ভুল বোঝাবুঝি নাকি নতুন ঝড়? ঝিনুকের ক্লাসে গিয়ে রাগে জ্ব’লে উঠল সম্রাটের! চরম রাগে কী সিদ্ধান্ত নিল সে?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সম্রাট ঝিনুককে তার বন্ধুদের সাথে কোনো যোগাযোগ রাখতে দেয় না। অতিরিক্ত অধিকারবোধ ও রাগের বশে একদিন সে ঝিনুকের এক বন্ধুর মাথায় ফুলের টব ছুড়ে মারে। এতে ছেলেটির মাথা ফেটে যায় এবং তার পরীক্ষা দেওয়া আটকে যায়। যদিও সম্রাট নিজেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু পরে জানা যায় ছেলেটির ব্রেন হেমারেজ হয়েছে। এই খবর শুনে ঝিনুক মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, কারণ পরিস্থিতি যে এত গুরুতর হয়ে উঠবে তা সে ভাবতেও পারেনি।
অন্যদিকে, প্রয়োজনীয় টাকা জোগাড় করতে গিয়ে শ্রীনিবাসকে চরম শারীরিক ও মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। অবশেষে সেই টাকা যখন সে স্ত্রী কমলার হাতে তুলে দেয়, তখন কমলা বুঝতে পারে তার স্বামী কিসের মধ্য দিয়ে গেছেন। স্বামীর এই কষ্ট দেখে কমলার বুক ফেটে গেলেও, শ্রীনিবাস ভালোবাসার সুরে জানায় যে কমলার মুখের সামান্য হাসিটুকুই তার জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। এরপরই সে কমলার কাছে এক মূল্যবান জিনিস চেয়ে বসে, যা এখন পর্যন্ত এক গভীর রহস্যের আড়ালেই থেকে যায়।
পরিবারের এই টানাপোড়েনের মাঝে আনন্দের পরিবেশ নিয়ে আসে শ্রীনিবাস ও কমলার ছোট ছেলে শান্তনু। সে এবং তার স্ত্রী দুজনকে বিশেষ এক উপহার দেওয়ার জন্য চোখ বন্ধ করে একটি নতুন জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে বাবা-মাকে সারপ্রাইজ দিয়ে শান্তনু তার নতুন ফার্নিচারের দোকানের উদ্বোধন করে এবং নিজের ব্যবসার নতুন পথচলা শুরু করে। পরিবারে এই আনন্দের মুহূর্ত তৈরি হলেও, তার পাশেই আবার নতুন কোনো ঝামেলার ইঙ্গিত মেলে।
এদিকে পল্লবীর কাছে আবারও একটি রহস্যময় চিঠি এসে পৌঁছায়। তবে আগের মতোই সে মনে করে এই সবকিছুর পেছনে আদিত্যই রয়েছে, যার ফলে তাদের দুজনের ভুল বোঝাবুঝিটা আরও বাড়তে থাকে। এরপর পল্লবীকে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে আদিত্য বাড়ি থেকে বের হয়, যা এই পর্বে নতুন কোনো টানটান পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
আরও পড়ুনঃ পরিবারে নতুন অতিথি! পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন কাঞ্চনপত্নী! তিন থেকে চার হলেন তাঁরা! দিদি হল ১৯ মাসের কৃষভি! সুখবর ভাগ করে নিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী!
পরীক্ষা শেষ করে ঝিনুক বাইরে এসে দেখে সম্রাট নেই। আসলে সম্রাট গাড়ি নিয়ে পার্কিংয়ে আটকে ছিল, কিন্তু তা না জেনেই ঝিনুক একটা অটো ধরে সোজা শান্তনুর দোকানের অনুষ্ঠানে চলে যায়। ঠিক তখনই সম্রাট গাড়ি থেকে ঝিনুককে চলে যেতে দেখে ফেলে। এরপর সম্রাট সোজা ঝিনুকের ক্লাসরুমে গিয়ে দেখতে পায়, কেউ বেঞ্চে ঝিনুককে ভালোবাসার কথা লিখে রেখেছে। এই দৃশ্য দেখে সম্রাট আবারও চরম রাগে ফেটে পড়ে, যা গল্পে আগামী দিনের নতুন মোড়ের আভাস দেয়।

