ব্যবসায় চরম সংঘাত! শুভেন্দুর সিদ্ধান্তে রেগে আগুন ঋষি! জিতের তীক্ষ্ণ নজর থেকে কি বাঁচতে পারবে নিশা? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয় এবং চর্চিত ধারাবাহিক হলো ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta)। ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গভীর অভিমানে ভেঙে পড়ে নিশা বলে ওঠে, “এই পৃথিবীতে আমার কেউ আপন নয়।” এই কথা শুনে উজিও নিজেকে সামলাতে না পেরে কষ্ট পেয়ে নিশাকে জিজ্ঞেস করে, “আমিও কি তোর আপন নই? আমি তো তোর নিজের বোন।” কিন্তু নিশার অভিমান তাতে একটুও কমে না, সে পাল্টা জবাবে বলে, “আপন হলে কেউ কখনও পেছন থেকে ছুরি মারে না।” এই একটি সংলাপই বুঝিয়ে দিচ্ছে যে দুই বোনের সম্পর্কের ফাটল এখনও কতটা গভীর।

জিৎ বসুকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করে নিশা। কারণ একটাই বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখা টাকাগুলো যেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই সরিয়ে ফেলতে পারে। তবে এটা কিন্তু প্রথমবার নয় এর আগেও নিজের উদ্দেশ্য সফল করতে ঋষিকে ফাঁসানোর জন্য উজিকে বিষ খাওয়ানোর চেষ্টাও করেছিল সে। শেষ পর্যন্ত নিশা যেভাবে জিতের চোখের সামনেই বিছানার নিচ থেকে টাকা সরিয়ে ফেলল, সেটা দেখে বলতে হয় নিশার সাহস তো আছেই। তবে জিৎও কিন্তু সবকিছু চুপচাপ দেখছে। আজ না হোক কাল, এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই হয়তো তার সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দেবে।

জিৎ একেবারেই পুজোর অনুষ্ঠানে যেতে চাইছিল না। তার একটাই কথা, “আমার ঘুম পাচ্ছে, আমি কোথাও যাব না।” কিন্তু নিশার তখন মাথায় অন্য চিন্তা কোনোভাবে জিৎকে বাড়ির বাইরে না নিতে পারলে যে বড় বিপদ হয়ে যেত। শেষ পর্যন্ত অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়ে, প্রায় জোর করেই জিৎকে নিয়ে বের হলো নিশা। আর তখনই ভানুও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। কারণ জিৎ যদি বাড়িতেই থেকে যেত, তাহলে আলমারির সেই লুকিয়ে থাকার ঘটনা আর ঢাকা দেওয়া যেত না। সত্যি বলতে, আজ ভানু অল্পের জন্যই বেঁচে গেছে।

সবশেষে, প্রোমোর একেবারে শেষ মুহূর্তে আসে আসল টুইস্ট। নিজের ঘরে ল্যাপটপে কাজ করার সময় হঠাৎ করেই জিৎ বসুর চোখ যায় আলমারির দিকে। তার মনে হয়, ভেতরে যেন কেউ লুকিয়ে আছে এবং সে সঙ্গে সঙ্গেই চিৎকার করে বলে ওঠে, “কে আছে ওখানে?” এই দৃশ্যটি আগামী পর্বগুলোর উত্তেজনাকে আরও অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মায়ের সম্মান বাঁচাতে ৩ দিনের সময় চাইল পারুল! শয়তানদের ষ’ড়যন্ত্র ফাঁ’স করতে কোন নতুন মিশনে নামছে সে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

আগামী পর্বে দেখা যাবে, শুভেন্দু চক্রবর্তী দুর্জয়ের সামনেই ঋষিকে জানিয়ে দেয় যে তারা ব্যবসার ভেন্ডার বদলাতে চলেছে। কিন্তু কথাটা শুনেই ঋষি রেগে যায় এবং বলে, দুর্জয় যাদের সঙ্গে কাজ করছে, তাদের সঙ্গেই আর কোনোভাবেই কাজ করা যাবে না; সেই সময় সেখানে উজিও উপস্থিত থাকে। অন্যদিকে জিৎ আর নিশাকে নিয়েও আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য দেখা যাবে। জিৎ নিশাকে বলে, সে যখন ঘরে ঢুকেছিল তখন একটা আলাদা পুরুষের পারফিউমের গন্ধ পেয়েছে। কথাটা শুনেই নিশার মুখের রং বদলে যায়, কারণ তার মাথায় তখন একটাই চিন্তা আলমারিতে লুকিয়ে থাকা ভানুর ব্যাপারটা কি জিৎ ধরে ফেলেছে?

Back to top button