পল্লবীর সাফল্যে পাশে আদিত্য! তাকে অফিসে পৌঁছে দিতে গিয়ে একি অবস্থা হলো আদিত্যর! অবাক পল্লবী! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গুহ বাড়িতে তখন সম্পূর্ণ অন্য এক পরিবেশ। বেশ ধুমধাম করে সেখানে রথযাত্রার প্রস্তুতি চলছে। পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে আনন্দের সাথে রথ সাজাতে ব্যস্ত, আর চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ। এর মাঝেই মিঠি জানায় যে, সে এর আগে কোনোদিন রথ টানেনি। এই নিয়ে বাড়ির সবার মধ্যে বেশ হাসিখুশি ও মজার মুহূর্ত তৈরি হয় এবং সবাই মিলে উৎসবের দিনটি উপভোগ করার প্রস্তুতি নিতে থাকে।
কিন্তু উৎসবের এই অনাবিল আনন্দের মাঝেই হঠাৎ করে গুহ বাড়িতে হাজির হয় সানি ও সুপর্ণা। শুধু তারা দুজন নয়, তাদের সঙ্গে একজন উকিলও আসে। এই অপ্রত্যাশিত অতিথিদের দেখে বাড়ির খুশির পরিবেশ নিমেষেই থমকে যায়। সুপর্ণা কোনো রকম ভূমিকা না করেই সরাসরি পল্লবীর দিকে এগিয়ে যায় এবং তার হাতে কিছু কাগজ দিয়ে সেখানে সই করতে বলে। আচমকা ঘটা এই ঘটনায় বাড়ির সবাই বেশ অবাক হয়ে যায়।
হঠাৎ এমন কাগজ দেখে পল্লবী অবাক হয়ে জানতে চায় যে ওগুলো কীসের কাগজ। তখন সুপর্ণা অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেয়, ওই কাগজে সই করলে দাদার সম্পত্তির ওপর পল্লবীর আর কোনো আইনগত অধিকার বা দাবি থাকবে না। উৎসবের দিনে ঘটে যাওয়া এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাই এবার গুহ বাড়ির পুরো শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করে তুলতে চলেছে।
অন্যদিকে, সম্রাট শুধু ঘরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েই শান্ত হয়নি। এবার সে সেই ক্যামেরার সঙ্গে মাইক্রোফোনও যুক্ত করে দিয়েছে, যাতে ঝিনুকের মুখের প্রতিটা কথা সরাসরি তার কানে পৌঁছে যায়। ঝিনুক কাকে ফোন করছে, কার সঙ্গে কী নিয়ে কথা বলছে সবকিছুই জানতে চাইছে সম্রাট। এমনকি ঝিনুক তার অনুপস্থিতিতে কী করছে না করছে, সেটাও সে কড়া নজরে রাখতে চাইছে।
আরও পড়ুনঃ ‘শেষে AI না দিলে কি চলছিল না?’ ‘ক্যামেরাম্যান পালিয়েছে নাকি?’ ‘আর বোধহয় বাজেট নেই…’ নায়িকার বদলে AI? লক্ষ্মী ঝাঁপি’-র প্রোমো নিয়ে সমালোচনার মুখে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ!
আগামী পর্বে দেখা যাবে, আদিত্য মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রসাদ নিয়ে সোজা কমলাদের বাড়িতে আসে। কমলাকে সে জানায় যে, পল্লবী ভালো চাকরি পেয়েছে বলেই সে এই পুজো দিয়েছে। এরপর আদিত্য প্রসাদ দেওয়ার পাশাপাশি পুজোর ফুলটা পরম যত্নে পল্লবীর মাথায় ছুঁইয়ে দেয়। এর মধ্যেই কমলা আক্ষেপ করে বলে, গাড়ি না থাকায় পল্লবী অফিসে যাওয়ার পথে ঝিনুকের খাবার দিয়ে যেতে পারছে না। তখন আদিত্য এক মুহূর্ত দেরি না করে জানায় যে সে নিজেই পল্লবীকে অফিসে পৌঁছে দেবে। আদিত্যের এই আচরণ দেখে বোঝাই যাচ্ছে সে পল্লবীর পাশে থাকার কোনো সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না, যা গল্পে এক নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

