শ্রীনিবাসের গোপন সত্যি কমলার সামনে ফাঁ’স? ঝিনুকের উপর কড়া নজর সম্রাটের! সিসিটিভি ক্যামেরায় হঠাৎ কি দেখতে পেল সে?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শ্বাশুড়ির কাছ থেকে কয়েনটি নেওয়ার পর কমলা তা আদির মায়ের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেন। এরপর আর এক মুহূর্তও না দাঁড়িয়ে তাঁরা সকলকে বিদায় জানিয়ে সেখান থেকে বিদায় নেন। তবে এর আড়ালে সমর যে কত বড় একটি অন্যায় কাজ করেছিলেন, সে বিষয়ে কমলা বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের বিন্দুমাত্র ধারণাও তৈরি হয় না।

অন্যদিকে গল্পের মোড় ঘুরে যায় আগামী পর্বের দিকে, যেখানে আদিকে দেখা যাবে ভীষণ ক্ষুব্ধ রূপ ধরে। বাবার কাছে সরাসরি গিয়ে সে জানতে চায়, তাকে কিছু না জানিয়ে কেন আচমকা আংটি বদল বা এনগেজমেন্টের এত বড় আয়োজন করা হলো? কিন্তু আদির বাবা নিজের জায়গায় অনড় থেকে সাফ জানিয়ে দেন যে, এখন থেকে তিনি যা আদেশ করবেন আদিকে সেটাই মেনে চলতে হবে এবং এটিই তাঁর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

বাবার এমন কঠোর এবং একরোখা মনোভাব দেখেও আদি কিন্তু একেবারেই দমে যায় না। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, এভাবে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া এনগেজমেন্টের তার কাছে কোনো দাম নেই এবং এই সম্পর্ককে সে কিছুতেই মেনে নেবে না। নিজের প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে সে আঙুল থেকে এনগেজমেন্টের আংটিটি খুলে সোজা রেখে দেয়।

এদিকে অন্য এক ঘটনার জল গড়ায় ঝিনুক ও সম্রাটের সংসারে। বাড়ি ফিরে সম্রাট আবার চরম অশান্তি শুরু করে, কারণ ঝিনুক নিজ হাতে রাজুকে মিষ্টি খাইয়ে দিয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে সম্রাটের সেই মানসিক বিকারগ্রস্ত ও অতিরিক্ত পসেসিভ চরিত্রটি আবারও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঝিনুক তাকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করে যে, রাজু তার নিজের দাদার মতো এবং দীর্ঘ ২৫টা বছর গুহ পরিবারের সবার সাথে কাটানোর পর হঠাৎ করে তাঁদের ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। এতদিন পর সবাইকে কাছে পেয়ে সে নিজের আনন্দ আর সামলাতে পারেনি, কিন্তু সম্রাটের এই অহেতুক অধিকারবোধ ও সন্দেহ তাকে মারাত্মক বিরক্ত ও ক্লান্ত করে তোলে।

আরও পড়ুনঃ না জানিয়েই আংটি বদলের আয়োজন! বাবার মুখের ওপর নিজের মতামত জানিয়ে দিল আদি! তারপরেই চরম পদক্ষেপ নিল সে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

গল্পে আরও এক নতুন রহস্য দানা বাঁধে যখন কাজের জায়গা থেকে লোক এসে শ্রীনিবাসের খোঁজ করে এবং কমলার কাছে জানতে চায় সে কেন কাজে যায়নি। কমলা এই কথা শুনে ভীষণ অবাক হয়ে যায় এবং আসলে ঠিক কী ঘটতে চলেছে তা বুঝে উঠতে পারে না। এর পাশাপাশি ঝিনুককে দেখে এক চিকিৎসক পরামর্শ দেন যে, সম্রাটের দ্রুত কোনো সাইকিয়াট্রিস্টের সঙ্গে দেখা করা উচিত এবং ঝিনুক কোনো তীব্র মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে কি না তাও ক্ষতিয়ে দেখা দরকার। কিন্তু পুরো বিষয়টি উপর থেকে লক্ষ করছিল সম্রাট নিজেই এখন ঝিনুকের ওপর নতুন কী বিপদ নেমে আসতে চলেছে, সেটাই দেখার বিষয়।

Back to top button