শিরিনের বাড়িতে পুলিশ! মাঝরাতে প্রমাণ খুঁজতে গিয়ে চরম বিপদ! শিরিনের পাতা ফাঁদে কি ধরা পড়ে যাবে রায়ান-পারুল?

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, টগরের আজকের এই শোচনীয় অবস্থার জন্য যে আসলে শিরিনই দায়ী, সেটা পারুল ইতিমধ্যেই বুঝতে পেরেছে। কিন্তু মুখে বললেই তো আর হবে না, শিরিনের বিরুদ্ধে শক্ত প্রমাণ দরকার। তাই পারুল পরিকল্পনা করে যে করেই হোক শিরিনের বাড়িতে ঢুকে সমস্ত প্রমাণ জোগাড় করতে হবে। কিন্তু সবচেয়ে বড় বাধা ছিল শিরিনের ফোনটি হাতে পাওয়া, যা ছাড়া আসল সত্য ফাঁস করা অসম্ভব ছিল।

এই সমস্যার সমাধানে পারুলের মাথায় একটা দারুণ বুদ্ধি খেলে যায়। শিরিনদের বাড়িতে যে মহিলা রান্নাবান্না ও গৃহস্থালির কাজ করেন এবং শিরিনের ভাইয়ের ফরমাস খাটেন, পারুল গিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে। পারুল তাঁকে অনুরোধ করে কিছুদিনের জন্য ছুটি নিতে এবং তাঁর জায়গায় নিজে নকল কাজের মাসি সেজে শিরিনদের বাড়িতে প্রবেশ করে। ছদ্মবেশে বাড়ির সবার নজর এড়িয়ে পারুল নিজের মিশন শুরু করে দেয়।

ছদ্মবেশ নিয়ে শিরিনদের বাড়িতে ঢোকার পর সবকিছু পারুলের পরিকল্পনা মতোই চলছিল। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও দিনের আলোয় সে শিরিনের ফোন বা অন্য কোনো অকাট্য প্রমাণ হাতে পায় না। দিনের বেলা বাড়ির সবার উপস্থিতিতে কাজটা করা এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে পারুল বাধ্য হয়ে সেই সময়ের মতো হাল ছাড়ে। তবে সে দমে যায়নি; পারুল এবার এক নতুন পরিকল্পনা করে যে রাতের অন্ধকারে, যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়বে, তখন সে আবার এই বাড়িতে ঢুকবে।

যেমন ভাবনা তেমন কাজ। আগামী পর্বে দেখা যাবে, রাতের বেলা সবার চোখের আড়ালে পারুল একা নয়, বরং রায়ানের সাথে শিরিনদের বাড়িতে প্রবেশ করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত শিরিন টের পেয়ে যায় যে বাড়িতে কেউ ঢুকেছে। চোর ঢুকেছে সন্দেহে শিরিন আর দেরি না করে সরাসরি পুলিশে খবর দিয়ে দেয়। পুলিশ ডাকার কথা জানতে পেরেই রায়ান ও পারুল চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় যে তারা এখন কীভাবে এই বিপদ থেকে উদ্ধার পাবে।

আরও পড়ুনঃ ‘লজ্জা করে না? ছিঃ, বান্ধবীর ছেলে তো সন্তানসম! তাকে বিয়ে?’ ‘২৫ বছরের ছেলেটা সেদিন যেভাবে দায়িত্ব নিয়েছিল…’ ৪ বছরের ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে ২৫ বছরের তরুণ বিরসার হাত ধরে শুরু হয় পথ চলা! বিদীপ্তা চক্রবর্তীর জীবনের অজানা গল্প!

কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ শিরিনদের বাড়িতে চলে আসে এবং চারদিকের সমস্ত ঘর ও আনাচ-কানাচ তল্লাশি করতে শুরু করে। একদিকে যখন পুলিশ তাদের খুঁজছে, ঠিক তখনই পারুল অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে শিরিনের ফোন থেকে দরকারি সব তথ্য ও প্রমাণ নিজের ফোনে ট্রান্সফার করতে ব্যস্ত থাকে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে রায়ান বুদ্ধি খাটায় এবং পারুলকে বলে যে এই মুহূর্তে জানালা ভেঙে পালানো ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। শেষমেশ পুলিশ তাদের ধরার আগেই রায়ান ও পারুল জানালার কাচ ভেঙে সেখান থেকে অক্ষত অবস্থায় পালিয়ে যেতে সফল হয়।

Back to top button