রথযাত্রার আনন্দে হঠাৎ অশান্তির মেঘ! উকিল নিয়ে গুহ বাড়িতে হাজির সানি-সুপর্ণা! পল্লবীকে দিয়ে কোন কাগজে সই করাতে চায় সুপর্ণা?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পল্লবী ঘরে ঢুকে আদিত্যর সব কথা শুনে ফেলে। কিন্তু সে কোনো প্রতিবাদ বা উত্তর না দিয়ে শুধু চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে। পল্লবীর সেই নীরব মুহূর্তটাই যেন তার মনের অনেক না বলা কথা প্রকাশ করে দেয়। আদিত্যর এমন উদারতা দেখে কমলাও আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না। সে পল্লবীর দিকে তাকিয়ে বলে, “দেখেছিস, এত কষ্ট পাওয়ার পরও ছেলেটা তোর কোনো ক্ষতি চাইছে না।” আর সবার অজান্তেই আদিত্য মনে মনে বলে ওঠে, যাকে সে নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসে, তার ক্ষতি সে কী করে চাইবে! আদিত্যর এই গভীর অনুভূতি দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়। এখন দেখার বিষয়, এই মন গলানো কথাগুলো পল্লবীর মনে কোনো প্রভাব ফেলতে পারে কি না, নাকি তাদের সম্পর্কের সমীকরণ আগের মতোই জটিল থাকবে।

গল্পের আগামী পর্বে দেখা যাবে একটি নতুন দিক। হঠাৎ করেই ঝিনুক বেশ অসুস্থ হয়ে পড়ে। আর এই কঠিন সময়ে সম্রাট তার পাশে দাঁড়ায় এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে তার যত্ন নেয়। সম্রাটের আন্তরিক সেবা-শুশ্রূষার পর ঝিনুক আস্তে আস্তে কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠে। শরীর একটু ভালো হতেই ঝিনুক আবার নিজের পড়াশোনায় মন দেওয়ার চেষ্টা করে, কারণ সামনেই তার কলেজের পরীক্ষা রয়েছে।

অন্যদিকে, গুহ বাড়িতে তখন সম্পূর্ণ অন্য এক পরিবেশ। সেখানে বেশ ধুমধাম করে রথযাত্রার প্রস্তুতি চলছে। পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে রথ সাজাতে ব্যস্ত, আর চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ। এর মাঝেই মিঠি জানায় যে, সে এর আগে কোনোদিন রথ টানেনি। এই নিয়ে বাড়ির সবার মধ্যে বেশ হাসিখুশি ও আনন্দের মুহূর্ত তৈরি হয়। সবাই মিলে উৎসবের দিনটি উপভোগ করার প্রস্তুতি নিতে থাকে।

কিন্তু উৎসবের এই অনাবিল আনন্দের মাঝেই হঠাৎ করে গুহ বাড়িতে হাজির হয় সানি ও সুপর্ণা। শুধু তারা দুজন নয়, তাদের সঙ্গে একজন উকিলও আসে। বাড়ির আনন্দের পরিবেশ নিমেষেই থমকে যায়। সুপর্ণা কোনো ভূমিকা না করেই সরাসরি পল্লবীর দিকে এগিয়ে যায় এবং তার হাতে কিছু কাগজ দিয়ে সেখানে সই করতে বলে। আচমকা এই ঘটনায় বাড়ির সবাই বেশ অবাক হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ ‘হাসপাতালের সেই অন্ধকার দিনগুলো…’ ‘আমি বুঝে যাই, কার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারব আর কার সঙ্গে…’ ‘স্বামীকে হারানোর পর চারদিক ছিল শূন্য!’ সমস্ত শূন্যতা পেরিয়ে মালবিকা সেনের ঘুরে দাঁড়ানোর অসামান্য লড়াই!

হঠাৎ এমন কাগজ দেখে পল্লবী অবাক হয়ে জানতে চায়, ওগুলো কীসের কাগজ? তখন সুপর্ণা পরিষ্কার জানিয়ে দেয় যে, ওই কাগজে সই করলে দাদার সম্পত্তির ওপর পল্লবীর আর কোনো আইনগত অধিকার বা দাবি থাকবে না। উৎসবের দিনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাই এবার গুহ বাড়ির পুরো পরিবেশ বদলে দিতে চলেছে। এখন এটাই দেখার বিষয়, পল্লবী কি সুপর্ণার কথায় কাগজে সই করে দেবে, নাকি এর পেছনের আসল চক্রান্তটা বুঝতে পেরে কোনো বড়সড় সিদ্ধান্ত নেবে।

Back to top button