নিখোঁজ টগরের খোঁজে দিশেহারা পারুল! বোনকে বাঁচাতে অপরাধী রনির ডেরায় পারুল-রায়ান! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ান সবার সামনে এসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করে দেয়। সে জানায়, এতক্ষণ যা কিছু ঘটছিল তা আসলে তাদের পরিবারের লোকেদের সাজানো একটি নাটক। রায়ান একে একে ব্রততী ও ঋত্বিক সান্যালসহ সবার আসল রূপ দেখিয়ে দেয়। সে প্রমাণ করে দেয় যে, এই নোংরা খেলার পেছনে প্রধান কারিগর ছিলেন তার নিজের বাবা আশুতোষ বসু ও দাদু পরিতোষ বসু। নিজেদের দোষ হাতেনাতে ধরা পড়ে যাওয়ায় তারা দুজনেই চরম লজ্জায় পড়ে যান এবং মুখ দেখাতে পারেন না।
দাদু আর রায়ানের বাবা এমন কাজ করতে পারেন, তা পারুল ভাবতেই পারেনি। বাড়ির বড়দের ওপর প্রচণ্ড অভিমান করে সে ভেঙে পড়ে। ঠিক সেই সময় রায়ান আবেগ সামলাতে না পেরে পারুলকে জড়িয়ে ধরতে গেলে পারুল তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। সে সাফ জানিয়ে দেয়, এই সব অপমানের জন্য একমাত্র রায়ানই দায়ী। পারুল আর এক মুহূর্ত ওই বাড়িতে থাকতে রাজি নয়। সে হাতজোড় করে সবাইকে অনুরোধ করে যাতে তাকে চলে যাওয়ার সময় কেউ বাধা না দেয়।

বাড়ি ছেড়ে পারুল তার অফিসের এক কর্মীর বাড়িতে গিয়ে ওঠে। সেখানে ঋক এসে তাকে ফুল দিয়ে মনের কথা জানায়। কিন্তু পারুলের বিপদ যেন কাটছেই না। শিরিন আর সংযুক্তা মিলে পারুলকে বিপদে ফেলার জন্য এবার তার বোন টগরকে টার্গেট করে। হঠাৎ বাড়ি থেকে টগর নিখোঁজ হয়ে যায়। রায়ান ও মল্লার দিশেহারা হয়ে পারুলের কাছে ছুটে আসে এবং টগরকে খুঁজে না পাওয়ার খবরটি তাকে জানায়।
বোনের বিপদের কথা শুনে পারুল সব ভেদাভেদ ভুলে রায়ানের সাথেই টগরকে খুঁজতে বের হয়। ট্র্যাকারের মাধ্যমে তারা একটি জায়গায় পৌঁছায় এবং সেখানে টগরের ব্যবহৃত ট্র্যাকারটি খুঁজে পায়। পারুল নিশ্চিত হয় যে টগর ওখানেই ছিল। এমন সময় এক মহিলা এসে তাদের এক ভয়ংকর খবর দেয়। সে জানায়, টগরকে রনি নামের এক লোক বিক্রি করে দিয়েছে। এই কথা শুনে পারুল আর রায়ান দুজনেই ভীষণ অবাক ও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হলেন আশা ভোঁসলে! হৃৎপিণ্ড ও শ্বাসযন্ত্রে প্রবল সমস্যা! ICU-তে ভর্তি কিংবদন্তি গায়িকা!
মহিলার কাছে রায়ান জানতে চায় রনিকে কোথায় পাওয়া যাবে। মহিলাটি যখন রনির ঘরের ঠিকানা দেয়, তখন পারুল আর নিজেকে শান্ত রাখতে পারে না। বোনের ওপর হওয়া এই অন্যায়ের প্রতিশোধ নিতে সে রণচণ্ডী মূর্তি ধারণ করে। পারুল চিৎকার করে বলে যে, ওই রাক্ষসকে সে শেষ করে দেবে। যে রনি তার বোনের গায়ে হাত দিয়েছে, তাকে খুঁজে বের করে তার হাত কেটে কুচি কুচি করে দেওয়ার শপথ নেয় পারুল।

