তার অবস্থা কেমন আছে সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। যদি ব্রেনের ভেতরে চোট লাগে তাহলে অপারেশন করতেই হবে। কিন্তু অপারেশন করাটাও এই বয়সে ভীষণই বিপদজ্জনক। তবুও কলকাতার দুজন সেরা ডাক্তার তারা নিয়ে আসবে অপারেশনের জন্য। ততক্ষণে শিরিন পৌঁছে গিয়েছে রায়ানকে সান্ত্বনা দিতে। শিরিনকে দেখে তো পারুলের সন্দেহ হয়, শিরিন কি করে জানল দাদুর অ্যাক্সিডেন্টের কথা সেটা জানতে চায় পারুল। কিন্তু সেই মুহূর্তে সকলের মনের অবস্থা যা, শিরিন কোনোভাবে পারুলকে চুপ করিয়ে দেয়। ওদিকে কলকাতার দুজন বেস্ট ডাক্তার আসছে শুনে শিরিন তো তার মাকে খবর দিয়ে দেয়। শিরিনের মা কথা দেয় কোনভাবেই এই অপারেশন হতে দেবেন না তিনি। তারপরে হঠাৎ করে নার্সিংহোমের পুরো ইলেকট্রিসিটি চলে যায়। এত বড় নার্সিংহোমের ইলেকট্রিসিটি কি করে চলে যায়, সেই নিয়েই ঝামেলা করতে থাকে রায়ান পারুল। তবে পারুল ডাক্তারদের বলে তাদের ১৫ মিনিট সময় দিতে এর মধ্যেই নার্সিংহোমে ইলেকট্রিসিটি যে করেই হোক ফিরিয়ে আনবে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button