নিজের সন্তানের থেকে বারবার আঘাত পাচ্ছে কমলা! সমর-শান্তনুর আচরণে অবাক গোটা পরিবার! ছেলেকে শিক্ষা দিতে কি করে বসলো কমলা?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সম্রাটের রাগ ও জেদ নিয়ে সবসময় নানা সমালোচনা হলেও বিপদের সময় সে কোনো হিসাব-নিকাশ করেনি। শ্বশুর শ্রীনিবাসবাবুর চিকিৎসার খরচের কথা উঠতেই সে এক মুহূর্ত দেরি না করে নিজের কার্ড এগিয়ে দেয়। ঘরের জামাই হয়েও শ্বশুরের জীবন বাঁচাতে হাসিমুখে সমস্ত দায়িত্ব সে নিজের কাঁধে তুলে নেয়।
পরিস্থিতি খারাপ দিকে মোড় নেয় যখন কঠিন মুহূর্তে আবেগ সামলাতে না পেরে রাজু ঝিনুককে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। দূর থেকে রাজু ও ঝিনুকের এই মুহূর্তটি দেখে সম্রাট মোটেও সহজভাবে নিতে পারে না। তাদের এই মেলামেশা দেখে সম্রাটের মুখের অভিব্যক্তি মুহূর্তের মধ্যেই কঠোর হয়ে ওঠে।
ডাক্তার জানান শ্রীনিবাসবাবু এখন বিপদমুক্ত। তবে এই স্বস্তির খবরের পর তাঁর নিজের দুই ছেলের আচরণ সবাইকে অবাক করে। সমর বাবার জ্ঞান ফেরার অপেক্ষা না করেই কাজের বাহানায় চলে যায়, আর সান্তনুও পরিবারকে সময় না দিয়ে দোকান নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, রক্তের সম্পর্ক না থেকেও আদিত্য যেভাবে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা কমলার মনকে স্পর্শ করে। নিজের ছেলেরা চলে গেলেও পরের বাড়ির ছেলে আদিত্যই আসল দায়িত্ব পালন করে।
বাড়িতে কমলাকে তার শাশুড়ি বোঝায় যে এই কঠিন সময়ে শ্রীনিবাসের পাশে থাকা দরকার। কিন্তু সম্রাট কোনোভাবেই রাজু ও ঝিনুকের মেলামেশা মেনে নিতে পারছিল না। ঝিনুককে হাসপাতাল থেকে নিজের সঙ্গে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সে। কথায় কাজ না হওয়ায় ঝিনুককে নিজের কাছে আটকে রাখার তাগিদে সম্রাট নিজের হাত কেটে এক ভয়াবহ ও রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলে।
আরও পড়ুনঃ লুকিয়ে কল করতে গিয়ে চরম বিপদ! বিপদের মুখে পারুলের মাস্টারস্ট্রোক! স্ত্রীর দেওয়া গোপন সংকেত কি ধরতে পারবে রায়ান? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
সম্রাটের এই ভালোবাসা এখন আর স্বাভাবিক সীমার মধ্যে নেই। নিজের ক্ষতি করে কাউকে নিজের কাছে আটকে রাখার চেষ্টা কখনোই সঠিক ভালোবাসার প্রকাশ হতে পারে না। সম্রাটের এমন চরম ও ভয়াবহ সিদ্ধান্তের পর এখন দেখার বিষয় ঝিনুক কী করে সে কি সম্রাটের পাশে থাকবে, নাকি তাদের সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠবে। এদিকে দুই ছেলের আচরণে অবাক কমলা। বাবার অসুস্থতার মাঝেও তাদের আচরণ সত্যি অবাক করেছে।

